somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বহু জাতির ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নরবলি দেয়া হয়েছে!

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজকেও আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ড, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, জিম্বাবে, নমিবিয়া, লাইবেরিয়াতে খুবই গোপনে 'বিধাতা'কে খুশী করার জন্য নরবলি দেয়া হয়; ইউরোপিয়ানরা আফ্রিকায় আসার আগে তারা খোলাখুলিভাবে সব অনুষ্ঠানে নরবলি দিতো; "ইউরোপিয়ানদের অত্যাচারে আফ্রিকা মহাদেশে নরবলি দেয়ার প্রথা ক্রমেই বন্ধ হয়ে যায়"; যেসব বিধাতারা মানুষ থেকে হাজার বছর ধরে 'নরবলি' নিয়ে ছিল, তারা এখন কোথায়?

দক্ষিণ আমেরিকার এজটেক, মায়া, ইনকারা স্পেনিশদের বিজয় অবধি নিয়মিতভাবে নরবলি দিয়ে এসেছে; আসলে, নরবলি ব্যতিত ওদের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতো না; ধর্মীয় অনুষ্ঠান ব্যতিতও বিধাতার কাছে বৃষ্টি চাইতে, ফসল চাইতে, ধনসম্পদ চাওয়ার আগে নরবলি দেয়া হতো; এখন সেই সব মানুষ আছে, নেই শুধু সেইসব বিধাতারা।

ভারতে 'প্রথম সন্তান মা গংগাকে' দিয়ে এসেছে কয়েক শতাব্দী; সেটারও অবসান ঘটায়েছে ইংরেজরা, সতীদাহ ইংরেজরা আসার আগের থেকেই কমে আসছিলো, উহাকে পুরোপুরি বন্ধ করেছে ইংরেজরা; পুরো ইংরেজ জাতি, স্পেনিশ জাতি বিধাতাদের অভিশাপে ছারখার হয়ে যাবে একদিন; বিধাতারা কোথায়ও যায়নি, তারা রাগান্বিত হয়ে আছে; তারা এখন মহিশ ও ছাগলের রক্তে গোশল করছে, নরবলি না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মাঝে মাঝে ভারতে বন্যার সৃষ্টি করে, নিজ হাতে নরবলি দেয়।

বাংলায় গত ৫০০ বছর ধরে নরবলির ইতিহাস নেই; বিধাতাকে বন্চিত করা হয়েছে; বছরে ২/১ শত নরবলি দিলেও বিধাতা খুশী থাকতো, যুগে যুগে বিধাতাকে বন্ছিত করায়, একা ১৯৬৯ সালে বিধাতা লাখের বেশী মানুষকে নিয়ে যায়; বুঝা যাচ্ছে, নরবলি নেয়ার বিধাতা কোথায়ও যায়নি; আছে, চুপ করে আছে; মানুষ যদি নরবলি না দেয়, বিধাতা নিজ হাতেই কাজ সারবে!

ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দ্বীপগুলোতে, ইংরেজরা যাবার আগে, নরবলি দেয়াই ছিল একমাত্র উপাসনা; সেখানকার বিধাতা অন্য কোন উপাসনা চাইতো না; ৬/৯ মাসে, যখনই সম্ভব হতো, ১ বার উপাসনা করলেই হতো; কিন্তু মানুষের রক্ত থাকতেই হবে; ইংরেজদের জ্বালায়, বিধাতা নিজের পাওনার ভাগ কমিয়ে দিয়েছে; এখন মুরগী দিলেই চলে; ভালো বিধাতা, বিবর্তনের সাথে তাল মিলায়ে নিয়েছে; ইংরেজদের ঠেলায়, মানুষ তো মানুষ, ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিধাতাও ভালো হয়ে গেছে।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:২৯
৪৩টি মন্তব্য ৪২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

**চিঠি ০৩ : ক্যাফের চিঠি** ☕️

লিখেছেন চারাগাছ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫




বহু বছর পর আজ তোমাকে দেখলাম।

একটা ক্যাফেতে।

জানালার পাশের টেবিলে বসে ছিলে তুমি। সামনে একটা বই, পাশে একটা Affogato। মাঝে মাঝে কফিতে চুমুক দিচ্ছিলে, আবার বইয়ের পাতায় চোখ রাখছিলে।

আমি ক্যাফেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×