
আজ শনিবার, ছুটির দিন; ট্রাম্প কাজ করছেন, দুপুর ১২টায় রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট পুটিনের সাথে টেলিফোনে কথা হবে; কি কথা হবে, হোয়াইট হাউস বলেনি; কিন্তু আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকো ও ইউরোপ বলছে যে, তারা আলোচনার বিষয় জানে! এ ধরণের জানার বা বুঝার বিশাল ক্ষমতা একদিক থেকে ভালো লক্ষণ, কিন্তু উহার অন্যদিকও আছে, অনুমান নির্ভর 'ব্যবস্হা গ্রহন, সমাধান বের করতে' গিয়ে, অনেক প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়।
বিশ্ব ব্যাপি ট্রাম্প-ফোবিয়া চলছে, এর ফলাফল হবে, হালকা রিশেসন; আমেরিকা ও ইউরোপ হঠাৎ করে অর্থনৈতিক সমস্যায় নিপতিত হবে না; কিন্তু অর্থনৈতিক 'সিদ্ধান্তে ট্রাম্প একটা ফ্যাক্টর হয়ে গেছে'; ফলে, আমেরিকা ও ইউরোপে বিনিয়োগে ও নতুন চাকুরী সৃস্টিতে স্হবিরতা দেখা দেবে; ধনী কর্পোরেশন গুলো কচ্ছপের মতো, কোন আওয়াজ শুনলে মাথাটাকে খোলের ভেতর টেনে নেয়, প্রাথমিক রিএ্যাকশন।
আমেরিকা থেকে কিছু মেক্সিকান পালিয়ে যাবে; এদের মাঝে আছে কৃষি ও বিল্ডিং শ্রমিক; এদের বেতন আমেরিকান শ্রমিকের তুলনায় কম; ফলে, এই ২ ইন্ডাষ্ট্রিতে উৎপাদন কমবে ও খরচ বাড়বে; টিপিপি দেশগুলোর বিনিয়োগ কারীরা কিছু সময় স্হবির থাকবে।
যে ৭টি মুসলিম দেশের জন্য ভিসা বন্ধ করা হয়েছে, সেসব দেশগুলোর মাঝে, তেলের দেশগুলোতে আমেরিকান বড় প্রাইভেট ব্যবসা আছে; এগুলো স্হবির হবে, অনেক ব্যবসা গুটিয়ে নেয়া হবে।
আমেরিকার বেকারের হার ৪.৭ বলা হলেও, উহা আসলে ১০% এর সমান, বা বেশী; কম-বেতনে চাকুরী করা সাদারা ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছে বড় বেতনের চাকুরীর আশায়; কিন্তু কর্পোরেশনগুলো বড় বেতন দিতে চাইবে না; ফলে, তারাও নতুন চাকুরী সৃস্টি না করে অপেক্ষা করতে চাইবে।
স্টক মার্কেট বেশ উপরে, উহাকে নেমে আসতে হবে; কমপক্ষে, ট্রাম্পের বর্তমান অবস্হা মার্কেটের 'শর্টসেলার'দের উৎসাহিত করবে, যা মার্কেটকে নীচের দিকে টানবে।
এক বছরের মাঝে বড় বেতনের চাকুরী না হলে, নিম্ম-মধ্যবিত্ত সাদা শ্রমিকেরা বিরক্ত হবে, সেটা অর্থনীতিতে প্রতিফলন ঘটাবে; বিশেষ করে পেনসিলবানিয়া, ওহাইও, ও ডেট্রয়েটের মানুষ ভালো চাকুরীর জন্য অপেক্ষা করছে।
সবকিছু মিলে ট্রাম্প-ফোবিয়া একটি হালকা রিশেসন আনার জন্য যথস্ট; আর এর মাঝে যদি ইরান বা কোরিয়ার সাথে সীমিত সংঘর্ষ হলে সারা বিশ্ব ভয়ে স্হবির হয়ে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



