
বাংলাদেশের লেখকদের লেখায় যতবার পড়েছি, "ভু-রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপুর্ণ অবস্হানে আছেন", আমার মাথায় বাংলাদেশ আসেনি, এসেছে লেখকের অবস্হান, ইহা কি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির খাসা মাল, নাকি প্রশ্নফাঁস যুগের মহাপন্ডিত! বাংলাদেশের অবস্হান খুবই ভালো, দক্ষিণ পুর্ব দিকে নাফ নদী, পরনের কাপড় বুকে তুলে রোনিংগারা নদী পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকে যেতে পারে। উত্তর ও পশ্চিম দিক থেকে বর্ষাকালে মমতাদি বেশী করে পেশাব করলে বাংলাদেশে বন্যা হয়ে যায়; গরমকালে পানি বন্ধ করলে পদ্মায় গরু গাড়ী চলে; সুন্দর অবস্হান!
আমেরিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া বাংলাদেশের রোবোট কন্ট্রোল ম্যানুফেকচারিং'এর উপর ১০০ ভাগ নির্ভরশীল; এসব দেশের যুদ্ধবিমানের সব মডলের যন্ত্রাংশ বাংলাদেশ তৈরি করছে, যদি বাংলাদেশ কারো উপর নাখোশ হয়ে ম্যানুফেকচারিং বন্ধ রাখে সেই দেশ কাপুত হয়ে যাবে।
বাংলাদেশের মাটির নীচে ইউরেনিয়াম, স্বর্ণ ও তেলের ডিপো, যা বাংলাদেশ জানে না, জানে শুধু চীন ও ভারত; সেটা নিয়ে ঐ ২ দেশ প্রতিযোগীতায় নেমেছে, কে আমাদের সরকারের মন খুশী রাখতে পারে। এদিকে আমাদের এটোমিক কমিশন ইসরায়েল ও আমেরিকার ঘুম হারাম করে দিয়েছে, আমাদের হাতে কয়েক ডজন হাইড্রোজেন বোমা তৈরির জন্য দরকারী পরিমাণ নেসেন্ট ইউরেনিয়াম ও টেকনোলোজী আছে, ফকার ফ্রেন্ডশীপ বিমান আছে!
আমাদেরকে শুধু সন্মান করে না মালয়েশিয়া, ওরা বলে যে, ট্রলারে করে আসা লোক ঠেকাও, গ্রীকও একই অপবাদ দিয়ে চলেছে, বাংগালীরা ভালো সাতারু, লিবিয়া থেকে বাংগালীরা সাতার দিয়ে গ্রীক পৌঁছে যাচ্ছে, দেশ কত লাখ ব্রজেন দাস পাঠাচ্ছে লিবিয়া? দ: আফ্রিকাও অসন্তুষ্ট, হাজার হাজার ইবনে বতুতা পায়ে হেঁটে ওদের দেশে ঢুকছে, এসব ইবনে বতুতারা তাদের দেশের তথ্য চুরি করতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক মডেল আমেরিকা চুরি করার তালে আছে; ট্রাম্প বলছে, করোনার মাঝে ডাকযোগে ভোট হলে, সে ফলাফল মানবে না, ইহাতে সুক্ষ্ম কারচুপি হবে শতকরা ১০০ ভাগ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



