
বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিননের মাঝে কি ব্যবসায়িক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কো-অপারেশন, নাগরিক সার্ভিস বিদ্যমান যে, ফিলিস্তিনের একটা দুতাবাস থাকতে হবে ঢাকায়? গাজা ও পশ্চিম তীরের শতকরা ৮০ জন মানুষ গরীব, গড়ে ৫০ ভাগ মানুষের চাকুরী নেই, এরা রেডক্রস ও অন্য দেশের রিলিফের উপর নির্ভরশীল; সেই অবস্হায়, তারা ডলারে বেতন দিয়ে ঢাকায় কি কারণে দুতাবাস চালাচ্ছে?
বাংলাদেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে; ২ দেশের মাঝে কোন ব্যবসা বাণিজ্য নেই, নাগরিকদের যাওয়া আসা নেই বললেই চলে; এই পরিস্হিতিতে তারা অন্য কোন দুতাবাসের সাহায্য একটি পাবলিক রিলেশন এটাচী ঢাকায় রাখলে পারে; কিংবা অন্য দেশের দুতাবাস ফিলিস্তিনকে বাংলাদেশে রিপ্রেজেন্ট করতে পারে; কি জন্য গরীব ফিলিস্তিনীদের মুখের খাবারের ডলারগুলো ব্যয় করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ায় তারা দুতাবস চালাচ্ছে? হামাস ও পিএলও'র লোকদের মাথায় মগজ আছে?
গাজার বাবারা দাসের মতো লাইন ধরে, সিকিউরিটি চেকের পর, ইসরায়েলে দৈনিক কামলা দিতে যায়; সন্ধ্যার আগে ইসরায়েল ত্যাগ করতে হয়, না'হয়, কাযজের পাশ কেড়ে নেয় ইসরায়েল; এদের সন্তানরা সারাদিন অপেক্ষা করে কখন বাবা ফিরে আসবে। এখন সেই কাজও কয়েক মাস থাকবে না; এই ফিলিস্তিনের উচিত সব মুসলিম দেশে দুতাবাস রাখা?
বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেয়ার বাইরে অন্য কোন প্রকারে কি ফিলিস্তিনকে সাহায্য করতে পারবে? বাংলাদেশের সেই ক্ষমতা আছে? বাংলাদেশ কোনভাবে কি ফিলিস্তিনের বিরোধীতা করবে কোনদিন যে, সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য ১ টা দুতাবাস রাখতে হবে? তা'হলে, বাংলাদেশে ১ টা দুতাবাস রেখে এভাবে গরীব জনতার রিলিফের টাকাগুলো খরচ করার ভালো কারণ আপনারা কারা কারা দেখছেন, তারা একটু ব্যাখ্যা করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


