
Link to the news
বেগম জিয়া আপনাকে ভালোবাসতেন, আপনি না জেনে থাকলে, আজকে জানলেন; আপনি যদি বেগম জিয়াকে ভালোবাসেন, উনার মুক্তি চেয়ে, ১২ সেপ্টেম্বর দুই ঘণ্টার প্রতীকি অনশন করবেন, মাত্র ২ ঘন্টা, প্লীজ: সকালের নাস্তার পর, দুপুরের খাবারের আগে; কিংবা বিকেলের নাস্তার পর, রাতের খাবারের আগে, এই অনশন করতে পারেন; এটা রিজভী সাহেবের ফরমুলা।
আমি নিজেও ২ ঘন্টার এই প্রতীকি অনশন করবো; তবে, আমারটার উদ্দেশ্য অন্য রকম, বেগম জিয়ার আজীবন জেল চেয়ে; আপনাকে করতে হবে, রিজভী সাহেবেরটা, আমারটা নয়।
যেহেতু এটি একটি বিশেষদিন, প্রথমে ভালো কিছু খাবেন পেট ভরে; এরপর, যাতে আপনার শরীরে পানির অভাব না হয়, শুরুতে পানি কিংবা শরবত খেয়ে নেবেন, অনশনের সময় বেশী নড়াচড়া করবেন না, শরীরে পানি কমে যেতে পারে; একটু ছায়া-শীতল যায়গায় ২ ঘন্টা ধরে ব্লগিং করতে পারেন, বেগম জিয়ার উপর পোষ্ট লিখতে পারেন, শেখ হাসিনার ১৪ গোষ্ঠী উদ্ধার করে পোষ্ট দিতে পারেন; বেগম জিয়ার উপর লিখিত কোন বই পড়তে পারেন, উনার কোন পোষ্টার থাকলে, আপনার দেয়ালে ঝুলায়ে রাখতে পারেন।
আমি স্কুলে পড়ার সময়, আমার এক ক্লাশমেট ছিলো কেশব; এখন ভারতের কোথায়ও আছে, না হয় পটল তুলেছে হয়তো, আমার সাথে যোগাযোগ নেই। কেশব, আমি ও আরেক ক্লাশমেট লোকমান খান, আমরা ৩ জনে মিলে গ্রামের ফুটবল প্রতিযোগীতাগুলোতে খেলতাম; এই নিয়ে ৩ জনের পরিবারে গোলযোগ লেগেই থাকতো। যেই সন্ধ্যায় বেশী দেরী হয়ে যেতো, আমি খামার বাড়ীতে থেকে যেতাম; বড় ভাবী পাশের বাড়ীর মেয়ে সালমাকে দিয়ে রাতের খাবার পাঠায়ে দিতো। কেশব দেরীতে বাড়ী গেলে ওর বাবা গালি দিতো; তখন কেশব অনশনে চলে যেতো, রাতে খেতো না, সকালে খেতো না; স্কুলে যাবার পথে আমাদের বাড়ীতে থামতো, একত্রে খেয়ে স্কুলে যেতাম; সে কমপক্ষে, নিজের জন্য ২২ ঘন্টার মতো অনশন করতো।
ছেলেমেয়েরা অনশন করে মা-বাবাদের চাপে রাখতে; এখন ঢাকার কোন ছোট বাচ্চাই নাকি খেতে চাহে না; না খেয়ে নাকি পুরোদিন কাটিয়ে দেয়, মায়েরা ডাক্তারের অফিসে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। ২ বছরের পিচ্ছি ১২/১৪ ঘন্টার অনশন করে মা-বাবাকে অস্হির করে তোলে; আপনাকে মাত্র ২ ঘন্টার জন্য অনশন করতে হবে, দেখবেন, শেখ হাসিনার দৌড়াদৌড়ি থামায় কে?
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



