
৪৬টি মুসলিম দেশের মাঝে বাংলাদেশের গণস্বাস্হ্য কেন্দ্রই একমাত্র প্রতিষ্টান, যারা একটা 'করোনা টেষ্টিং কিট' বানাতে সক্ষম হয়েছে; বাকীরা চেষ্টা করেছে কিনা সেটাও জানা যায়নি, উহারা গজব ও রহমত নিয়ে সন্তুষ্ট আছে। গণস্বাস্হ্য কেন্দ্র যেই মেথোডোলোজী অনুসরণ করেছে, সেটা সঠিক কিনা, ইহার সফলতার হার (এপিকসী) ইত্যাদি গ্রহনযোগ্য কিনা, সেটা পরীক্ষা করে দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রতিষ্ঠানের, তাও পরিস্কার নয়। যাক, বাংলাদেশে সরকার চাইলে বিদেশী কোন ইউনিভার্সিটি বা আমেরিকার সিডিসি'র মতো কোন প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে পারতো। সময়ের দিক থেকে মনে হচ্ছে, কিটটি খুবই উৎসাহজনক।
সরকার ইহাতে কোন আগ্রহ দেখায়নি, কারণ এই কিটের সাথে ডাক্তার জাফর উল্লাহ সাহেব যুক্ত; তিনি অন্ধভাবে বিএনপি করেন, বিএনপি'র থিংক ট্যাংক, উনি বিএনপি এডভাইজার। সরকার বলতে বাংলাদেশে যাহা বুঝায় উহা হলেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বিএনপি'র মানুষ নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো লোক নন, এতে দেশের ক্ষতি হলে, মানুষের ক্ষতি হলে, উনি কিছু মনে করবেন বলে মনে হয় না।
মুক্তিযুদ্ধের সময়, লন্ডনে উচ্চ-শিক্ষারত ডাক্তার জাফর উল্লাহ নিজের পড়ালেখা ফেলে দিয়ে দেশের মানুষকে সাহায্য করার জন্য ভারতে এসে বাংলাদেশের রিফিউজিদের সেবা শুরু করেন; ইহা ছিলো বিশাল অবদান; বাংলাদেশের রিফিউজিরা কলেরা, টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছিলো রিফিজি ক্যাম্পগুলোতে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, উনি নিজের অবদানের স্বীকৃতি পেয়েছেন; উনি ততকালীন সময়ে কয়েক কোটী টাকা মুল্যের জমি পেয়েছিলেন সরকার থেকে; তিনি গণস্বাস্হ্য কেন্দ্র খুলে দেশে বিদেশে অনেক সুনাম অর্জন করেন, টাকা পয়সারও মালিক হন।
কিন্তু সময়ের সাথে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন বলে মনে হয় না; দেশের ক্ষমতা যখন মিলিটারী দখল করে, তিনি তদের সাথে যোগ দেন; সেটাই উনাকে এরশাদ মেরশাদ হয়ে বিএনপি'তে স্হান দিয়েছে। আপনারা যারা বড় মনের অধিকারী, দেশের ব্যাপারে রাজনৈতিক দল কানা নন, শেখ হাসিনা ঠিক ঐ রকম মানুষ নন; উনি বিএনপি সাথে একত্রে বেহেশতে থাকতেও রাজী নন; এতে দেশ ও জাতির ক্ষতি হলেও তিনি এই ব্যাপারে কিছু করবেন বলে মনে হয় না; সেটাই ঘটেছে এই টেষ্টিং কিটের বেলায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

