
ইত্তেফাকে পড়লাম, যশোর সীমান্তে, ইছামতি নদীর ওপারে ভারতের আংরাইলে, সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ শনিবার সন্ধ্যা থেকে ২০-২৫ জন রোহিঙ্গাদেরকে সীমান্তে জড়ো করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য পুটখালী ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরাও রয়েছে সতর্ক অবস্থায়। এ কারণেই যশোরের বেনাপোল পুটখালী সীমান্তে ইছামতি নদীর ওপারে ২০-২৫ জন রোহিঙ্গাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে!
ভারতীয়দের অমানুষ হিসেবে জেনারেলাইজেশন করলে এখনো ভুল হবে না; ওদের পড়ালেখা, আর্থিক উন্নয়ন, টেকনোলোজী, বিশ্ব বিদয়ালয়ের উচ্চ-শিক্ষা সব কিছুর সুচক ভালোর দিকে; কিন্তু বর্ণ প্রথা থেকে সৃষ্ট এই অমানুষেরা কিছুতেই মানুষ হতে পারছে না। ২০ লাখ রোহিংগাও ওদের জন্য আজকে সমস্যা নয়; ওদের প্রতি বর্গমাইলে ৩৪০ জন মানুষ বাস করে গড়ে; বাংলাদেশে বাস করে ৩০০০ মানুষ; তারপরও বাংগালীরা ৯ লাখ রোহিংগার ভার বইছে; আর ভারত, ২০-২৫ জন রোহিংগাকে মারধর করে সীমান্তে নিয়ে এসেছে বাংলাদেশে পুশ করার জন্য।
আবার এদিকে, যশোর সীমান্তে কিছু মগজহীন মানুষ বিজিবি হিসেবে কাজ করছে, মনে হয়; আমরা যদি ৯ লাখ রোহিংগাকে স্হান দিতে পারি, আরো ২৫ জনকে নিতে পারবো না কেন, ঐ ২৫ জনকে আসতে দিচ্ছে না কেন! লোকগুলোর সাথে কথা বলে, যদি দেখা যায় যে, ওরা রোহিংগা, ওদের এপারে এনে, সরকারীভাবে রোহিংগা শিবিরে পাঠিয়ে দিলে হলো; কিছু বাংগালী আসলেই মগজ ব্যতিত জন্ম নিয়েছে!
ভারতীয়রা আরো শিক্ষিত হবে, আরো সম্পদের মালিক হবে, কোনদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারবে না; চীনা ও পাকিস্তানের ভয়েই কুপোকাত! বিশ্বের কেহ এদের সন্মান করে না। প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ২০-২৫ জন মানুষের সাথে কেহ এই ধরণের ব্যবহার করে? পুরো ভারতীয় জাতিটা আসলে অমানুষের হাড্ডি!
আমাদের বিজিবিগুলোকে আরেকটু মানুষ করার দরকার; এগুলো সীমান্ত থাকাতে, ভারতের কাছাকাছি হওয়ায়, মগজ হারিয়ে বেকুব হয়ে গেছে; অমানুষের সাথে পাল্লা দিয়ে অমানুষ হচ্ছে!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



