
ইসরায়েলে দৈনিক ভিত্তিতে কাজের লোক দরকার হয়; বেশীরভাগই কনষ্ট্রাকশন, মাটি-কাটা, কৃষিকাজ, পশুপালন ও ইকুইপমেন্ট চালনার কাজ। এই কাজগুলো করেন ফিলিস্তিনীরা, এদের প্রতিদিন ইসরায়েলে যাবার পাশ দেয়া হয়, কিন্তু কর্মস্হলে থাকতে দেয়া হয় না সিকিউরিটির কারণে। এবারের সহিংসতার কারণে ২/৪ মাস গাজার লোকেরা কাজে যেতে পারবে না; গাজার ৮০ ভাগ মানুষ গরীব, এরা রেডক্রসের সাহায্য চলে। গাজার যেসব পরিবার কোন মতে চলছে, বা ভালো আছে, এদের পরিবারের কেহ না কেহ হামাসে আছে।
লেবাননে, মিশরে বাংগালীরা আছে, ওখানে পয়সা নেই; এরা এখন পারলে ইসরায়েলে ঢুকবে। ইসরায়েলীরা যদি এদের পায়, আরবদের বদলে এদের নিবে। ইসরায়েলে, দৈনিক বেতন যেকোন সময় মিশর ও লেবানন থেকে বেশী হবে। ফলে, আগামী কয়েক বছরে বেশ কিছু পরিমাণ বাংগালী ইসরায়েলে কাজ পাবে। বাংগালীদের সম্পর্কে অনেকের ধারণা ভালো, এরা জংগী নয়।
ইসরায়েলের ভেতরে এবার নতুন একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে; ইসরায়েলের আরব নাগরিকেরা এইবার সমবেতভাবে তাদের আশপাশের ইহুদী নাগরিকদের উপর হামলা চলায়েছে; গত ৭২ বছরে এই ধরণের কোন সমস্যা ছিলো না; আরব নাগরিকেরা অনেক সময় জংগী আক্রমণ চালায়েছে, এতে ১/২ জন সংযুক্ত থাকতো; এবার গ্রামের পর গ্রামে উত্তেজনা লক্ষ্য করেছে পুলিশ; এখনো সেই ভয় বিরাজ করছে। এর ফলে, অনেক পরিবারকে ইসরায়েল থেকে বের করে দেয়া হবে ভবিষ্যতে।
বাংলাীদের পাসপোর্টে যখন দ: আফ্রিকা ভ্রমণ নিষিদ্ধ ছিলো, তখন থেকেই বাংগালীরা দ: আফ্রিকা যাওয়ার শুরু করেছিলো; তারা সেখানে ব্যবসা করেছে, কাজ করেছে, বিয়ে করেছে। এখন সুযোগ পেলে ইসরায়েল যাবে, কাজ করবে; কেহ আমাদের ফরেন মিনিষ্টারের অনুমতির জন্য অপেক্ষা করবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০২১ সকাল ৭:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


