
শেখ হাসিনা এই সময়ে মোদীকে বাংলাদেশে আসতে না দিলেই সঠিক কাজ হতো; মোদী এসেছে নিজ কাজে, সে তার হিন্দু মৌলবাদী দলকে পশ্চিম বংগে ভোটে সাহায্য করার জন্য এই সফরকে ব্যবহার করছে। সে বাংলাদেশে এসেছে মুলত: পশ্চিম বংগের মানুষকে দেখাতে যে, সে বাংগালীদের ভালোবাসে। সে মতুয়া ফতুয়াদের ওখানে যাবে ও সাতক্ষীরায় যশোরেশ্বরী মন্দিরে যাবে। সে ধর্মনিরপেক্ষে দেশের বিশেষ অনুষ্ঠানে এসে ধর্মীয় বিষয়কে প্রধান্য দিচ্ছে; তার এসব প্রোগ্রাম জানার পর, শেখ হাসিনার উচিত ছিলো করোনার কারণে তার সফর থামিয়ে দেয়া; শেখ হাসিনা এই অপ্রয়োজনীয় লোকটাকে আমাদের দরকারী অনুষ্ঠানে আসতে দিয়ে, অনুষ্ঠানটার জন্য ভালো কিছু করেননি।
আসলে, স্বাধীনতার ৫০ বছরের অনুষ্ঠানে দেশের সব শ্রেণীর মানুষদের অংশ গ্রহনের ব্যবস্হা করার দরকার ছিলো; মোদীর জন্য স্পেশাল ব্যবস্হা করে যেই পরিমাণ টাকা নষ্ট করেছেন, সেটা দিয়ে গার্মেন্টের মেয়েদের সংবর্ধনা দেয়া যেতো।
মোদী ভারতেকে যেভাবে হিন্দু মৌলবাদের ভেতর নিয়ে গেছে, উহা থেকে ইহা সহজে বের হতে পারবে না; ভারতের মুসলিমরা ও নীচু বর্ণের হিন্দুরা এদের হাতে নির্যাতীত হবে; একই সাথে, মোদী বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপালের জন্য খারাপ উদাহরণের সৃষ্টি করছে।
ভারতের একটা সুবিধা হলো, তাদের শিক্ষা ব্যবস্হা ও টেকনোলোজী বিশ্বমানের, ওদের গ্রেজুটেরা আমেরিকা ও ইউরোপে গিয়ে চাকুরী ও ব্যবসা করছে ও ভবিষ্যতে আরো ভালো করবে। কিন্তু বাংলাদেশের মাদ্রাসার গ্রেজুয়েটদের ভবিষ্যত কি? ভারতে হিন্দুবাদের উত্থান বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মৌলবাদীদের জন্য উৎসাহের ব্যাপার। ভারতের মৌলবাদের ফলে দরিদ্র মুসলমানেরা ও নিচুবর্ণের হিন্দুরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে; বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান হলে, পুরো জাতি ইয়েমেনের মতো হয়ে যাবে।
এমনিতেই শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি ভারত সরকারের অন্ধ সাপোর্ট আছে বলে অপবাদ আছে, এখন এই অবান্চিত লোকটিকে আসতে দিয়ে সেটাকে আরো উসকে দেয়া হলো; কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না; বরং পশ্চিমবংগের লোকদের ক্ষতি হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১১:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




