
ছবি: এবছরের ২১ শে জানুয়ারী, ট্রাম্প ও পেন্স "ইন্টারফেইথ" প্রার্থনায়: সেখানে সব ধর্মের লোকদের সাথে প্রার্থনা করা হয়েছে।
যেকোন বাংগালী, শিক্ষিত বা অশিক্ষিত, নিজকে বা আমাদের জাতিকে আমেরিকা বা নরওয়ের সমান কিংবা তাদের উপরে ভাববেন না, সম্ভবত; সর্বাধিক, আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস নিয়ে কিছুক্ষণ তর্কবিতর্ক করবেন, কিন্তু শ্রেষ্টত্ব দাবী করবেন না; করলেও, এক সময় নিজের উপর আস্হা হারায়ে ফেলবেন। ইসরায়েলের কিছু ইহুদী নিজদেরকে আমেরিকানদের থেকে উপরে আছেন বলে দাবী করেন; তবে, আরব-বিশ্ব ও ইউরোপিয়ানদের ভয়ে, আমেরিকানদের উপর নির্ভরশীল, এটা বুঝতে বেগ পেতে হয় না। ফ্রান্সের লোকজন সুযোগ পেলে নিজেদের অবস্হান আমেরিকার উপরে বুঝানোর জন্য, আপনার সাথে সহজে ইংরেজী বলবে না।
তবে, বাংলাদেশের মক্তবের যে কোন শিক্ষক থেকে শুরু করে সেক্রেটারী অবধি, নিজকে ট্রাম্পের থেকে ভালো পজিশনে ভাববেন; কারণ, উনি বিশ্বাস করেন যে, ট্রাম্প বাতিল ধর্ম নিয়ে বসে আছেন, আখেরে খবর হয়ে যাবে। আসলে, সব মুসলমানই এদিক থেকে শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করতে পারেন; কারণ, তোরাহ, যবুর, ইন্জিল বাতিল হয়ে গেছে। যদিও ইহুদীরা নিজেদের "স্রস্টার নির্বাচিত জাতি" ভেবে নিজদেরকে শ্রেষ্ঠ ভাবছে, মুসলিম ও খৃস্টানদের মতে উহারা কিন্ত আর "নির্বাচিত" নন, বরং পথ-ভ্রষ্ট; খৃস্টানদের মতে, "স্রস্টার নির্বাচিত জাতি" উনারা, উনারাই শ্রেষ্ঠ্, হোক না জন্ম সোমালিয়ায়।
আফগানিস্তান, সোমালিয়া, ইথিওপিয়া নিশ্চয়ই আগামী ৫ বছরে বিশ্বের সেরা অর্থনীতি, টেকনোজী, বা গণতান্ত্রিক দেশ হচ্ছে না; ফলে, সেইদিক থেকে শ্রেষ্ঠত্বের দাবী করবে না; কিন্তু ধর্মের দিক থেকে সেইসব দেশের প্রতিটি নাগরিক নিজকে শ্রেষ্ঠ ভাবার সুযোগ পাচ্ছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



