
আগামীকাল আফগানিস্তান থেকে উইথড্র'এর শেষদিন! এই ডেডলাইন কে দিয়েছে? কেন এইদিনটি দেয়া হলো? ডেডলাইনটি দিয়েছেন বাইডেনের টিম; কিন্তু উইথড্রতে ডেডলাইন কেন দেয়া হয়েছে, আমেরিকানরা কিছুতেই বুঝতে পারছে না; গত কয়েক সপ্তাহ কেন এই ধরণের ফ্লাইট চালিয়ে মানুষকে কাবুল থেকে বের করা হলো? সঠিক প্ল্যান করে, তাদেরকে স্বাভাবিকভাবে ২/৩ মাস সময় নিয়ে কেন আনা হলো না? আগামীকালের ভেতর যদি সবাইকে আনা সম্ভব না'হয়, যারা থেকে যাবে তাদের কি হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর আমেরিকানরা পাচ্ছেন না। বাইডেন ও তার টিম বিবিধ ব্যাখ্যা দিচ্ছে, কিন্তু ব্যাখ্যাগুলো সন্তোষজনক নয়, মানুষ হতাশ হচ্ছে।
এয়ারপোর্টে মানুষকে আসতে দিচ্ছে না তালেবান ও অন্যান্য জংগীরা; এয়ারপোর্টের বাহিরে আমেরিকান সৈন্যদের কন্ট্রোল নেই। অনেক আমেরিকান নাগরিক তালেবানদের নিজেদের ডকুমেন্ট দেখাতে চাচ্ছে না, এরা ভয়ে এয়ারপোর্টে আসছে না; এরা আটকা পড়বে।
করোনা নিয়ে হতাশা এখন আকাশচুম্বী, দৈনিক সংক্রমণ গড়ে ১ লাখ ৭০ হাজার, এখন হাসপাতালে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশী করোনা রোগী। স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটি খোলা নিয়ে বিবিধ রাজ্য বিবিধ নিয়ম কানুন অনুসরণ করছে, এবং সরকার থেকে বিপুল পরিমান টাকা দাবী করছে: কেহ কেহ মাস্কের বিপক্ষে, কেহ পক্ষে; এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
চাকুরীর প্যাটার্ণ বদলে গেছে, বাড়ী থেকে যারা কাজ করছে, তাদের কাজের প্রোডাক্টিবিটি খুবই কম; এতে করে দেশ দরকারী পরিমাণ দ্রব্য ম্যানুফেকচার করতে পারছে না, জিনিষপত্রের মুল্য বেড়ে গেছে; কিন্তু পারিবারিক আয় কমে গেছে; নারীরা নিজেদের বাচ্চা দেখার কারণে, অর্ধেক নারীর চাকুরী নেই। এদিকে অনেক রাজ্যে প্রায় শতকরা ৬০ ভাগ কর্মচারীর আয়কর মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। করোনার সময়ে, মানুষের নৈতিক অধপতন ঘটেছে, অনেকেই আইনের সুযোগ নিয়ে সামর্থ থাকাসত্বেও বাড়ীভাড়া দেয়নি, এতে বাড়ীর মালিকেরা ব্যাংকের মর্টগেজ দিচ্ছে না, সরকারের ঘাঁড়ে তুলে দেয়া হচ্চে এসব। সরকার চিন্তিত হচ্ছে, মানুষের হতাশা বাড়ছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


