
Link to the news
বেগম জিয়া জেলে থেকেও জাতির স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে বাণী পাঠায়েছেন, "ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে"; দেশের উন্নত জেনারেশন হিসেবে এই নির্দেশ কিন্তু প্রথমেই বর্তাবে ব্লগারদের উপরে; এই নির্দেশের সর্বনিম্ন লেভেলের বাস্তবায়নকারী হবে, বস্তিবাসীগণ ও টোকাইরা; ওরা কিন্তু পয়সা না পেলে বেগম জিয়া তো দুরের কথা শেখ হাসিনার কথাও শুনবে না; আসলে, ওরা শেখ সাহেবের কথা শোনার মুডে নেই আজকাল! ব্লগারেরা বুদ্ধিমান মানুষ, তাঁদের জন্য কাজটা খুব একটা কঠিন হবে না: যাতে বাক্স না বদলায়, ভোট গণনাটা ঠিক হয়, রেজাল্টটা যেন না বদলায়, এটুকুই; ইহা নির্বাচনী ইশতেহার লিখা থেকে সহজ হবে, মনে হয়!
এসব কাজ খুব একটা জটিল নয়, সামান্য সাহসের দরকার; বাংলাীরা ১৯৫২ সালে, ১৯৬৯ সালে এসব করেছেন, ১৯৭১ সালে একবার করেছেন; আরেকবার করেছেন ১৯৭৫ সালে। এবারের সময়টা কিন্তু আরো গুরুত্বপুর্ণ: একেত ডিসেম্বর, তদুপরি পার্লামেন্টের নির্বাচন, সর্বোপরি হ্যাপি নিউইয়ার!
টেকনাফের মানুষজন বদি'র বউকে ভোট দিচ্ছে? সে মনে হয়, ৫ বছর ফ্রি ইয়াবা দেবে আরাকানের লোকদের! বেগম জিয়া এখন নি:স্ব, উনি টাকা পয়সা দিতে পারবেন না; তিনি ভোটের পর, বেরুতে পারলে ১টা ব্যবস্হা করবেন! উনি অন্য কিছু না পারলে, কমপক্ষে এবার এতিমখানা হলেও করবেন; ব্লগারদের মাঝেও এতিম টেতিম থাকতে পারেন।
বেগম জিয়া জেলে থেকেও গনতন্ত্রের জন্য লড়ছেন; উনি গণতন্ত্রকে এ্ত ভালোবেসেছিলেন যে, ৩৫ বছর বিএনপি'র সভাপতি ছিলেন; এবার বেরুতে পারলে, উনি আমৃত্যু গণতন্ত্র রক্ষা করে যাবেন, দরকার হলে, আবারও সভাপতি হবেন; আপনাদের অত বড়, অত কষ্টের দায়িত্ব দেননি উনি, সামান্য "ভোটকেন্দ্র পাহারা দেয়া মাত্র"।
উনি কি বেশী কিছু চাচ্ছেন মানুষ থেকে? উনি মানুষের জন্য আজীবন কাজ করলেন, আজীবন সভাপতি থাকলেন, সবশেষে জেলও বরণ করলেন; মানুষ কি সামান্য ভোটের ডাব্বাগুলোও পাহারা দিতে পারবে না?
উনি অবশ্য আরেক পথে এগুলে ভালো হতো, তিনি যদি বলতেন যে, প্রতিটি নাগরিক উনার পক্ষে ১ টাকা রিজভী সাহেবের কাছে জমা দিতে; এতে ১৮ কোটী টাকা হওয়ার কথা; পরদিনই রিজভী সাহেব একটা বাড়ী ও কিছু এতিম কিনে "জিয়া এতিমখানা" চালু করলে খারাপ হতো না। উনার মাথায় সোজাবুদ্ধি আসে না, খালি গণতন্ত্র আসে মনে হয়, গণতন্ত্রের কারখানা!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




