somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিষন্ন নিউইয়র্কের বাংগালীরা বাংলাদেশ নিয়েই বেশী চিন্তিত

২০ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



রাত ৪টায় ঘুম থেকে উঠেছি, গাড়ীতে কিছু ময়দা আছে, নিয়ে আসা দরকার; ভোর ৫ টার দিকে বের হলাম, দৌঁড়ে গেলাম, ৪ ব্লক, রাস্তা ফাঁকা, ভাবছি কারো সাথে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফিরতে, প্রথমেই দেখা হলো ১ জন অপরিচিত বাংগালীর সাথে, কুইনসে থাকেন, উনার বোন থাকেন আমাদের এলাকায়, বোনকে দেখতে এসেছেন। আমার কাছে বাংলাদেশের খবর জানতে চাইলেন; আমি জানি, কুইনসে বাংগালীরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন; ঐ এলাকায় সবচেয়ে বাজে হাসপাতালটা অবস্হিত।

এরপর, দেখা হলো আমাদের এলাকার এক বাংগালীর সাথে, উনার মুদি দোকানদার, সকালে ডেলিভারী গ্রহন করতে হবে; উনারও একই বিষয়, দেশের অবস্হা কি?

দেশে বিদেশে মিলে, বাংগালীদের মাঝে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন নিউইয়র্কের বাংগালীরা; শহরের যেই অংশে বাংগালীদের মুল বসতিগুলো, সেসব এলাকার হাসপাতালগুলো ভালো নয়, এটা একটা বড় কারণ; তবে, এটাই এক মাত্র কারণ নয়; এ'ছাড়া আরো কারণ আছে; আমি সেগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চাই না।

নিউইয়র্কের এই অবস্হার মাঝেও আমি টেলোফোন কল পাচ্ছি, অনেকেই কল করেন ভালো আছে কিনা জানতে। আমি ধরে প্রথমেই জানিয়ে দিই যে, আমরা ভালো আছি। আমার ভয়ংকর সমস্যা হলো, আমি টেলিফোন মোটামুটি ব্যবহার করি না, কেহ কল করলে সব সময় ১ মিনিটের কম সময়ে কথা শেষ করি; এখন মানুষ টেলিফোন রাখতে চাহে না, ২/৩ মিনিট কথা বলবেনই বলবেন।

আমার পরিচিতদের অনেকেই জানেন যে আমি রাজনীতি, অর্থনীতি নিয়ে আলাপ শুনতে ভালোবাসি; আজকাল, দেশ নিয়ে কোন কিছু বলার থাকলে, মনে হয়, অনেকেই আমাকে জানাতে আগ্রহী, আমি বরাবরই মানুষের বক্তব্য শুনতে উৎসাহী ছিলাম; ফলে, নিউইয়র্কের অনেকই আমাকে শ্রোতা হিসেবে দাওয়াত দেন। গত ২ মাস সেসব আড্ডা বন্ধ, কিন্তু সেইসব মানুষেরা আছেন; এরা ঘরে থাকলেও কথা বলতে চান। একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, এঁরা এখন রাজনৈতিক কথা কম বলছেন, বেশীর ভাগই বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তিত, বাংলাদেশের অবস্হা বুঝার চেষ্টা করছেন।

বাংগালীদের মাঝে একটা বড় পরিবর্তন এসেছে, এই ভয়ংকর অবস্হার মাঝে সাহায্য করছেন, সাহায্য করার প্রস্তাব দেন; বাজার ও খাবার লাগবে কিনা জানতে চাচ্ছেন; এতে আমি অভিভুত; আর, দেশ নিয়ে আমি বাংগালীদের মাঝে বিশাল পরিবর্তন দেখছি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২১
২৭টি মন্তব্য ২৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুভি রিভিউ - ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা : দেশ ভাগের ট্র্যাজেডি আর হারিয়ে ফেলা প্রেমের অসাধারণ এক মেলবন্ধন 

লিখেছেন আলভী রহমান শোভন, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



একটা সময় হিন্দি মুভির বেশ ভক্ত ছিলাম। ভালো কোন হিন্দি মুভি রিলিজ পেলেই দেখে ফেলার চেষ্টা করতাম। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে হিন্দি মুভি তেমন দেখা হয়ে ওঠে না। বছরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছায়াঘর: কেস ফাইল #১৯৯৬ (দ্য লাস্ট রিল)

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২২


লেখকের নোট:
এই গল্পটি ৯০-এর দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে জনমনে দীর্ঘদিনের স্মৃতি, নস্টালজিয়া ও আলোচনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ইনভেস্টিগেটিভ থ্রিলার । গল্পে উল্লেখিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারখানা বাঁচাতে পারিনি, তাই মানুষকে অটো চালাতে হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৪


বাংলাদেশে এখন এমন এক অদ্ভুত অর্থনৈতিক সংকট চলছে, যেখানে একজন শ্রমিক কারখানায় বিদ্যুৎ না পেয়ে চাকরি হারিয়ে অটো রিকশা চালাচ্ছেন। সেই অটো আবার চার্জ দিতে বিদ্যুৎ খাচ্ছে। যে বিদ্যুৎ... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা কে রাখলে এমনি হবে...দাদা, যতদিন পারেন রাখেন

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২



২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানটি ভারতের দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে (Hindon Air... ...বাকিটুকু পড়ুন

খারাপটা কোথায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪


বিশ্বখাতায় নাম লিখিলাম পাগল
কবিতারা হেসেই মাঠে হয়ে যায় ছাগল;
ঘাস খাওয়া আনন্দটা অন্যরকম
তবু পাগল বলে কথা, পূর্ণিমায় যুগল;
আজ কাল হাঁটবাজারে হিংসাটা
কম মূ্ল্যেই বিক্রয় হচ্ছে! যোগোপযোগি
সময়টা পাগল ছাড়া চলেই না
লেখার খাতার দামটাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×