
ক্যাশ টাকা যদি কলকারখানাকে দেয়া হয়, ভয়ংকর ভুল হবে, সরকারের হাতে মানুষের জন্য খাবার, জ্বালানী ও কৃষির জন্য ক্যাশ টাকা থাকবে না। সব টাকা হয়তো কৃষিতে দিতে হবে; হয়তো, সব টাকা ও সব শক্তি কৃষিতে প্রয়োগ করতে হবে; ট্রাম্প কাউকে খাবার দেবে না।
কলকারখানা ঝড়ে, বা পুড়ে নষ্ট হয়নি, উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে; বিশেষ করে, গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রি চালু করেও লাভ নেই; কারণ, ক্রেতারা শীপমেন্ট নিতে পারবে না; ফলে, এদেরকে 'রেসকিউ প্যাকেজ' দিলে, দেশের ক্যাশ নষ্ট হয়ে যাবে। গার্মেন্টস কারখানাগুলো নিজেদের মেইনটেনেসন্স নিজেরা করতে পারার কথা, ওরা গত ৩০/৪০ বছর বিপুল পরিমাণ ক্যাশের মালিক হয়েছে। যেসব কারখানায় ব্যাংকের বিপুল ঋণ আছে, মালিক যদি মেইনটেন্যান্স না করে, সেগুলোকে বিজিবি বা মিলিটারীর অধীনে মেইনটেন্যান্স করা সম্ভব।
গার্মেন্টসগুলোর দরকারী কাঁচামালও এখন আসার সম্ভাবনা নেই; এখন যেই পরিমাণ কঁচামাল আছে, তা থেকে করোনার জন্য মাস্ক, পিপিই যারা করতে পারবে, তারা সীমিত উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে। ইউরোপ আমেরিকায় কাপড়ের বাজার সম্ভবত: দীর্ঘ সময়ের জন্য শ্লো হয়ে যাবে।
প্যাকেজ শুধু তাদের দেয়া যেতে পারে, যারা দেশের অভ্যন্তরের জন্য দরকারী মালামাল বানাচ্ছে, এবং এখন থেকে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে হবে; দেশীয় সার কারখানাগুলোকে ও বীজ উৎপাদন বাড়াতে হবে। প্যাকেজের টাকা কর্মহীনদের খাবার সরবরাহের জন্য দরকার হবে। প্যাকেজের বড় অংশ দিয়ে খাদ্য উৎপাদন করতে হবে, জ্বালানীর তেল কিনতে হবে, খাদ্য উৎপাদনের জন্য যন্ত্রপাতি ও তেলের টাকা মজুত রাখার দরকার।
যেহেতু, কোন ধরণের কারখানার কিছু নষ্ট হয়নি, তাদেরকে ক্যাশ দেয়ার ধারণাটাই ভুল, ওদের ক্যাশের কোন প্র্যোজন নেই দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি তৈরির কাঁচামাল ও যত্রপাতি আনার জন্য সীমিত ক্যাশ দেয়া যেতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




