somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শেখ সাহেবের জন্মের শতবর্ষে স্মৃতিচারণ

০৫ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৭:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বাংগালী জাতি, শেখ মুজিবুর রহমানকে ( মার্চ ১৭, ১৯২০ - আগষ্ট ১৫, ১৯৭৫) নিজেদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন ১৯৬৬ সালের দিক থেকে, তিনি জাতির আস্হা অর্জন করেছিলেন। ১৯৬৬ সালে, উনার নে্তৃত্ব আওয়ামী লীগ ৬ দফা পেশ করে এবং ইহার ভিত্তিতে আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করে; তখন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলো ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান (সামরিক); আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে, পরে প্রেসিডেন্ট হয়ে যয়। আইয়ুব খান ৬ দফার আন্দোলন পছদ করেনি। আইয়ুব খান নিজেই "বেসিক ডেমোক্রেসী" নামে এক ধরণের উদ্ভট গণতন্ত্রের জনক ছিলো; পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জেনারেলরা সব সময় গণতন্ত্রের জন্ম দিয়ে গেছে।

আইয়ুব খান শেখ মুজিবকে টার্গেট করেছিলো, এবং ১৯৬৮ সালে "আগরতলা ষড়যন্ত্র" নামে এক দেশদ্রোহী মামলায় গ্রেফতার করে; এই মামলায় শেখ সাহেবের ফাঁসির রায় হয়। এই সময়, শেখ সাহব আও্যামী লীগের সভাপতি ছিলেন; উনার বিচারের সময় উনার দলের নেতারা আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে যায়; শেখ সাহেবকে বাঁচানোর জন্য তখন দরকার ছিল উত্তাল গণ-আন্দোলন; উহার সুচনা করেন মওলানা ভাসানী সাহেব। তখন ভাসানী সাহেব ছিলেন অন্যদলে, ন্যাপের সভাপতি। শেখ মুক্তির আন্দোলন আইয়ুব খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারিত করে।

আইয়ুব সরে যাবার সময়, উনার নিজের থেকে আরো বেশী দুষ্ট এক জেনারেলকে ক্ষমতা দিয়ে যায়, উহার নাম ছিলো ইয়াহিয়া। ইয়াহিয়া ভোট দিয়েছিলো; ভোটে বাংগালীরা আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়; কিন্তু ইয়াহিয়া আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে দেয়নি; এবার বাংগালীরা স্বাধীনতার আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হয়; ইহাকে ক্রাশ করার জন্য জেনারেল ইয়াহিয়া ১৯৭১ সালে, মার্চ মাসের ২৫ তারিখে পুরো জাতিকে আক্রমণ করে। শেখ সাহবে এখানে একটা ভুল করেন, তিনি আত্মগোপনে না যাওয়ায়, পাকী বাহিনী উনাকে আটক করে পশ্চিম পাকিস্তানবে নিয়ে যায়; জাতি কিছুটা নেতৃত্বহীন হয়েও ঘুরে দাঁড়ায়; গ্রামের সাধারণ মানুষ ২/৩ সপ্তাহের ট্রেনিং নিয়ে, ভলনটিয়ার হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ৯ মাস যুদ্ধ করে জাতি পাকীদের পরাজিত করে; শেখ সাহেব ফিরে আসেন।

দেশে ফিরে এসে ২ দিনের মাঝেই শেখ সাহেব দেশের প্রাইম মিনিষ্টার হয়ে যান; ইহা ভুল ছিলো; তাজুদ্দিন সাহেব যুদ্ধের ৯ মাস প্রবাসী সরকারের প্রাইম মিনিষ্টার ছিলেন, তিনি জাতির অবদান সম্পর্কে জনাতেন; তিনি প্রাইম মিনিষ্টার থাকলে হয়তো মানুষের অবদানটা বেশী প্রতিফলিত হতো।

শেখ সাহেব মানুষের ৯ মাসের অবদান, কষ্ট, স্বপ্ন ইত্যাদি ঠিক মতো অনুধাবন করতে ব্যর্থ হন; তিনি দেশকে পাকীদের অনুকরণে চালনা শুরু করেন। নতুন এই দেশে মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে তিনি বৈপ্লবিক কোন পদক্ষেপ নেননি; দরকার ছিলো ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা, সবাইকে ফ্রি শিক্ষা দেয়ার, সবাইকে কাজ দেয়া, পাকী বাহিনী ও রাজাকার বাহিনী কর্তৃক ধ্বংস করা বাড়ীঘর তৈরি করে দেয়া, যুদ্ধে যেসব পরিবারের আয়ের ব্যক্তি প্রাণ হারায়েছে, তাদের দায়িত্ব নেয়া, যুদ্ধে এতিম হয়ে যাওয়া শিশুদের দায়িত্ব নেয়া, যুদ্ধে অত্যাচারিত নারীদের দায়িত্ব নেয়া; উনি কিছুই করেননি।

উনার অদক্ষতায় মানুষ আহত হয়েছিলো; কিন্তু মানুষ হাল ছাড়েনি; মানুষ বিশ্বাস করতেন যে, সময়ের সাথে তিনি সঠিকভাবে হাল ধরবেন। উনার ও উনার সরকারের অদক্ষতায়, ১৯৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়; এবার উনি কিছুটা জনপ্রিয়তা হারান; মনে হয়, দুর্ভিক্ষের পর, উনি নিজের অদক্ষতাটা কিছুটা অনুমান করতে পেরেছিলেন

উনি সব রাজনৈতিক দলের সাহায্য নিয়ে দেশ গড়ার কথা ভাবেন; এই জন্য তিনি বাকশাল নামে একটা সর্বদলীয় প্লাটফরম গঠন করেন। একই সময়ে উনি বিশ্বের কয়েকজন সমাজতান্ত্রিক দেশ-প্রধানদের থেকে তাত্বিক বুদ্ধি নেন। উনার এই পদক্ষেপকে আমেরিকা ভুল বুঝে; আমেরিকার সিআইএ ধরে নিয়েছিলো যে, তিনি সমাজতন্ত্র কায়েম করছেন, ও সোভিয়েত ব্লকে চলে যাচ্ছেন; তারা উনাকে হত্যা করে। উনাকে হত্যা করার জন্য তারা বাংলাদেশের সেনা বাহিনীকে ব্যবহার করে; ১৯৫৮ সালে সিআইএ পাকিস্তানের সেনা বাহিনীকে ক্ষমতায় এনেছিলো, একই ফর্মুলায় তারা তারা বাংলাদেশে আবারো মিলিটারীকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে।

উনি জীবিত থাকলে, উনি জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ করে জাতি গঠন করতে পারতেন; আমরা আজকের চেয়ে হাজারগুণে ভালো থাকতাম।

বাংগালী জাতি, শেখ মুজিবুর রহমানকে ( মার্চ ১৭, ১৯২০ - আগষ্ট ১৫, ১৯৭৫) নিজেদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন ১৯৬৬ সালের দিক থেকে, তিনি জাতির আস্হা অর্জন করেছিলেন। ১৯৬৬ সালে, উনার নে্তৃত্ব আওয়ামী লীগ ৬ দফা পেশ করে এবং ইহার ভিত্তিতে আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করে; তখন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলো ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান (সামরিক); আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে, পরে প্রেসিডেন্ট হয়ে যয়। আইয়ুব খান ৬ দফার আন্দোলন পছদ করেনি। আইয়ুব খান নিজেই "বেসিক ডেমোক্রেসী" নামে এক ধরণের উদ্ভট গণতন্ত্রের জনক ছিলো; পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জেনারেলরা সব সময় গণতন্ত্রের জন্ম দিয়ে গেছে।

আইয়ুব খান শেখ মুজিবকে টার্গেট করেছিলো, এবং ১৯৬৮ সালে "আগরতলা ষড়যন্ত্র" নামে এক দেশদ্রোহী মামলায় গ্রেফতার করে; এই মামলায় শেখ সাহেবের ফাঁসির রায় হয়। এই সময়, শেখ সাহব আও্যামী লীগের সভাপতি ছিলেন; উনার বিচারের সময় উনার দলের নেতারা আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে যায়; শেখ সাহেবকে বাঁচানোর জন্য তখন দরকার ছিল উত্তাল গণ-আন্দোলন; উহার সুচনা করেন মওলানা ভাসানী সাহেব। তখন ভাসানী সাহেব ছিলেন অন্যদলে, ন্যাপের সভাপতি। শেখ মুক্তির আন্দোলন আইয়ুব খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারিত করে।

আইয়ুব সরে যাবার সময়, উনার নিজের থেকে আরো বেশী দুষ্ট এক জেনারেলকে ক্ষমতা দিয়ে যায়, উহার নাম ছিলো ইয়াহিয়া। ইয়াহিয়া ভোট দিয়েছিলো; ভোটে বাংগালীরা আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়; কিন্তু ইয়াহিয়া আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে দেয়নি; এবার বাংগালীরা স্বাধীনতার আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হয়; ইহাকে ক্রাশ করার জন্য জেনারেল ইয়াহিয়া ১৯৭১ সালে, মার্চ মাসের ২৫ তারিখে পুরো জাতিকে আক্রমণ করে। শেখ সাহবে এখানে একটা ভুল করেন, তিনি আত্মগোপনে না যাওয়ায়, পাকী বাহিনী উনাকে আটক করে পশ্চিম পাকিস্তানবে নিয়ে যায়; জাতি কিছুটা নেতৃত্বহীন হয়েও ঘুরে দাঁড়ায়; গ্রামের সাধারণ মানুষ ২/৩ সপ্তাহের ট্রেনিং নিয়ে, ভলনটিয়ার হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ৯ মাস যুদ্ধ করে জাতি পাকীদের পরাজিত করে; শেখ সাহেব ফিরে আসেন।

দেশে ফিরে এসে ২ দিনের মাঝেই শেখ সাহেব দেশের প্রাইম মিনিষ্টার হয়ে যান; ইহা ভুল ছিলো; তাজুদ্দিন সাহেব যুদ্ধের ৯ মাস প্রবাসী সরকারের প্রাইম মিনিষ্টার ছিলেন, তিনি জাতির অবদান সম্পর্কে জনাতেন; তিনি প্রাইম মিনিষ্টার থাকলে হয়তো মানুষের অবদানটা বেশী প্রতিফলিত হতো।

শেখ সাহেব মানুষের ৯ মাসের অবদান, কষ্ট, স্বপ্ন ইত্যাদি ঠিক মতো অনুধাবন করতে ব্যর্থ হন; তিনি দেশকে পাকীদের অনুকরণে চালনা শুরু করেন। নতুন এই দেশে মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে তিনি বৈপ্লবিক কোন পদক্ষেপ নেননি; দরকার ছিলো ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা, সবাইকে ফ্রি শিক্ষা দেয়ার, সবাইকে কাজ দেয়া, পাকী বাহিনী ও রাজাকার বাহিনী কর্তৃক ধ্বংস করা বাড়ীঘর তৈরি করে দেয়া, যুদ্ধে যেসব পরিবারের আয়ের ব্যক্তি প্রাণ হারায়েছে, তাদের দায়িত্ব নেয়া, যুদ্ধে এতিম হয়ে যাওয়া শিশুদের দায়িত্ব নেয়া, যুদ্ধে অত্যাচারিত নারীদের দায়িত্ব নেয়া; উনি কিছুই করেননি।

উনার অদক্ষতায় মানুষ আহত হয়েছিলো; কিন্তু মানুষ হাল ছাড়েনি; মানুষ বিশ্বাস করতেন যে, সময়ের সাথে তিনি সঠিকভাবে হাল ধরবেন। উনার ও উনার সরকারের অদক্ষতায়, ১৯৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়; এবার উনি কিছুটা জনপ্রিয়তা হারান; মনে হয়, দুর্ভিক্ষের পর, উনি নিজের অদক্ষতাটা কিছুটা অনুমান করতে পেরেছিলেন

উনি সব রাজনৈতিক দলের সাহায্য নিয়ে দেশ গড়ার কথা ভাবেন; এই জন্য তিনি বাকশাল নামে একটা সর্বদলীয় প্লাটফরম গঠন করেন। একই সময়ে উনি বিশ্বের কয়েকজন সমাজতান্ত্রিক দেশ-প্রধানদের থেকে তাত্বিক বুদ্ধি নেন। উনার এই পদক্ষেপকে আমেরিকা ভুল বুঝে; আমেরিকার সিআইএ ধরে নিয়েছিলো যে, তিনি সমাজতন্ত্র কায়েম করছেন, ও সোভিয়েত ব্লকে চলে যাচ্ছেন; তারা উনাকে হত্যা করে। উনাকে হত্যা করার জন্য তারা বাংলাদেশের সেনা বাহিনীকে ব্যবহার করে; ১৯৫৮ সালে সিআইএ পাকিস্তানের সেনা বাহিনীকে ক্ষমতায় এনেছিলো, একই ফর্মুলায় তারা তারা বাংলাদেশে আবারো মিলিটারীকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে।

উনি জীবিত থাকলে, উনি জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ করে জাতি গঠন করতে পারতেন; আমরা আজকের চেয়ে হাজারগুণে ভালো থাকতাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৫৮
৩৫টি মন্তব্য ৩৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঙালি মুসলমান সম্বন্ধে ChatGPT র মূল্যায়ন !

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৯

ChatGPT কে "বাঙালি মুসলমান বনাম প্রকৃত ইসলাম" এর উপর একটা প্রবন্ধ লিখতে বলেছিলাম, কয়েক সেকেন্ডে যা লিখেছে হুবুহু তুলে দিলাম ! আপত্তি থাকলে চ্যাটজিপ্ট দায়ী !!

বাংলার মুসলমান সমাজকে দেখলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন্তব্যে অনন্য রাজীব নূর

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩২



অনন্য রাজীব নুর মন্তব্য বেলায়
পাওয়া ও দেওয়ায় লক্ষ করে পার
সম্মুখে এগিয়ে চলে গন্তব্যে অপার
প্রতিটি পোষ্টের ক্ষেত্রে তার আছে টান।
মন তার দোলে চলে আনন্দ ভেলায়
ব্লগেতে নিশ্চুপ দেখে পোষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: জেনেভার ছায়া

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



বালি অপারেশন শেষ করে ঢাকায় পিবিআই সদর দপ্তরে যখন আরিয়ান, তানভীর ও বর্ষা ফিরে এলো, তখনো বাইরের আকাশ থমথমে। বালি থেকে উদ্ধার করা ৬০% ডেটায় একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুরাগের বুকে আমার ছোট ভাইদের লাশ ২০২৪-এর উপহার ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৩



২০২৪ আমাদের নতুন করে শত্রু মিত্র চিনতে শিখিয়েছে। আমি কোনো করুনা, সান্ত্বনা কিংবা বিচারের দাবি নিয়ে আজকের এই ক্ষুদ্র পোস্ট লিখতে চাই না।শুধু সময়ের স্বাক্ষী হিসেবে একটু আচর কেটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম গেল ছালাও গেল

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩


আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×