
আপডেট:
***** নিউইয়র্ক ষ্টক মার্কেট ২১১৩ পয়েন্ট হারায়েছে ****
****নিউইয়র্ক ষ্টক মার্কেট শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মাঝে থামিয়ে দিয়েছিলো কম্প্যুটার; ১৫ মিনিট বন্ধ থেকে আবার চালু হয়েছে ****
এখন নিউইয়র্ক সময় সকাল ৭:৩০, নিউইয়র্ক ষ্টক ফিউচার, "ডাও জোনস" ১৩০০ পয়েনট নীচে; আরো নীচে নামার কথা কিন্তু এখানে মার্কেটকে থামানো হচ্ছে ১৫ মিনিট করে ("সার্কিট ব্রেকার" কাজ করছে); অর্থাৎ, এই অবস্হায় ষ্টক বেচাকেনা বন্ধ থাকবে। রেগুলার মার্কেট শুরু হবে ৯:৩০ মিনিটে, তখন মার্কেট ১২৫৫ পয়েন্ট নীচে শুরু হলে, কম্প্যুটার মার্কেটে বেচাকেনা বন্ধ করে দেবে (সার্কিট ব্রেকার), এতে প্যানিক আরো বেড়ে যাবে।
ইউরোপে গড়ে ৬% পড়ে গেছে বাজার আজ; ক্রুড-অয়েল ৯ ডলার পড়েছে, এখন মুল্য ৩২ ডলার; ইহা বলছে যে, তেলের ব্যবহার কমে যাবে। তেলের দাম কমার আরেকটা কারণ হচ্ছে, রাশিয়া তেল উৎপাদন কমাতে রাজী হয়নি। ইতালীর মার্কেটে যথাসম্ভব সার্কিট ব্রেকার কাজ করেছে; আমি সংবাদটা পাচ্ছি না; তবে মনে হয়, প্যানিক সেখান থেকে শুরু হয়েছে।
আমেরিকার করোনা রোগীর সংখ্যা গতকাল ৮৯ জন থেকে লাফ দিয়ে ৬০০ হয়ে গেছে; আজকের সংখ্যা জানা যায়নি: সিডিসি'র এক ইডিয়টকে একটু আগে সিএনএন প্রশ্ন করেছিলো সংখ্যাটি কত? এই ইডিয়ট বাংগালীদের মত এদিক ওদিক কথা বলার পরও সংখ্যাটি দেয়নি, সিএনএন লাইন কেটে দেয়; আমি অন্য এক এক যায়গায় ১ জনকে বলতে শুনলাম, এখন সংখ্যা ৪ হাজারের কাছাকাছি।
আমেরিকা গত ২ মাসে করোনার জন্য সঠিক প্রস্ততি নেয়নি; আমেরিকায় 'টেষ্টিং কিট' নেই বললেই চলে; সরকার বলছে, ৪০ লাখ টেষ্টিং কিট হাসপাতাল ইত্যাদিতে পাঠানো হয়েছে; কিন্তু হাসপাতাল ও "এলডার হোমগুলোর" কর্মচারীদের টেষ্ট করার জন্য ১৫/২০ মিলিয়ন টেষ্টকিট দরকার।
মনে হচ্ছে, করোনা প্রস্তুতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মিথ্যা বলে আসছে; আজকে ১ম তাকে মিথ্যাবদী বলা হয়েছে মিডিয়ায়। ট্রাম্পের মিথ্যার কারণে মানুষের মাঝে প্যানিক বাড়বে, মানুষ মনে করবে, সরকার সাহায্য করতে পারবে না, তারা প্রস্তুত নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


