
ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!
জীবনে অনেক কিছুই শেষ করেছি- কিন্তু ভেষজ চায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি!
সবুজ চা, লেবু-আদা-তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ-লবঙ্গ, গোলমরিচ, পুদিনা-রোজেলা, জাফরান, জেসমিন থেকে শুরু করে এরাবিয়ান, ক্যারাবিয়ান, ইজিপশিয়ান, চীন-কোরিয়ার যাবতীয় ভেষজ চা- সবই একে একে শেষ!
এখন ধরেছি অপরাজিতা চা।
স্বাদ নেই বললেই চলে, গন্ধও প্রায় নিখোঁজ।
তবে রংটা এমন সুন্দর- চায়ের কাপ দেখে মনে হয়, চা না, কাপের মধ্যে নীল আকাশ ঢেলে দিয়েছে!
তবে আমার গবেষণা এখানেই থামছে না।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় আছে-
করল্লা চা
ঢেঁড়স চা
পটোল চা
অর্থাৎ, বাজারে গিয়ে চা-পাতা না কিনে সরাসরি কাঁচাবাজারের সবজি বিভাগে চলে যাবো!
তবে এই দীর্ঘ চা-গবেষণার সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো-
আমার একজন নিয়মিত ও অত্যন্ত প্রিয় চায়ের পার্টনার আছে। তিনি আমাদের ছোট নাতনি, তিন বছরের বিবি সামায়রা। তিনি অবশ্য চা পানে নিজের দার্শনিক ভাব বজায় রেখেই চা পান করেন। প্রথমে তিনি আংগুলে চা নিয়ে জিহবায় দিয়ে স্বাদ অনুভব করার পর ঘ্রাণ নিবেন। তারপর যতসামান্য পান!
তারপর বিস্বাদ মুখে বলবে- "দাদা তুমি খাও..."
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



