
দেশে করোনার যেই অবস্হা, কোরবানীর ফলে ইহার সংক্রমণ বাড়াবে কিনা, এবং কোরবানী উপলক্ষে সংক্রমণের কারণে কিছু মানুষ প্রাণ হারাবেন কিনা? যদি সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে, এবং প্রাণ হারানোর সম্ভাবনা থাকে; সরকারীভাবে কোরবানী বন্ধ করে দেয়ার দরকার।
কোরবানী বন্ধ হলে প্রাথমিকভাবে কিছু ক্ষতি হবে, কিন্তু ইহার বড় সুফল হলো, "কাউকে কোরবানীর কারণে প্রাণ হারাতে হবে না।" কোরবানীর কারণে প্রাথমিকভাবে কিছু গরুর ফার্মের লোকজনের আর্থিক ক্ষতি হবে; কিন্তু বড় ধরণের ক্ষতি হবে না; কারণ, এই গরুগুলো এক সময় কসাইরা কিনে নিবে; তবে, দাম কম হবে। করোনার কারণে এই ক্ষতিটুকু তারা মেনে নিতে পারে, এবং দরকার হলে, সরকার কিছুটা ভর্তুকি দিতে পারে।
কিছু দুষ্ট মানুষের শাস্তি হতে পারে: যারা কেমিক্যাল প্রয়োগ করে গরুকে মোটাসোটা করেছে, তাদের কিছু গরু ২/১ মাসের মাঝে মারা যেতে পারে। ইহার সবচেয়ে ভালো দিক হলো, কিছু মানুষ ক্যান্সার বা হৃদরোগ থেকে রেহাই পাবে।
গরীবেরা মাংস থেকে বন্চিত হবে কিনা? মোটেই না, গরীবদের যদি মাংসের বদলে টাকা দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়, গরীবেরা সব সময় টাকা নিতে চাইবেন।
কোরবানী না হলে, দেশে চামড়ার ঘাটতি হবে কিনা? মনে হয় না, করোনার ফলে এত বেশী চামড়া প্রসেসিং করার ক্ষমতা নেই। যদি টেনারী ও চামড়া ব্যবসায়ীরা এত বেশী চামড়া সংগ্রহ করে এবার, বেশ কিছু পরিমাণ দরিদ্র শ্রমিক প্রাণ হারাবেন।
এবারের কোরবানী বেশ কিছু পরিমাণ দরিদ্র মানুসকেও কোরবানী করবে: ধনীরা ও যাদের অবস্হা ভালো, তারা কেহ কোরবানীর গরু কিনতে বাজারে যাবে না, পাঠাবে তাদের গরীব চাকর কিংবা ব্যবসার কর্মচারীদের; গরু কেনা ও কোরবানী সারাতে গিয়ে এসব গরীবদের থেকে কিছু মানুষ কোরবানী হয়ে যাবেন।
সর্বোপরি, মুসলমানদের ভাবার দরকার, একজন মুসলমান জীবনে কতবার কোরবানী দেয়া উচিত! হযরত ইব্রাহিম(আ: ) জীবনে একবার মাত্র কোরবানী দিয়েছিলেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



