
অনেক ব্লগারকে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না; তারপরও, আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই, আশাকরি, উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে প্রশ্নফাঁস করতে হবে না; প্রশ্নটা হলো, "ইয়েমেন ও নেপালের মাঝে, কোন দেশটি স্বল্পন্নোত দেশ থেকে কিছুটা আগে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী?" উত্তর যদি নেপাল হয়, সেটাই শুদ্ধ হবে; আর যদি ইয়েমেন হয়, সেটা ভুল হবে কিনা বলা মুশকিল হবে; কারণ, আমাদের সিলেটের পীর হযরত শাহ জালাল'এর(রহ: ) জন্মস্হান কিন্তু ইয়েমেন; এবং ইয়েমেনে এক ধরণের গাছ আছে, উহার নাম "খট", ইয়েমেনীরা ইহার পাতা চিবিয়ে মুখে রাখে, ইহাতে জ্ঞান বাড়ে।
নেপাল কোন সালের দিকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে পারে, সেটা অনুমান করে, উহার উপর লেখালেখি করার জন্য জাতিসংঘ অনেক লোকজনকে বড় ধরণের বেতন দিয়ে থাকে; আপনি ব্লগার হয়েও, সেটা মোটামুটি অনুমান করতে পারবেন, যদিও আপনাকে কেহ ১ ডলারও দেবে না। জাতি সংঘের লোকজন "সুপারিশ" করছেন যে, ২০২৬ সালের দিকে বাংলাদেশের গায়ে উন্নয়নশীল দেশের সীল মারা সম্ভব হবে। বাংগালী জাতির মতো "একটিভ" জাতিও আদু ভাইয়ে পরিণত হয়েছে, ৫৬ বছর অষ্টম শ্রেণীতে আছে।
ঠিক আছে, আদুভাইকে ঠেলেটুলে ৯ম শ্রেনীতে পাঠানো হলো, তারপর? তারপর বিয়ে! উহা কি ৯ম শ্রেণীতেই আজীবন থাকবে, নাকি ১০ শ্রেণীতেও যাবে একদিন, নাকি উল্টো আবারও ৮ম শ্রেণীর দিকে রওয়ানা হবে? সিরিয়া বা লিবিয়ার মতো হলে, অষ্টম শ্রেণীতে ফেরত যাওয়াই সহজ হবে।
বাংলাদেশের মানুষের যেই সংস্কৃতি, মানুষের পরিবারের প্রতি যে দায়িত্বশীলতার লক্ষন, জাতি যতটুুকু সসম (সমজাতীয়), যেই পরিমাণ সম্পদ আছে, যেভাবে যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছেন, এদের ৫৬ বছর একই যায়গায় থেকে আদু ভাই হওয়ার কথা ছিলো না; আমাদের মাথায় কিছু আদুভাই উঠে বসেছে, যারা পুরো জাতিকে আদুভাই বানায়ে ছেড়েছে।
জাতি সংঘের কাজ হলো পর্যবেক্ষণ করে, একটা সুপারিশ করা; জাতি সংঘ বাংলাদেশকে বদলাতে পারবে না; দেশের বর্তমান যেই অবস্হা, ৬ বছরে কি পরিবর্তন হবে, বলা কঠিন। আগামী ৬ বছর বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবনযাত্রার মান ভালোর দিকে যাবার কথা; কিন্তু বাংলাদেশের বেলায় সেটা সাানুপাতিকভাবে ঘটার সম্ভাবনা আজকে কিন্ত দেখা যাচ্ছে না; দেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে নিতে হলে প্ল্যান দরকার, রোডম্যাপ দরকার, আমি উহা দেখছি না, আপনারা কেহ কিছু দেখলে, জানাবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০২১ রাত ২:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




