somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাপান ও জার্মানীর মতো আত্মহত্যার পথে এগুচ্ছে ইরান

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ট্রাম্পের সরকার ইরানকে ধরার পথ বের করতে হবে, নাকি ইরান নিজেই সেই পথ বের করে দেবে? মনে হচ্ছে, ট্রাম্পের লোকজনকে কস্ট করতে হবে না, ইরান নিজেই জার্মানী ও জাপানের পথ ধরে, নিজকে নিশেষ করার পথ নিজেই বের করে দেবে। যেখানে বিশ্বে নতুন করে আর একটি এটম বোমার বানানোরও দরকার নেই; সেখানে বিশ্ব নতুন এক এটোমিক জাতিকে দেখতে চাহে না; বিশেষ করে আহমেদী নেজাদের এটম বোমার টার্গেট ঘোষণার পর, ইরানের জন্য এটমবোমা বানানোর পথ বন্ধ হয়েছে। আবার ইরানের বর্তমান অবস্হায়, তাদের হাতে এটমবোমা তো দুরের কথা, রুটি কাটার চুরিও নিরাপদ নয়।

গতকাল, ট্রাম্পের মিলিটারী উপদেস্ঠা জেনারেল ফ্লিন ইরানকে "নোটীশ দিয়েছে", ইরান যেন বেলাস্টিক মিসাইল পরীক্ষা বন্ধ করে; গত বরিবার ইরান বেলাস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করেছে; হোয়াইট হাউসে ফ্লিন বলেছে, এতে জাতি সংঘের কোন এক রেজুলেশান ভংগ হয়েছে; ইরান বলেছে, এতে জাতি সংঘের কোন রেজুলেশান ভংগ হয়নি।

আজকে ইরান বলেছে, তারা এই ধরণের "নোটীশ" মানবে না; তারা তাদের জাতীয় প্রতিরক্ষার জন্য বেলাস্টিক মিসাইল পরীক্ষা চালু রাখবে।

এই ধরণের ঘোষণা জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণের মতো বেকুবী, কিংবা হিটলারের ২য় বিশ্বযুদ্ধে যাওয়ার মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত; জাপান জানতো না, পার্ল হারবারে বিজয়ের পর, তাদের ভবিষ্যত কি; অথবা হিটলার কিভাবে ভাবলো যে, সে সোভিয়েত দখল করবে!

ট্রাম্প ভোটের আগে বলেছে যে, সে জয়ী হলে, ইরানের সাথে ওবামার চুক্তি বাতিল করা হবে, ইরানকে কোনদিন এটমবোমা বানাতে দেয়া হবে না; ট্রাম্পের জয়ের পরপরই ওবামা হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন সময়ে চুক্তিটি বদলায়ে, এটমবোমা বানানোর অধিকার বিলোপ করার দরকার ছিলো ইরানের; এতে করে চুক্তি টিকে থাকতো, ইরান তার ডলারগুলো ফেরত পেতো, পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক ভালো হয়ে যেতো।

এখনো ইরানের হাতে সময় আছে, বোমা না বানানোর ঘোষণা দিয়ে, ও বেলাস্টিক মিসাইল পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়ে, চুক্তিটাকে রক্ষা করতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৪:৪৪
৩৪টি মন্তব্য ৩৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Good governance starts with respecting public money....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



Good governance starts with respecting public money....

গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮



চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

প্রিয় সহব্লগার,
একসময় সামু ছিল আমাদের ছোট্ট এক মহাবিশ্ব।
দৈনিক গড়ে তিন-চারশ' ব্লগার অনলাইনে থাকতেন। প্রতি মিনিটেই নতুন নতুন পোস্ট আসত। কেউ গল্প লিখছেন, কেউ কবিতা, কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২২ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭



বাংলাদেশে শেষ কবে সিনেমা হলে গিয়ে মুভি দেখেছিলাম মনে নাই। গতকাল সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম, স্টার সিনেপ্লেক্স মুভি থিয়েটারে। এখন আর আগের মতন সিনেমা হল নেই। অনেক কিছু বদলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×