
রোহিংগাদের বাংলাদেশে প্রবেশ ও অবস্হানের ব্যাপারে সরকার ও জাতি একমত নন; আবার সাধারণ মানুষও বিভক্ত। বাংগালীরা উপার্জনের জন্য অন্যায়ভাবে ভুমধ্যসাগর পাড়ি দিচ্ছে, অন্যদিকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে ঢুকছে রোহিংগারা, বিরাট পার্থক্য; বাংগালীরা নৌকায় ভাসতে ভাসতে গ্রীস, কিংবা ইতালীতে পৌছার পর, পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরও শেষমেষ থাকতে পাচ্ছেন; সেখানে রোহিংগারা প্রাণ বাঁচাতে এসে কেন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারছেন না? পার্থক্য হচ্ছে সংখ্যায়! পুরো ইউরোপ রিফিউজির ভারে ভেংগে পড়ছে, তারপরও কিছু একটা করার চেস্টা করছে; বাংলাদেশ চেস্টা করছে কিনা বুঝার উপায় নেই।
রোহিংগাদের কারণে জাতির খরচ, আয়, সমস্যা, পদক্ষেপ কিছুই সরকার পরিস্কার করেনি দেশের মানুষের কাছে! জাতি সংঘ বলেছে যে, রোহিংগাদের আসতে দিতে, নিশ্চয়ই জাতি সংঘ খরচ বহন করবে; যেই ৪/৫ লাখ বাংলাদেশে আগের থেকে আছে, তাদের জন্য সরকার জাতি সংঘ ও অন্যদেশ থেকে কি সাহায্য পেয়েছেন, জাতির নিজের কত খরচ হয়েছে, সবই জাতিকে জানালে, জাতি অবস্হা বুঝতে পারতেন; সরকার সবকিছু নিয়ে চুপ করে থাকে; এসব ব্যাপারে চুপ করে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, অদক্ষতার প্রমাণ।
একটা প্রচলিত কথা আছে যে, রোহিংগারা মোটামুটি মৌলবাদী ও অপরাধ প্রবন, বাংলাদেশে এলে বিএনপি, জামাতের পক্ষে যাবে, ও অপরাধ করবে। সেই সমস্যা সমাধানের জন্য এদেরকে ভোটার না করলেই হলো। তাদেরকে একটা আলাদা আইডিকার্ড দিলেই হবে।
সরকারের উচিত মানুষের সাথে এই ব্যাপারে মত বিনিময় করা, পার্লামেন্টে স্পেশাল সেশন ডেকে আলোচনা করা; রোহিংগাদের ব্যাপারে জাতিকে পরিস্কার ধারনা দিলে মানুষ ও সরকারের মাঝে দুরত্ব কমে আসতো।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



