
এঁদের সময় শেষ হয়ে গেছে মোটামুটিভাবে; যুদ্ধের সময়, গড় বয়স ২৫ ধরলে, এখন গড় বয়স ৭৫ বছর; এরপরও কিছু মুক্তিযোদ্ধা শারীরিকভাবে ভালো আছেন; যাঁদের স্বাস্হ্য ভালো, তাঁদেরকে দেশের বর্তামন সমস্যা সমাধানের জন্য একটা সংস্হা খুলে চাকুরী দিয়ে দেখতে পারেন শেখ হাসিনা; তাঁরা শক্তিশালী একটা ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্হা গড়ে তুলতে পারেন কিনা; যেমন ফরমালিন ও খাদ্যে ভেজাল বন্ধ করা, ভুমিদস্যুদের থামানো, কোর্টে সঠিক বিচার পাওয়ার ব্যবস্হা করা, ধর্ষণ থামানো, যানবাহনে মাফিয়াদের থামানো, গ্রাম প্রশাসনে গরীবদের জন্য সরকারী সাহায্যের চুরি রোধ করা, ইত্যাদি।
মুক্তিযোদ্ধারা কাজ না করে গড়ে ১০/১৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন, আর সামান্য টাকা দিয়ে সবাইকে কাজে ডাকা কি বুদ্ধিমানের কাজ, নাকি অপচয় হবে? শুধু খেয়াল রাখতে হবে, যাঁদের নাম ভারতীয় লিষ্টে ছিলো, ভারতীয় লিষ্টের কমান্ডারদের অধীনে বাংলাদেশে যারা কাজ করেছেন। আওয়ামী ও বিএনপি মিলে আনুমানিক ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সৃষ্টি করেছে; ওদেরকে কাজে ডাকলে দেশ ডুবায়ে দেবে।
ইপিআর ও বেংগল রাজিমেন্টের সৈনিকেরা বেঁচে থাকলে, প্রথমে তাদের ডাকার দরকার; এরপর, গ্রামের ছাত্ররা, যাঁরা ভারতে ট্রেনিং দিয়েছিলেন, কিংবা দেশের ভেতরে বিভিন্ন গেরিলা গ্রুপে থেকে যুদ্ধ করেছেন। কাদের সিদ্দিকীর সাথে যাঁরা ছিলেন, ও ভোলার মানুষ, যাদের কাছে সার্টিফিকেট আছে, তাদেরকে বাদ দিতে হবে ও বিএলএফ সদস্যদের ডাকা ঠিক হবে না, শুধু এফএফদের ডাকাটা ঠিক হবে।
এই বুড়ো-হাড্ডিরা এখানকার প্রশ্নফাঁশ জেনারেশন কিংবা বিসিএস'দের থেকে ভালো হবে বলে আমার ধারণা; শেখ সাহেব ও তাজউদ্দিন সাহেব এঁদেরকে কোন কাজে লাগাননি, এবং এক পয়সাও দেননি; এরা কোন সুযোগ পাননি; এখন বসে বসে গড়ে ১০/১৫ হাজার টাকা পাচ্ছেন; কাজ দিলে এঁরা এখনো কাজ করতে পারবেন বলে আমার ধারণা।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




