
বৃটিশ প্রিন্স চার্লস (৭১ বছর) ও প্রাইম মিনিষ্টার বরিস জনসন (৫৫ বছর) কোরনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন; এখন ভালো হয়ে গেছেন, ভালো; ২ জনেই ভালো হওয়াতে বৃটিশ জনগণ হাঁফ ছেঁড়ে বেঁচেছেন। কিন্তু এঁদের ২ জনের চিকিৎসার পদ্ধতি ঠিক অন্য সাধারণ বৃটিশ করোনা রোগীদের মতো ছিলো না; এদের বেলায় চিকিৎসার পদক্ষেপ অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিলো, এতে মানুষের মনে প্রশ্নের সন্চার হয়েছে, সবার জন্য চিকিৎসা সমান কিনা?
বৃটেনে প্রায় ২৯০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে; এখন দৈনিক মৃত্যুর হার কমে আসছে, এবং দেশটি পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন যে, ব্যক্তি বিশেষে চিকিৎসার পদ্ধতি আলাদা হওয়া সঠিক নয়; এই নিয়ে লন্ডনে কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করেছিলো গতকাল রাতে। কিন্তু 'সোস্যাল ডিসটেন্স'এর নিয়ম ভংগ করার কারণে পুলিশ তাদেরকে এই মহুর্তে প্রতিবাদ থেকে বিরত থাকতে বললে, তারা চলে যায়।
ক্যাপিটেলিষ্ট দেশসমুহে "প্রাইভেট হাসপাতালের" সংখ্যাই এখন বেশী; এবং এই কারণেই আমেরিকা, স্পেন ও ইতালীতে মৃতের সংখ্যা চীন, মীন সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু বৃটেনের স্বাস্হ্য ব্যবস্হা ইটালী মিতালী থেকে অনেক উন্নত ও নাগরিকদের সেবায় বেশী নিয়োজিত।
বৃটিশ স্বাস্হ্য বিভাগ জানিয়েছিলো যে, তাদের হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কখনো সীটের সংখ্যা অতিক্রম করেনি, এবং ডাক্তার, নার্সের অভাব ছিলো না। তা'হলে, যেই পদ্ধতিতে প্রিন্স ও প্রাইম মিনিষ্টারকে চিকিৎসা করা হলো, উহা সাধারণ নাগরিকদের বেলায় কেন প্রয়োগ করা হলো না? কমপক্ষে, যেই পদ্ধতিতে প্রিন্স ও প্রাইম মিনিষ্টারকে চিকিৎসা করা হয়েছিলো, উহা প্রকাশ করার দরকার ছিলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

