
গত এক সপ্তাহে সরকার ও গভর্ণরেরা কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা দেশের পরিস্হিতির সাথে মিলছে না; ডেমোক্রেটিক গভর্ণরেরা এই মাসে লকডাউন তোলার পক্ষে ছিলো না; গত শুক্রবার থেকে হঠাৎ করে, সব গভর্ণর লকডাউন তোলার পক্ষে কথা বলছে; একটু সন্দেহজনক।
এই সপ্তাহে আমেরিকার লকডাউনে থাকা ৪২টি রাজ্য খোলা হচ্ছে; কিন্তু মানুষকে কর্মক্ষেত্রে করোনামুক্ত রাখার কোন সঠিক ব্যবস্হাই করা হয়নি; প্রথমত: ৬ ফুটের "সোস্যাল ডিষ্টেন্স" থেকে কাজ করার মতো পরিবেশ মোটামুটি কোথায়ও এখনো নেই। আসলে, "সোস্যাল ডিষ্টেন্স" ১২ ফুট হওয়ার দরকার। এরপর, বড় সমস্যা হচ্ছে, যারা কাজ করতে আসছে, তাদের মাঝে এসিম্পটোমিক আছে কিনা বের করার; এসিম্পটোমিক বের করতে হলে, প্রতি ২/৩ দিন পর, প্রতিটি কর্নচারীকে টেষ্ট করতে হবে; সেটার জন্য প্রস্তুতি আমেরিকার নেই।
মানুষ বুঝতেছে যে, দেশের সরকার বড় বড় কয়েকটি ভুল করেছে; সেইসব ভুলের জন্য ক্ষতিপুরণ দিতে হবে সাধারণ মানুষকে; তাই, অনেক মানুষই কাজ করার কথা বলছে; যদিও মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশী পরিমাণ "আন-এমপ্লয়মেন্ট" ভাতা পাচ্ছে, মানুষ জানে যে, ইহাও বড় সমস্যার জন্ম দেবে। ইতিমধ্যেই কালিফোর্নিয়া সরকার দেশের ফেডারেল গভর্মেন্ট থেকে ঋণ নেয়ার শুরু করেছে; ফেডারেল সরকার কার থেকে ঋণ নেবে?
ঠিক এই সমস্যার মাঝে, হঠাৎ করে ট্রাম্প ও উহার ফরেন সেক্রেটারী, মাইক পম্পেও চীনের সাথে লেগে বসে আছে। চীনের বিপক্ষে ট্রাম্প কথা বলার শুরু করেছিলো সপ্তাহ দু'য়েক আগে; মানুষ তেমন পাত্তা দেয়নি; কিন্তু গত ৩/৪ দিন, ইহা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়েছে; পম্পেও বলছে যে, ভাইরাস এসেছে উহানের ভাইরাস রিসার্চ ল্যাব থেকে; কিন্তু চীন বলে আসছে যে, উহা জীবজন্তু বিক্রয়ের বাজারে প্রথম মানুষের গায়ে এসেছে। পম্পেও অনবরত নিজের কথা বলে যাচ্ছে, ট্রামপও উহাতে যোগ দিয়েছে, কিন্তু ৪২টি রাজ্য খুলতে গিয়ে যেসব পদক্ষেপ নেয়ার দরকার , সেগুলো নিয়ে তেমন কথা বলছে না, পদক্ষেপও নিচ্ছে না; মানুষ চিন্তিত।
এখন যেভাবে আমেরিকা খুলতে যাচ্ছে, তাতে আগামী আগষ্টের মাঝে নতুন করে আরো ৭০/৮০ হাজার মানুষ মারা যাবে। আগের ধারণা অনুযায়ী, আমেরিকায় ৬০ হাজার মানুষ প্রান হারাতে পারে বলা হয়েছিল; উহা এখন ৭০ হাজার পেরিয়ে যাচ্ছে। ফেডারেল সরকার ও গভর্ণরেরা এমন কিছু জানে, মনে হচ্ছে, সাধারণ মানুষ তা জানে না, সরকারের মতি গতি সন্দেহজনক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

