
Link to the news
আওয়ামী লীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছে যে, ছাত্রলীগ হাল ধরলে নিরক্ষরতা দূর করতে লম্বা সময় লাগবে না; উনি নিজেই কি ছাত্রলীগ নন, তোফায়েল আহমেদ কি ছাত্রলীগ নন, শেখ হাসিনা কি ছাত্রলীগ নন? মুহিত, মায়া, নাসিম, শামীম ওসমান, শিরিন আকতার, শেখ সাহেব, তাজুদ্দিন সাহেব, সবাই তো ছাত্রলীগ ; আজকে কেন বাংলায় ৪০% মানুষে নিরক্ষর? শেখ সাহেবের ছেলেমেয়েরা তো নিরক্ষর হয়ে থাকেননি, শেখ জামাল বিদেশে ট্রেনিং নিয়েছিল; তাজুদ্দিন সাহেবের ছেলেমেয়ােরা উচ্চশিক্ষা পেয়েছে; তাজুদ্দিন সাহেবের ম্যাঁওপ্যাঁও ছেলে একটা আছে না, কি যেন নাম, উহা তো আমেরিকায় বাসই করে; ছাত্রলীগ কি আজকে নতুন করে জন্ম নিচ্ছে যে, তারা হাল ধরলে নিরক্ষরতা দূর হবে?
শেখ সাহেবের মত ছাত্র লীগার নিরক্ষতা কমানোর গুরুত্ব বুঝেননি, বুঝেননি তাজুদ্দিন সাহেব; এখনকার মাফিয়া ছাত্র লীগের ছেলেরা নিরক্ষতা দুর করবে? শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের এই লিলিপুটিয়নকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানায়েছেন; এরা কি বলে নিজেই বুঝে না।
নিরক্ষতা দুর করার সময় ছিল ১৯৭২ সাল; শেখ যদি বলতেন যে, প্রতিটি ছাত্র: ৫ম শ্রেণী থেকে পিএইচডি অবধি, নিজ এলাকায় সপ্তাহে ২ দিন করে ২ বছর কাজ করে, সবাইকে অক্ষর জ্ঞান দিতে হবে, পড়তে ও লিখতে সাহায্য করতে হবে; সবাই মাসে ২০/২৫ টাকা হিসেবে বৃত্তি পাবে; তা'হলে আজকে খাসিয়ারাও অশিক্ষিত থাকতো না।
আগামী ইলেকশানের ভয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বুদ্ধি বেড়ে যাচ্ছে, শেষে ভোটের সময় লিলিপুটিয়ানও মানুষ হচ্ছে যাচ্ছে; ভোটের পরে বুদ্ধি বাস্পীভুত হয়ে যাবে। ছাট্রলীগ তো এখনো আছে; আজকে কাজে লাগিয়ে দিক।
ছাত্রলীগের ইতিহাস হলো, ওরা এইচএসসি অবধি টেনেটুনে পড়ে, এরপর এরা ক্লাশে যায় না; এটাই ছিলো তোফায়েল আহমেদ, রব, সিরাজুল আলম খানদের ইতিহাস। শিক্ষকেরা ভয়ে এদের ভালো নম্বের দিয়ে, ভালো ক্লাশ দিয়ে পাশ করায়ে দিতো; এরা মানুষের জন্য কিছু করার লোকজন, এদের দক্ষতা আছে?
১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের বিলুপ্তি করার দরকার ছিলো; শেখ সাহেব বুঝতে পারেননি বলে প্রাণ দিয়ে মুল্য শোধ করেছেন। আজকে শেখ হাসিনাও ছাত্রলীগকে নিয়ে একই অবস্হানে আছেন; শেখ হাসিনা যদি উনার বাবার মৃত্যুর কারণগুলো খুজতেন ও বুঝতেন, বহু আগেই ছাত্রলীগকে বিলুপ্ত করে দিতেন। ছাত্রলীগ আসলে শিক্ষা-বিরোধী একটি মাফিয়ার দল; এরা বাংলার দু:খ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



