
**** বিশ্বের সবচেয়ে বড় চোর, বিশ্বের বড় মিথ্যুক গত ৪ বছর আমেরিকা চলায়েছে। ট্রাম্পের ১৫ বছরের টেক্সের কাগজপত্র বের করেছে টাইমস পত্রিকা; ইহাতে দেখা যাচ্ছে যে, সে ট্যাক্স ও তার সম্পদ সম্পর্কে আজীবন মিথ্যা বলে আসছিলো। ****
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (নভেম্বর, ৩) আগে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেনের মাঝে ১ম ডিবেইট হতে যাচ্ছে আগামী মংগলবার, ওহাইও রাজ্যের ক্লিবল্যান্ড শহরে; ডিবেইটের মডারেটর হচ্ছেন ফক্স-নিউজের সাংবাদিক খ্রিস ওয়ালেস। এবারের ১ম ডিবেইটটি অনেকগুলো কারণে উল্লেখযোগ্য: করোনায় আমেরিকা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সময়ের আমেরিকান ভোটপদ্ধতি ও গণতন্ত্র-বিরোধী কথাবার্তা মানুষকে চিন্তিত করে তুলেছে।
ডিবেইটে ৬টি বিষয়ের উপর প্রশ্ন করা হবে: (১) ট্রাম্প ও বাইডেনের রাজনৈতিক রেকর্ড ও অবদান (২) সুপ্রীম কোর্টে ১ জন নতুন বিচারক নিয়োগ (৩) করোনা পরিস্হিতি (৪) দেশের অর্থনীতি (৫) শহরগুলোতে রেসিজম ও বর্তমান প্রতিবাদ (৬) নির্বাচন পদ্ধতি ও কমিশনের স্বচছতা ও ক্ষমতা।
বাংলাদেশে নির্বাচনের সময় ভিন্ন দলের প্রার্থীদের মাঝে ডিবেইট হয় না; বাংগালীরা স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটি লেভেলে ছাত্রদের ডিবেইটে অভ্যস্ত; কিন্তু বাস্তব জীবনে ডিবেইট দেখেননি। বাংলাদেশের টেলিভিশনে রাজনৈতিক আলোচনাগুলোতে ভিন্ন মতামতের লোকজনকে আলোচনায় ডাকা হয়, সেটা অনেকটা ডিবেইটের মতো; তবে, বেশভাগ ক্ষেত্রে এসব আলোচকেরা ফাউল-আলোচনা করে, কথার পিঠে কথা বলে। কিন্তু আমেরিকান প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেইট দেশের শতকরা ৪৬ ভাগের বেশী মানুষ দেখেন, ও কমপক্ষে ৪ ভাগ থেকে ৫ ভাগ মানুষ ডিবেইট থেকে ভোটের ব্যাপারে মনস্হির করেন; আমেরিকায় শতকরা ২ থেকে ৪ ভাগ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় ঘটে।
করোনার কারণে এবারের ডিবেইটে শ্রোতা থাকবে না; সর্বমোট ৮০ জনের কম মানুষ অংশ নেবেন; এবং ডিবেইটটি কুৎসিত হতে পারে ট্রাম্পের কারণে। ট্রাম্প পরাজিত হওয়ার ভয়ে ভুতের মতো বকছে, আজকে সকালের জাতীয় জরীপ অনুযায়ী বাইডেন ৮ পয়েন্ট সামনে আছেন: বাইডেন শতকরা ৪৯ ভাগ ও ট্রাম্প ৪১ ভাগ সাপোর্ট পাচ্ছেন।
ট্রাম্প আমেরিকার ২০০ বছরের গণতান্ত্রিক নির্বাচন সিষ্টেমকে আক্রমণ করে, কিছু পরিস্হিতির সৃষ্টি করছে, যা সে পরাজিত হলে, কোর্টে যাবার পথ খুলছে। ২ সপ্তাহ আগে সুপ্রীমকোর্টের এক বিচারক মারা গেছেন, নতুন বিচারক নিযুক্ত করতে ৬ থেকে ৯ মাস লাগে; ট্রাম্প চেষ্টা করছে ১ মাসের ভেতর করতে; পেছনে ২ টি কারণ আছে: (১) সে ভোটে জিতলে ওবামা-কেয়ার পুরোপুরি বাতিল করতে, সেটি এখন সুপ্রীম কোর্টে আছে (২) সে পরাজিত হলে, কিছু রাজ্যের ভোট পদ্ধতি নিয়ে মামলা করে জেতার জন্য।
আমেরিকায় এই ১ম ট্রাম্প বলছে যে, সে পরাজিত হলে, ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না; কিন্তু আমেরিকায় ক্ষমতা হস্তান্তর পরাজিতের উপর নির্ভর করে না, উহার দায়িত্বে আছে নির্বাচন কমিশন। তা'হলে, কেন সে ইহা বলছে? আসলে, সে করোনায় তার অপদার্থ ভুমিকাকে আলোচনার পেছনের লাইনে নেয়ার চেষ্টা করছে; পরাজিত হলে, তার বাবা এসে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিয়ে যাবে।
আপনারা সুযোগ পেলে ডিবেইটটি দেখবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ভোর ৫:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



