
নিউইয়র্ক শহরের বাসিন্দারা সবাই মোটামুটি ১ম ডোজ হলেও পেয়ে গেছে; শহরটি করোনায় বিশ্বের যেকোন শহর থেকে বেশী ভুগেছে: এ'যাবত, কমপক্ষে ২১ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, ৫৫ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। ট্রাম্প ও রাজ্যের গভর্ণরের ভুলের জন্য শহরটি বেশী ভুগেছে; এ'ছাড়া অন্য বড় ফ্যাক্টর ছিলো, ক্যাপিটেলিষ্ট অর্থনীতির কারণে হাসপাতাল, ক্লিনিক, হেলথইন্স্যুরেন্স সরকারের কন্ট্রোলের বাহিরে ছিলো।
শহরটাতে সংক্রমণের হার ছিলো খুবই বেশী; ইহার মুলে ছিলো শহরের সাবওয়ে সিষ্টেম ও শহরের ৫টি বড় এয়ারপোর্ট। এ'ছাড়া শহরের ধনী ও স্পেনিশদের বড় অংশ ট্রাম্পের অনুসারী কিংবা চারিত্রিক দিক থেকে ট্রাম্পের মতো। ইলেকশানের আগে, ভয়ংকর সংক্রমণের সময় অনেকের মাস্ক ছিলো না; এখন টিকা দেয়ার পর, দেখা যাচ্ছে, বেশী মানুষ মাস্ক পরছে।
র্নিউইককে বিশ্বের ফাইন্যান্সিয়াল রাজধানী বলা হয়; শহরটিতে ৯০ লাখ মানুষ বাস করেন; ইহাতে এত বেশী নতুন এমিগ্রেন্ট বাস করেন যে, ইহাকে আমেরিকান শহর বলাই কঠিন। ইহার আরেক বৈশিষ্ঠ্য হলো আফ্রিকান আমেরিকান ও ইহুদীদের আধিক্য, এবং বর্তমানে চীনাদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা বৃদ্ধি। আমেরিকায় বসবাসরত বাংগালীদের বড় অংশও এই শহরে বাস করেন। বাংগালীরা ক্রমেই এই শহর থেকে চলে যাচ্ছেন।
এই শহরের ফাইন্যান্সিয়াল কেন্দ্র হলো ম্যানহাটন, এখানে আমেরিকার ষ্টক-এক্সচেন্জের মার্কেটগুলো ও ব্রোকারেজগুলো অবস্হিত; এবং সেই কারণে, এখানে সব ধরণের ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশন গুলো ও ইনভেষ্টমেন্ট ব্যাংকগুলোর বড় বড় শাখা আছে। ইহা ফাইন্যান্সিয়াল শহর হওয়াতে শহরের প্রচুর মানুষ রেষ্টুরেন্ট ও বারে ভিড় করে থাকে; ইহাও সংক্রমণে সাহায্য করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




