
আগামীকাল ও পরশু আওয়ামী লীগের জাতীয় সন্মেলন, বিরাট আয়োজন, প্যান্ডেল মেন্ডেল, মাইক ফাইক, বিরাট বিরাট মিছিল আসবে, লাফালাফি হবে, খাওয়াদাওয়া হবে, রাস্তাঘাটে জ্যাম হবে; কিন্তু কাজটা একবারে ছোট: উহাতে একজন মানুষ মাত্র ভোট দেবেন, ইনি হচ্ছেন শেখ হাসিনা; উনি উনার দলের সেক্রেটারী বানাবেন, এটা হলো জাতীয় সন্মেলন; উনি নিজকে সভাপতি বানিয়েই রেখেছেন, মনে হয়। উনি বাকী পদগুলোও নিশ্চয় ঠিক করে রেখেছেন; ইহাই আওয়ামী লীগের দলের ভেতরে গণতন্ত্র।
দলের লাখ লাখ লোক রাস্তায় নামবেন, তারা গনত্ন্ত্রের অভিনয় করবেন: তাদের দলের সভাপতি নির্বাচিত হবেন, সেক্রেটারী নির্বাচিত হবেন, আরো ১০১ জন নিয়ে কিসব কমিটি মমিটি হবে। আসলে, ঘোড়ার ডিম হবে, পুরোটাই হাউকাউ। এটা হলো আওয়ামী লীগের দিক।
এবার আসেন বিএনপি'র দিক; দেশের তথাকথিত বড় বিপক্ষ দল হচ্ছে, বিএনপি; উনরা বাণী দিচ্ছেন, উনাদের দলের দুদু, মধু, গয়েশ্বর, টয়েশ্বরেরা 'আওয়ামী লীগে দলের ভেতরে গনতন্ত্র চান'; নিজের নাই যায়গা, কুত্তা আনে বাগা।
বেগম জিয়া জেলে না থাকলে, এখন উনি কি থাকতেন? উনি জেলে না থাকলে অবশ্যই দলের " আপোসহীন জাতীয়তাবাদী সভাপতি থাকতেন"। শেখ হাসিনা ৩৯ বছর আওয়ামী লীগের সভাপতি; বেগম জিয়া ছিলেন ৩৫ বছর সভাপতি; আসলে, উনি এখন সভাপতি থেকে বড়। আওয়ামী লীগের লোকজন এখনো দাবী করেন যে, তাদের দল আছে, আওয়ামী লীগ; বিএনপি'র লোকেরা সেটা বলার মত অবস্হানে আছে বলে আমার মনে হয় না। বিএনপি যতদিন কেন্টনমেন্ট থেকে চলতো, ততদিন উহা দল ছিলো; এখন উহা কে চালায়? কেহ না; হয়তো জামাত।
যাক, বিএনপি'র চাওয়া পাওয়া তেমন বড় কিছু নয়, আওয়ামী লীগে গণতন্ত্র ফিরে আসুক, এই সামান্য চাওয়াটা যদি পুরণ হয়, দল হিসেবে বিএনপি হয়তো সফল হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


