
ডা: জাফর উল্লাহ এই করোনার সময়ে, জাতির পাশে দাঁড়াতে পারতেন; স্বাধীনতা যুদ্ধে উনার বেশ বড় অবদান ছিল, এখন প্রয়োজনীয় সম্পদ, স্বাস্হ্যখাতে সুনাম ও হাসপাতালের মালিকানা সবই ছিলো উনার। উনার মেডিক্যাল ব্যাকগ্রান্ড, ঔষধ নীতিতে অংশ গ্রহন, দরকারী সব অভিজ্ঞতা থাকা সত্বেও উনি এখন কেহ নন। উনার সব সম্পদ, সব সুনামের পেছনে বাংলাদেশে সরকারের বড় অবদান আছে, এবং তিনি সব সময় সরকারগুলোর সাথে ভাঁজ দিয়ে চলে আসছিলেন। উহা শুধু শেখ হাসিনার সাথে কাজ করেনি; জেনারেল জিয়ার সময়ের উনার কাজকর্ম উনি জিয়ার উপর কিছুটা চালিয়ে দিয়েছিলেন, এই বলে যে, উনি বাধ্য হয়েছিলেন। উনার এরশাদের সময়ের ভুমিকা নিয়েও শেখ হাসিনা তেমন কথা তোলেনি। কিন্তু উনি ভুল করেছেন গত ভোটের সময়, বেগম জিয়ার মুক্তি চেয়ে; এখন বেগম জিয়া অনেকটা মুক্ত, কিন্তু উনার কথায় ইহা ঘটেনি; উনি কথাটা মুখে উচ্চারণ করেই নিজকে অপাংক্তেয় করলেন।
করোনার এই বিশৃংখল অবস্হায় জাতির পাশে দাঁড়ানোর মতো আরেকজন লোক ছিলেন ড: কামাল হোসেন। ড: কামাল হোসেন আজো আওয়ামী লীগে আছেন, ভাবলে খুব বড় ভুল হবে না; কোন পদে নেই; তবে, আওয়ামী লীগ, তথা শেখ হাসিনা উাকে বের করে দেননি। আজকের আন্তর্জাতিক আইনবিদ, গনফোরামের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ চালানোর ম্যানুয়েলের লেখক, সবই আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ সরকার থেকে প্রাপ্ত। বিএনপি থেকে উনি কিছু পাননি; বরং হুমকিতে ছিলেন, যে কোন সময়ে জামাত-শিবির, বাংলাভাইয়েরা উনাকে কোপাতে পারতো। যাক, শেখ হাসিনার ভয়ে কেহ উনার গায়ে হাত তোলেনি; বিএনপি-বিরোধী বিক্ষোভে লাথি উষ্ঠা খেয়েছেন। গত ভোটে, উনার মাথা খারাপ হয়ে গেলো, ভোট করবেন! কিন্তু বিএনপি'র সাথে হাত মিলালে উনি কি ভোট পাবার সম্ভাবনা ছিলো? যেকোন সাধারণ মানুষই বলতে পারতেন যে, ইহা অসম্ভব। কিন্তু উনি ছেলে মানুষী করে বিএনপি'র মাহুত হলে, মরা হাতী নিয়ে যুদ্ধে রওয়ানা দিলেন; আবার ঘোষণা দিলেন, ইলেকশানের পরেরদিন বেগম জিয়া মুক্ত হবেন। বেগম জিয়া সামান্য যা মুক্তি পেলেন, তা উনার বদৌলতে নয়।
এই করোনার সময়, আমি ব্লগার নুরু সাহেবের নাম অনেকবার পড়েছি ব্লগে; কিন্তু ড: ইউনুস সাহেবের নাম একবারও পড়তে হয়নি। উনি কেন আজকে জাতিকে সাহায্য করছে না, উনি তো এনজিও'র লোক। এই করোনায়, বাংলাদেশ সরকারও যদি আমেরিকার কোন সাহায্য না পেয়ে থাকে, ড: ইউনুস সাহবে পেতে পারতেন। ব্লগে, ড: ইউনুস সাহবের অনুসারী এখনো অনেক আছেন, এবং সব বাংগালী উনাকে চেনেন; ফলে, আমাকে উনার সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলতে হচ্ছে না। শুধু কেহ যদি ২০১৪ সালের ভোটের আগের একটা ঘটনা ভুলে গিয়ে থাকেন, সেটা আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, সেটা হলো উনি, সেই সময় বিএনপি'র সাথে একটা মিটিং করেছিলেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



