
মোদীকে পছন্দ ও সন্মান করে, সেই রকম ১ জন বাংগালী বাংলাদেশে পাওয়া যাবে কিনা বলা মুশকিল; গুজরাটের খুনী, ভারতকে হিন্দুকরণ, দিল্লীর দাংগা, আসামে বাংগালীদের নাগরিকত্ব নিয়ে টানাটানি, এখন বিজেপি'র পশ্চিমবংগের ক্ষমতা দখলের জন্য মমতা, কংগ্রেস ও বামদের বিপক্ষে ধর্ম ব্যবহার করা, বাংলাদেশকে পানি না দেয়াসহ অনেক বড় ও খারাপ কাজের গুরু সে। বাংলাদেশে ৫০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাকে কে দেখতে চায়? বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা অনুষ্ঠানে বরং ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতি নিয়ে উনার নাতনী এলে, বাংলালীরা মেয়েটাকে আন্তরিকভাবে নিতো।
শেখ হাসিনা বিরোধীরা মনে করে যে, মোদীর সরকার শেখ হাসিনার সরকারকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে! ইহা ঘটছে; তবে শেখ হাসিনা মোদী কিংবা ভারতে সরকারের সমর্থন নিয়ে টিকে থাকছেনা, এবং সেটাতে তিনি বিশবাস করেন না; তিনি টিকে আছেন নিজের মনোবল ও বিপক্ষ দলগুলোতে রাজনীতির অভাবের কারণে। জেনারেল জিয়া ততকালীন বাংলাদেশের তলানীতে থাকা রাজনীতিবিদদের নিয়ে দল ও সরকার গঠন করেছিলেন; উনি তাদের নিয়ে ভাবতেন না, মাথা গোনার জন্য রাখতেন; তিনি নিজে ও মিলিটারী অফিসার দিয়ে সরকার চালাতেন: ব্যুরোক্রেটরা উনার ভয়ে কাজ করতো ও চুরি করতো নিজেদের বুদ্ধি বলে। ব্যুরোক্রেটরা জিয়ার আমলেও ঠিক মতো চুরি চালিয়ে গেছে।
বাংলাদেশের ৫০ তম স্বাধীনতা দিবসে ভারত থেকে কেহ একজন আসার দরকার ছিলো, প্রেসিডেন্ট এলে হতো; কিন্তু মোদী পশ্চিম বংগের বাংগালীদের দেখাতে চাচ্ছে যে, সে বাংগালী জাতিকে ভালোবাসে। সে কুসংস্কারচ্ছন্ন হিন্দু, সে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যা সাগরের মতো হিন্দু নয়, সে জগদীশ চন্দ্র বসু নয়, সে ড: অমর্ত্য সেন নয়; সে বাংলাদেশেের মানুষের জন্য সবচেয়ে অবান্ধব একজন ভয়ংকর ব্যক্তি, যাকে কোন বাংগালী আসলে আমাদের অনুষ্ঠানে দেখতে চাহে না।
শেখ হাসিনা নিশ্চয় চাহেনি যে, মোদী আসুক; মনে হয়, তিনি না করতে পারেননি, সেটা অশালীন হতো। শেখ হাসিনা কোন চুক্তি করে লাফ দেয়ার মুডে আছেন বলে মনে হয় না; তিনি জানেন, বাংলাদেশীরা মোদীর ফ্যান নন।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




