
সিংগাপুর ও জাপান করোনার শুরুতে করোনা পজিটিভ সনাক্তকরণ, আইসোলেসন, ও সর্বস্তরে মাস্ক ব্যবহার করে বেশ সাফল্য লাভ করেছিলো; জাপান পুরোপুরি লকডাউন করেনি। গতকাল জাপানের প্রাইম মিনিষ্টার টোকিও ও অন্য ৬টি শিল্প শহরে "ইমারজেন্সী" ঘোষনা করেছে, যা আসলে লকডাউন নয়, ইহা শুধুমাত্র সোস্যাল ডিসট্যান্সকে কার্যকরী করার ও বাড়ী থেকে কাজ করার ব্যাপারে। এই সপ্তাহে টোকিওতে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ১৪০০; গত সপ্তাহে ইহা ছিলো ৬০০। প্রাইম মিনিষ্টার বিদেশী শ্রমিকদের যারা গাদাগাদি করে বসবাস করেন, তাদেরকে স্বদেশে পাঠিয়ে দিতে পারেন। জাপানের উচিত ছিলো টোকিওকে লকডাউনে আনা।
জাপান বাংলাদেশের মানুষের প্রতি খুবই স্নেহশীল, এবং জাপানে প্রচুর পরিমাণে বাংগালী কাজ করেন। জাপানে বাংগালীদের অবস্হা কি রকম আমার তেমন ধারণা নেই; তবে, ফিলিপাইনের লোকজন গাদাগাদি করে বসবাস করেন টোকিওতে।
জাপান ও চীনের মাঝে ব্যবসায়িক কারণে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করতো; তা'ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর চীনা ছাত্রছাত্রী জাপানে পড়ালেখা করে; ফলে, উহানের সময়েই জাপানে করোনা প্রবেশ করে। কিন্তু জাপান করোনা সনাক্তকরণ, আইসোলেশন করে মোটামুটি কন্ট্রোলে রেখেছিলো, এবং সংক্রমণের হার কমে আসছে বলে বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হায় রিপোর্ট করেছিলো; গত ও এই সপ্তাহের নতুন সংক্রমণের হার দেখে মনে হচ্ছে যে, জাপানে ২য় দফা সংক্রমণ বাড়ছে।
সিংগাপুর করোনার শুরুতে ভিয়েতনাম ও তাইওয়ানের মতো সফলতা অর্জন করে; কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে গাদাগাদি করে থাকা প্রবাসী শ্রমিকদের মাঝে; ইহা এখন হঠাৎ করে কন্ট্রোলের বাহিরে চলে যাচ্ছে! গত ৩ দিনে নতুন করে ৩০০০ সংক্রমণ ঘটেছে; এখন সিংগাপুর হচ্ছে ইষ্ট এশিয়ার মাঝে সবচেয়ে বেশী সংক্রমনের দেশ, আজকে ইহা ১০,০০০ উপনীত হয়েছে; দেশটি লকডাউনের সময় বাড়িয়ে জুন অবধি নিয়ে গেছে।
সিংগাপুরে তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রীর (ফারেন) কাছাকাছি হওয়ায়, সংক্রমণের হার কমার আশা করছিলো বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা; কিন্তু বাস্তবে তা ঘটছে না; কিন্তু তাপামত্রা নিমোনিয়ার ব্যাপারে সাহায্য করছে, এখানে নিমোনিয়ার হার কম ও রোগীর অবস্হা শীতের দেশের রোগীর চেয়ে ভালো। বাংলাদেশেও নিমোনিয়া সমস্যা কম হবে, এবং হলেও অবস্হা নিয়ন্ত্রণের মাঝে থাকবে। সিংগাপুরের হাসপাতালগুলো জানায়েছে যে, ভালো হয়ে যাওয়া রোগীরা এখনো ফুসফুস সমস্যায় ভুগছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

