
১৯৯১ সালে, জিয়া এতিমখানা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে টাকা দেয়া হয়েছিলো কুয়েত থেকে; আজকেও জিয়া এতিম খানা নেই; ২০০৮ সালে এই বিষয় নিয়ে মামলা হয়েছিল; আজও জিয়া এতিমখানা নেই; বিচারে প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছর জেল হয়েছে ২৭ বছর পরে; এটা সঠিক বিচার; এই বিচারকে শেখ হাসিনার আক্রোশ যারা বলে, তাদের ভাবনাশক্তি কলুষিত, এরা কোনভাবে রাজনীতি করার সুযোগ পাওয়া উচিত নয়।
জেলের রায় হলে, আসামীকে জেলে নিতে পারে কোর্ট থেকে; সেটা ঘটেছে বেগম জিয়ার বেলায়; এটা স্বাভাবিক! বেগম জিয়ার জেলের রায়কে অন্যায় যারা বলেছে, তারা আইন মানে না; তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দরকার; সরকার সেটা না করে ভুল করেছে; যেহেতু বেগম জিয়ার বিচারটা উঁচু প্রোফাইলের বিচার, এই বিচারকে প্রতিষ্ঠিত করা খুবই দরকার, ইহা উদাহরণ হিসেবে থাকবে।
আপীল করা হয়েছে, আপীলের নিস্পত্তি হবে, আপীলের নিষ্পত্তির সময়, আসামীকে জেলে রাখা যায়, কিংবা জামিনে রাখা যায়; বেগম জিয়ার বেলায়, উনার রাজনৈতিক সহকর্মীগণ বিচারকে অন্যায় বলায়, উনাকে জেলে রাখাই সঠিক হয়েছে; না হয়, এরা পুরো বিচারকে অস্বীকার করে বসতো।
২৭ বছর এতিমখানা না করার পর, যারা বিচার মানে না, তাদেরকে কোনভাবে রাজনীতি করতে দেয়া উচিত নয়; তারা বিচারের বিপক্ষে অবস্হান নিয়ে দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেছে । যারা বেগম জিয়াকে শক্তি, কিংবা আন্দোলন করে মুক্ত করার ঘোষণা দেয়, তাদের বিরু্দ্ধে ব্যবস্হা নেয়ার দরকার আছে।
রাষ্ট্রে, অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হয় রাস্ত্রীয় শক্তি দিয়ে; যারা বেগম জিয়াকে বেআইনী পন্হায় মুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে; তারা পুরো দেশবাসীকে ও বিচার ব্যবস্হাকে চ্যালেন্জ করছে; তাদের এই চ্যালেন্জের মোকাবিলা করা সরকারের উচিত।
বাংলাদেশে উঁচু প্রোপাইলের বিচার হয় না বললেই চলে, বেগম জিয়ার বিচারই এই ধরণের প্রথম বিচার; সরকারকে সর্বশক্তি দিয়ে এই বিচারের ফলাফল কার্যকরী করা উচিত।
২ ঘন্টার প্রহসন, কিংবা অনশন করতেও বাধা দেয়ার দরকার ছিল; একজন রোগীও ৩/৪ ঘন্টা পরপর খাওয়া দাওয়া করে, ৬ মাসের শিশুকে ২ ঘন্টার পরপর খাওয়ানো হয়, যারা ২ ঘন্টার অনশন পালন করে, এরা অবশ্যই লিলিপুটিয়ান, এরা দেশের মানুষকে হাসায়েছে, বেগম জিয়াকে অপমান করেছে; এরা দেশকে হবু রাজ্য মনে করেছে!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



