
ভারতের মুসলমানরা দাংগা কবলিত হলে, বাংলাদেশের মানুষ ভারতীয় মুসলমানদের জন্য মনে কষ্ট পায়, নাকি হিন্দুদের জন্য মনে কষ্ট পায়? চেষ্টা করবেন এই সহজ প্রশ্নটির উত্তর দিতে।
মুসলিম ও হিন্দু ধর্মের সংস্ক্বতি হলো, এরা একে অন্যের ধর্মকে সমীহ করে না; খৃষ্টানরা অন্য ধর্মের লোকদের উপর ধর্মীয় কারণে চড়াও হয় না। আসলে, খৃষ্টানরা ইহুদী, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মকে সহজভাবে নেয়। ওরা মুসলমানদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখে, কিন্তু এড়িয়ে চলতে চায়।
যদি আপনারা ভুলে না গিয়ে থাকেন, মোদী কিন্তু গুজরাটের জল্লাদ; সে কৌশলে গুজরাটে দাংগা লাগিয়ে, পুলিশকে দুরে রেখে ভয়ানক হত্যাকান্ড চালায়েছে। ভারতের সর্বশেষ বড় দাংগা হয়েছিলো দিল্লিতে, আবারো মোদীর সময়, যেইদিন ট্রাম্প ভারত পৌছেছিলো।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে যখন হিন্দুদের উপর আক্রমণ হয়, তখন ভারতীয় হিন্দুরা ফুলতে থাকে, আর ভারতীয় মুসলানরা কাঁপতে থাকে। পাকী ও কাবুলীওয়ালাদের মাথায় মগজ কম, সিলেটিদের মগজের পরিমাণ কেমন? তারা কি চাচ্ছে ভারতীয় মুসলমানদের কসাইঘরে পাঠাতে?
আমাদের মোল্লারা ওয়াজের সময় সুযোগ মতো ইহুদী, নাসারা ও হিন্দুদের ধর্মকে সমালোচনা করে, এবং ওরা সবাই যে, দোযখে যাবে, সেই বার্তা ঘোষণা করে; ওয়াজ বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য সুখকর অনুষ্ঠান নয়। নিউইয়র্কের ইমামেরা মসজিদে হিন্দু ধর্ম নিয়ে চিন্তিত নয়, এরা সুযোগ মতো শুধু ইহুদী ও নাসারাদের দোযখ গমণের বার্তা দেয়।
আপনাদের মাঝে যাদের সুযোগ হয়েছে গির্জায় যাবার, তারা হয়তো দেখেছেন, খৃষ্টানদের ওয়াজ হয় গির্জার ভিতরে সপ্তাহে একদিন, মাত্র গড়ে ৩০ মিনিটের কম; এরা সেখানে অন্য ধর্ম তো দুরের কথা অনেকই নিজ ধর্ম নিয়েও বেশীক্ষণ সময় ব্যয় করে না, এদের গির্জার মেম্বারদের জীবন, সমস্যা, সুযোগ, দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্হা নিয়ে বেশীরভাগ ওয়াজ করে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




