
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে করোনা বেশী না ছড়ালেও, বাংলাদেশের মানুষকে বিদেশের অর্থনৈতিক শ্লো-ডাউনের ভার বইতে হবে। প্রথমত: করোনা সংক্রমণ যদি আগামী ২/৩ মাস ইউরোপ ও আমেরিকায় থাকে, গার্মেন্ট রপ্তানী কমে যাবে; আমেরিকা ও ইউরোপে মানুষ মলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে; এর ফলে, বাংলাদেশের গার্মেন্টস'এর মালিকরা কর্মচারী ছাঁটাই করবে।
আমেরিকা, বৃটেন ও ইউরোপের বাংগালীদের আয় কিছুটা কমবে, এবং এরা দেশে টাকা আগের মতো পাঠাবে না, কিছু সময় টাকা হাতে রাখতে চাইবে; আরব ও মালয়েশিয়ায় অনেক শ্রমিক যথা সময়ে বেতন পাবে না; ফলে, ওরা চাইলেও দেশে আগের মতো টাকা পাঠাতে পারবে না।
আরব ও মালয়েশিয়া থেকে যারা দেশে এসেছে ছুটিতে, তাদের অনেকেই হয়তো ফিরতে পারবে না; এসব দেশ বাংলাদেশ থেকে প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করবে, মনে হয়; এবং নতুন করে ভিসা দেবে না কিছু সময়।
আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপ থেকে মানুষ দেশে বেড়াতে আসবে না বেশ কিছু সময়।
সব মিলে বিদেশে করোনার জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সামান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সরকার চাইলে, এসব সমস্যার কিছু অংশ সমাধান করতে পারে:
গার্মেন্টস ও এক্সপো্র্ট মুখী ব্যবসার লোকদের চাকুরী চলে গেলে, তাদেরকে ৩/৪ মাসের জন্য "আন-এমপ্লয়মেন্ট" ভাতা দিতে পারে সরকার; এতে, চাকুরীহারা লোকজন হঠাৎ করে বিপদে পড়বে না, এবং ২/৩ মাসের মাঝে কিছু একটা করতে পারবে, ছেলেমেয়েদের নিয়ে পথে দাঁড়াবে না।
যেসব পরিবার রেমিটেন্স নির্ভরশীল, তাদেরকে চলার মতো টাকা ঋণ দেয়ার ব্যবস্হা করতে পারে তাদের নিজস্ব ব্যাংগুলো, সরকারকে স্পনসর হতে হবে; পরে, টাকা আসার শুরু করলে, ব্যাংকগুলো ঋণের টাকা নিয়ে নিতে পারবে।
এইগুলো ফাইন্যানসিয়াল ভাবনা, এইগুলোকেে কাজে লাগাতে হলে, ব্যাংক ও সরকারের ফাইন্যান্স একত্রে কাজ করতে পারে; এসব সমাধানের ফলে সরকারের প্রতি জাতির আস্হা বাড়বে ও সামাজিক বিশৃংখলা কমে আসবে, মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়বে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


