somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রশ্নফাঁস-মন্ত্রী নাহিদ সাহেবের ষ্টুডেন্ট-ডাটাবেইজ

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



করোনার কারণে দেড় বছর স্কুল বন্ধ রাখার কারণে কত ছাত্র ঝরে পড়েছে, ওরা কোথায় যাবে, ওদেরকে স্কুলে ফিরিয়ে আনা কি সম্ভব? যেসব পরিবার দারিদ্রতায় পড়ে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর ছেড়েছে; তাদের বাচ্চারা গ্রামের স্কুলে যাবে?

শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ 'প্রশ্নফাঁস'এর জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন, সন্দেহ নেই; তিনি ছোট্ট এই সমস্যাটির সমাধান বের করতে পারেননি, হতবাক হওয়ার মতো কথা, জাতির ভয়ংকর ক্ষতি হয়েছে! তবে, উনি একটা দরকারী কাজ করে গেছেন, ছাত্রদের দরকারী তথ্য সম্বলিত একটি ডাটাবেইজ রেখে গেছেন; আমি ডাটাবেইজটি সম্পর্কে পুরোপুরি জানি না, অনুমান করছি যে, উহাতে ছাত্রদের ও তাদের পরিবার সম্পর্কে দরকারী তথ্য আছে, যা দ্বারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছাত্র ও ছাত্রের পরিবারকে বুঝতে পারার কথা, ও সেই তথ্যানুসারে জাতির শিক্ষা ও চাকুরীর জন্য প্ল্যান করতে পারার কথা।

মন্ত্রী মুহিত সেই ডাটাবেইজের তথ্য কাজে লাগাতে পেরেছিলেন কিনা, বলা মুশকিল; কারণ, তিনি কখনো ইহা নিয়ে আলোচনা করেননি, এবং দেশের শিক্ষার মান ইত্যাদি প্রমাণ করছে যে, তিনি ইহার ব্যবহার হয়তো জানতেন না। উনি চলে যাবার সাথে সাথে কি ডাটাবেইজটারও মৃত্যু হলো? সংবাদে মংবাদে ইহার কোন খোঁজখবর নেই।

উনার পরে এখন যিনি এসেছেন, মন্ত্রী দীপুমনি, ইনি আবার এক বিরাট শিক্ষা স্পেশালিষ্ট, যিনি নামে মাত্র ডাক্তারী পড়েছিলেন, কিন্তু আসলে ছিলেন ছাত্রলীগার, কুল-পেয়ারার রাজনীতিবিদ। উনি মন্ত্রী নাহিদের ডাটাবেইজটা উত্তারিকারসুত্রে পেয়েছেন; যদি তিনি ইহাকে কাজে লাগাতে পারেন, ছাত্ররা অনেকভাবে উপকৃত হবে ও জাতির শিক্ষা-ব্যবস্হার মান সম্পর্কে মন্ত্রী নিজে সঠিক কিছু চিত্র পাবেন।

আমাদের জাতির শিক্ষাসম্পর্কে আমরা সঠিক তথ্য কোনভাবেই জানতে পারি না; এসব ব্যাপারে বাংগালীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। স্কুল আছে, বাবার সামর্থ থাকলে স্কুলে যাও, না'হয় গোল্লায় যাও, এই হলো সরকারী ও সামাজিক নিয়ম।

সরকার আগে কখনো সঠিকভাবে জানতো না যে, কত শিশু স্কুলে যাচ্ছে, কতজন যাচ্ছেনা, কতজন কোন শ্রেণী থেকে ঝরে যাচ্ছে, কতজন ফেল করছে, কত জনের বাবা নেই, কতজন বস্তিতে বাস করছে। নাহিদ এই তথ্যগুলো সংগ্রহের ব্যবস্হা করেছিলো। দীপুমনি চাইলে ইহাকে কাজে লাগাতে পারে।

নাহিদের ডাটাবেইজটাকে কাজে লাগিয়ে ঝরে যাওয়া ছাত্রদেরকে ১ দিনের মাঝে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে, পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে, পরিবারের অবস্হা ও অবস্হান জানাও সম্ভব।







সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৪
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোন সুস্পষ্ট প্রমাণের সাথে মতভেদ মহাশাস্তির (জাহান্নাম) কারণ?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৫



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শীতার্ত একটি শিশু ও দুটি কুকুর

লিখেছেন ইসিয়াক, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২


রাত বাড়ে যত তাপমাত্রা নামে তত,
পা ফাটে, ঠোঁট ফাটে গভীর হয় ক্ষত।

একটা শিশু কাঁপছে শীতে ছাতিম গাছটার নীচে।
দুটো কুকুর গা ঘেঁষাঘেসি করে তাকে ছুঁয়ে আছে।

শীতার্ত সবাই তারা,সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাবার কালো পাথর ছিনতাই

লিখেছেন কিরকুট, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৮

ধর্মীয় ইতিহাস নিয়ে কথা বললেই অনেকের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করে। কারণ আমরা প্রায়ই ধর্মকে দেখতে চাই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে, ইতিহাসের ঊর্ধ্বে। কিন্তু বাস্তবতা হলো ধর্মের ইতিহাসও মানুষই তৈরি করেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিব হল → ওসমান হাদি হল: নতুন বাংলাদেশের শুরু ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে ডাকসু নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মের শুভেচ্ছা হে রিদ্ধী প্রিয়া

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০১



জন্মের শুভেচ্ছা নিও হাজার ফুলের
শৌরভে হে রিদ্ধী প্রিয়া, তোমার সময়
কাটুক আনন্দে চির।স্মৃতির সঞ্চয়
তোমার নিখাঁদ থাক সারাটা জীবন।
শোভাতে বিমুগ্ধ আমি তোমার চুলের
যখন ওগুলো দোলে চিত্তাকর্ষ হয়
তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×