
আপনারা লেবাননের বিস্ফোরণ দেখেছেন মিডিয়ায়, ইহা মোটামুটি রেডিয়েশনহীন ছোট এটমবোমার মতো ধ্বংস চালিয়েছে; প্রায় ৩ হাজার টন এমোনিয়াম নাইট্রেট একসাথে বিস্ফোরিত হয়ছে, ১৫০ মাইল দুর অবধি ভুমি কেঁপেছে, ১৭০ জনের বেশী মানুষ প্রাণ হারায়েছেন, ৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন, ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশী সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে; অনেকটা আধা দুর্ভিক্ষের মাঝে বিপুল পরিমাণ খাদ্য নষ্ট হয়েছে গুদামে।
দুষ্ট সরকারী লোকেরা এই বিপদ ডেকে এনেছে: ২০১৩ সালে, একটি রাশিয়ান কোম্পানীর জাহাজ জর্জিয়া থেকে এমোনিয়াম নাইট্রেট নিচ্ছিল মোজাম্বিক; পথে আরো কিছু মালামাল নেয়ার জন্য উহা লেবানন আসে; কিন্তু জাহাজ কোম্পানী পোর্টের বার্থিং'এর টাকা পরিশোধ করতে অসমর্থ হয়, লেবানন সরকার জাহাজের মালামাল ক্রোক করে রেখে দেয় গুদামে; উহা এখন বাচ্চা দিয়েছে ৭ বছর পর।
বিস্ফোরণ ঘটেছে লেবাননে, ১৭০ জন প্রাণ হারায়েছেন, তার মাঝে ৪ জন বাংগালীও আছেন। লেবাননের মতো দরিদ্র দেশে বাংগালী চাকুরী করতে গেছেন, ইহা বাংগালীদের কাবুলীওয়ালা অর্থনীতি: ভুমধ্যসাগরে যদি নৌকা ডুবে মাত্র ১ জন মানুষ মারা যান, উহা হবে বাংগালী; দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতের গুলিতে যদি ৩ জন মারা যায়, উহাতে ২ জন বাংগালী থাকার সম্ভাবনা, চিলিতে বিনা ভিসায় ২ জন গ্রেফতার হলে, ইহার মাঝে ১ জন বাংগালী আছে। কি কারণে বাংগালীরা সারা বিশ্বে দরিদ্র দেশেও ছড়ায়ে পড়েছে?
বাংগালীদের কি পরিবার নেই, বউ নেই, মা-বাবা, সন্তান নেই? যেই বাংলাদেশ করোনার আগ অবধি শতকরা হারে বিশ্বে সবচেয়ে ধনী প্রসব করছিলো, সেই দেশের মানুষের এই অবস্হা কেন? ব্লগারেরা ইহার ব্যাখ্যা জানেন? আমার মনে হয়, দুর্বল (সাপুড়ে) কবিতা, মফিজ মিয়ার ষ্টাইলে লেখা অর্থনীতি ও রাজনীতির পোষ্ট, প্লটহীন গল্প, গরুর রচনার ফরমেটে প্রবন্ধ লেখার সাথে ইহার সম্পর্ক আছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


