
**** বাইডেন: ৬৬৪, স্যান্ডার্স: ৫৭৩ *****
**** বাইডেন: ৫৬৬, স্যান্ডার্স: ৫০১ *****
গতকাল ছিলো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে, ডেমোক্রেটিক প্রার্থী নির্বাচনের 'সুপার টুইসডে'র ভোট: একসাথে ১৪ রাজ্যে ভোট হয়েছে; ভোটের ফলাফল এখনো চুড়ান্ত হয়নি; আপাতত, এই ভোটে বাইডেন বিজয়ী। গতকালের ভোটের আগে, ৪ রাজ্যের ভোট শেষ হয়েছিলো, তখন স্যানডার্স সামনে ছিলো। গণনা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি; আমি উপরে যেই ডেলিগেইট কাউন্ট দিয়েছি ( বাইডেন: ৪৫৩ জন, স্যানডার্স: ৩৮২ জন) ইহা বদলে যাবে আগামী কয়েক ঘন্টায়।
স্যানডার্স আধা-সোস্যালিষ্ট; বাইডেন ট্রাম্পের মতোই ডেমোক্রেট, তবে সামন্য ভদ্র, গড় রাজনীতিবিদ। ২০১৬ সালে, ট্রাম্প হঠাৎ করে ভোটে নাম লিখায়ে, নিজের টাকা খরচ করে, শেষ অবধি আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হয়েছিলো, সেই পথ অনুসরণ করে, এবার ইলেকশান ক্রয় করার চেষ্টা করেছিলো নিউইয়র্ক শহরের প্রাক্তন মেয়র, বিলিওনিয়ার মাইক ব্লুমবার্গ, সে প্রায় ৫০০ মিলিয়নের বেশী খরচ করে, পরাজিত হয়েছে, আমেরিকায় ইলেকশান কেনা যায় না।
আমেরিকার গণতান্ত্রিক নির্বাচন স্বচ্চ ও বেশ কঠিন; ব্লগের একজন রাজনৈতিক বিষয়ে লেখক ব্লগার তা স্বীকার করেছেন। আমার ধারণা, শতকরা ৯০ জন বাংগালী রাজনৈতিক নেতা উহা বুঝে না; বেশীর ভাগ শিক্ষিত বাংগালী ইহা জানে না বলেই তাদের একাংশ জেনারেল জিয়ােকেও "বহুদলীয় গণতন্তের প্রবর্তক" হিসেবে বলে, জেনারেল এরশাদের প্রশংসা করে, এরা সোজাসুজি ইডিয়ট।
গতকালের ১৪ রাজ্যের ভোটে, বাইডেন ৯ রাজ্যে জয়ী হয়েছে এবং স্যানডার্স পেয়েছে ৪ রাজ্য; ভোটের গণনা শেষ হলে, বাইডেন ও স্যানডার্স ডেলিগেইট কাউন্টে অনেকটা কাছাকাছি চলে যেতে পারেন; কালিফোর্নিয়া রাজ্যে বিজয়ী হচ্ছে স্যান্ডার্স, এখানে গণনা শেষ হলে, স্যান্ডার্সের সংখ্যা বাড়বে।
বাইডেনকে ভোট দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছে আমেরিকার গরীবেরা, আফ্রিকান আমেরিকান ও স্পেনিশ আমেরিকানরা; কিন্তু আমি জানি, বাইডেন এইসব গরীব লোকদের জন্য ভালো কিছু করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।
জেনারেল ইলেকশানে, স্যানডার্স কিংবা বাইডেনের বিজয়ের আশা এখনো নেই; আমেরিকার মানুষ ট্রাম্পের উপর যতটুকু ক্ষেপেছে, সেটা ওর 'অভদ্রতার' জন্য মাত্র; প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসলে সে এখনো জনপ্রিয়; ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা খুবই কম বাংলাদেশ, আরব, ইউরোপে ও কানাডায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৭:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



