
চীনে করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বেশী ইনফরমেশন বিনিময় হয়েছে আমেরিকায়; আমেরিকায় সবচেয়ে বেশী হাসপাতাল ও সরকারী স্বাস্হ্য সংস্হা রয়েছে; কিন্তু এই সপ্তাহে বুঝা যাচ্ছে যে, গত ২ মাস বকবক করার পর, আমেরিকা ঘর গুছায়নি; আমেরিকা আসলে বকবক করে যাচ্ছিলো, কিন্তু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি।
গতকাল প্রেসিডেন্ট জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছে; ভাষনে উহা যা যা বলেছে, আজকে সকালে সরকারের স্বাস্হ্য সংস্হাগুলো বলছে, আসলে তাদের সেই ধরণের কোন প্রস্তুতি নেই। এই পুরো সপ্তাহে সংক্রমণ সম্পর্কে সরকারের সংস্হাগুলো যা বলেছে, আসল সংক্রমণ কিন্তু অনেক অনেক বেশী। প্রেসিডেন্ট বলেছে, সরকারের কাছে প্রয়োজনের বেশী "টেষ্ট কিট" আছে; আসলে, আজকে হাসপাতালগুলো বলছে, গত ২ সপ্তাহ চেষ্টা করেও তারা কোট "টেষ্ট কিট" পায়নি; হাসপাতালগুলোকে নিজের কর্মচারীদেরকে প্রথমে পরীক্ষা করে দেখতে হবে, ওরা সুস্হ আছে কিনা, কাজে থাকা উচিত কিনা।
আজকে সকালে ষ্টক-মার্কেট ধুলায় মিশে আছে; সকাল থেকে "ফিউচার মার্কেটে সার্কিট ব্রেকার কাজ করছে"। এদিকে প্লেইন চলাচল বন্ধ হওয়ার পথে; ইউরোপ থেকে আমেরিকান ব্যতিত কাউকে আসতে দেয়া হবে না।
একটা সমস্যা হতে পারে, চীন থেকে আমেরিকা আসল ইনফরমেশন পায়নি; চীন সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার সঠিকভাবে জানায়নি; ফলে, আমেরিকা মনে করেছিলো যে, চীনাদের স্বাস্হ্য মাস্হ্য ভালো নয়, আমেরিকানরা এ্ত বেশী আক্রান্ত হবে না। এই সপ্তাহে করোনা পাওয়া যাচ্ছে সব যায়গায়; আজকে সকালে অনেক কিছু বন্ধ করা হয়েছে; এখন সবেমাত্র খবর হওয়ার শুরু হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


