
বিশ্ব যেদিন করোনার অবসান ঘোষণা করবে, তখনো বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত ও ব্রাজিলে করোনা থেকে যাবে; এসব দেশের মেডিক্যাল সিষ্টেম করোনাকে ধ্বংস করতে পারবে না; এসব দেশের অসৎ প্রাইভেট সেক্টরগুলো ও সরকারী কর্মচারীরা জালিয়াতী করে সার্টিফিকেট বিক্রয় করে চলবে। ব্রাজিলে ভুয়া ও জালিয়াতী কম; কিন্তু বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত হলো ভুয়া ও জালিয়াতদের স্বর্গ।
আমাদের মানুষ যারা বিদেশ থেকে দেশে এসেছিলো, তাদরকে বিদেশে ফেরত যেতে হবে; চীন, জাপান, কোরিয়া, ইতালী যদি ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় ও বন্ধ করে রাখে, মানুষ ভয়ংকর বিপাকে পড়বে। ইহার সমাধান কি?
যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন সরকারকে ইহার সমাধান বের করতে হবে; একটা সমাধান হলো, এসব দেশের সাথে কথা বলে, বিদেশগামী যাত্রীদের বিজিবি কিংবা মিলিটারীর তত্বাবধানে ঢাকা ইউনিভার্সিটির হলগুলোতে ১৪ দিনের সরকারী কোয়ারেন্টিনে রেখে ফ্লাইটে তুলে দেয়ার জন্য ব্যবস্হা নিতে হবে; না হয়, ইউরোপের বাকী দেশগুলোও এবং অন্য দেশগুলো বাংলাদেশের মানুষকে সেসব দেশে যেতে দিবে না। একবার যেতে বন্ধ করলে, উহার সমাধান করার মতো মানুষ বাংলাদেশ সরকারের নেই।
দেশ বিশৃংখলার মাঝে ঢুবে গেছে, এই অবস্হায় করোনা সার্টিফিকেট নিয়ে জালিয়াতী করার ফলে বাংলাদেশ থেকে মানুষ বের হতে পারবে না; আগেও বাংলাদেশের এসব কাগজপত্র সব সময় জালিয়াতীর মাধ্যমে তৈরি করা হতো; কিন্তু এখন বিশ্বে খারাপ সময়।
ইতালী থেকে ফ্লাইটের লোকদের ফেরত দেয়ায়, মানুষ এই খারাপ সময়ে ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও পরিবারগুলো অনিশ্চিয়তার মাঝে প্রবেশ করেছে; এই সমস্যা এমন অবস্হায় পৌঁচবে যে, বাংলাদেশ পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



