somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ট্রাম্পের উদ্বোধনী দেখছি, আর হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরছি

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৭:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজকে থেকে ট্রাম্পের অভিষেক অনুস্টান শুরু হয়েছে; আজ ট্রাম্প জাতীয় কবরস্হানে নিহত সৈনিকদের কবরে ফুল দিয়েছেন ও লিংকন মেমোরিয়েলে 'কনসার্টে' উপস্হিত থেকেছেন; কনসার্টে দেশের নামী দামীরা গান গেয়েছেন, ৫ হাজার মানুষ অনুস্ঠানে উপস্হিত ছিলেন, এদের মাঝে অনেকেই খুবই সাধারণ মানুষ ছিলেন; অনুস্ঠানের বাহিরে আরও ১০ হাজার মানুষ উপস্হিত ছিলেন।

এই শীতের মাঝে ২ ঘন্টারও বেশী সময় মানুষ উপস্হিত থেকে এই মহেন্দ্রক্ষণকে উপভোগ করেছেন; ভেতরে বাহিরে মানুষের চোখে মুখ যে আনন্দ, আশা ও উৎসাহ, তা বিশ্বের অনেক জাতির ভাগ্যে ঘটে না; সেসব জাতির মাঝে আমাদের স্হান সবার উপরে হয়তো।

এ ধরণের আনন্দ আমি দেখেছিলাম ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে ও ১০ই জানুয়ারীতে। কিন্তু ১২ জানুয়ারীতে যখন শেখ সাহেব শপথ নিলেন সাধারণ মানুষ থেকে কেহকে নিমন্ত্রণ করেননি; মানুষ আনন্দিত হওয়ার, উনাকে উৎসাহিত করার সুযোগও পায়নি।

শেখ সাহেবের পর, অনেকেই শপথ নিয়েছেন, মানুষকে আমি কোনদিন হাসিমুখে দেখিনি; মানুষকে চিন্তিত, ভীত মনে হয়েছে; কখনো উৎসাহিত মনে হয়নি। অবশ্য কিছু লোক অস্বাভাবিকভাবে খুশী হয়ে থাকে আমাদের অনেক জাতীয় অনুস্ঠানে; এসব লোক এত উৎসাহ দেখায় যে, বাকীরা এদের ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে।

ভোটের রেজাল্টের পর, হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ী ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বারবার আমাদের দেশে; এদের অনেকেই দীর্ঘ সময় নিজ পরিবারের কাছে ফিরতে পারেনি।

খোন্দকার মোস্তাক, জেনারে জিয়া, জেনারেল এরশাদ, বেগম জিয়া ও শেখ হাসিনার শপথের সময় অনেক নিজ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে; এগুলো স্মরণ করে, ও ট্রাম্পের মতো লোকের অনুস্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে খুশী, আশাবাদী ও উৎসাহিত দেখে হিংসায় গা জ্বলে গেছে আমার।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৮:২৯
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×