
করোনায় শেখ হাসিনার বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ মানুষের মৃত্যু হয়েছে; আমার ধারণা, এই মানুষগুলো শেখ হাসিনার সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণে অনেক প্রিভিলীজ ভোগ করেছেন; ফলে, এদের পক্ষে করোনা থেকে দুরে থাকা সাধারণ মানুষ থেকে অনেক সহজ ছিলো, কিন্তু এরা আক্রান্ত হলেন। এরা কি এদের প্রিভিলীজ ও শেখ হাসিনার সাথে ঘনিষ্ঠতাকে কাজে লাগাতে পেরেছিলেন? আপনার মতে, করোনার প্রথম ঢেউ'এর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তুতি কেমন ছিলো? আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনা করোনা থেকে অনেক শক্তিশালী; প্রস্তুতি নিয়ে এর থেকে বড় ষ্টেইটমেন্ট আর কি হতে পারে? যাক, প্রথম ঢেউ'এর পর, ২য় ঢেউ চলছে, এবার দেশের অবস্হা ও সরকারের প্রস্তুতি কেমন?
যেই কয়জনের কথা আমি বলছি, এরা কি করোনার ভয়াবহতা ও সরকারের অদক্ষ প্রস্তুতির কথা জানতেন, বুঝতেন? এরা কি জানতেন যে, সরকারের বেঠিক প্রস্তুতির কারণে, এরা নিজেরা ইহার ভিকটিমে পরিণত হতে পারেন? আমার মনে হয়, এরা মনে করতেন যে, সরকারের প্রস্তুতি যেই রকমই হোক না কেন, এরা অসুস্হ হলে, শেখ হাসিনার সাহায্য নিয়ে এরা সেরা মেডিক্যাল সেবা পাবেই পাবে; সুতরাং, সাধারণ মানুষ থেকে অনেক ভালো অবস্হানে আছেন, কিছু করার দরকার নেই।
শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ যাদের কথা আমি বলছি, এরা চাইলে, শেখ হাসিনা পাকঘরেও যেতে পারতেন, শেখ হাসিনা মোরগ পোলাও রান্না করার সময় এককাপ চা খাবার সময় শেখ হাসিনাকে বলতে পারতেন যে, প্রস্তুতি ভালো নয়, ইহার ফলে কোরনার সময়ে বিশৃংখলা দেখা দিবে, এতে করোনা কন্ট্রোলে থাকবে না, এতে শেখ হাসিনার ঘনিষ্টয় লোকজনও প্রাণ হারাবে। শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ লোকজন থেকে সরকারের প্রস্তুতির প্রকৃত অবস্হা বুঝতে পারতেন, আরো ভাবার সুযোগ পেতেন, আরো ভালো প্রস্তুতির জন্য আদেশ দিতে পারতেন, সবকিছু খুটিয়ে দেখার সুযোগ পেতেন।
সুযোগ থাকা সত্বেও, উনার এই ঘনিষ্ঠ লোকজন সরকারের দুর্বল প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেননি, করোনা কন্টরোলের বাহিরে ছিলো, এসব ঘনিষ্ঠরাও করোনার শিকারে পরিণত হলেন, বিরাট সম্পর্কটি কাজে লাগাতে পারেননি।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




