যুদ্ধে কাবা শরিফ ধংশ হয়েছিল ৬৮৩ সালে। তখন মুসলমানরা ধৈর্য্য ধরেছিল।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মুহাম্মদ (সঃ) এর বিরুদ্ধে কটুক্তি করায় মুসলমানরা সহিংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এ যাবত কাবা শরীফের ব্লাক ষ্টোন অনেক বার চুরি হয়েছে। আল্লাহ তা ফিরিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ কাবা শরীফ রক্ষা করবেন কেয়ামত পর্যন্ত। ইহুদি বা খ্রিষ্টানরা কাবা শরীফ দখল বা ক্ষতি করতে পারবে না। মুহাম্মদ (সঃ) এর মর্যাদাও কাবা শরীফের মত অক্ষুন্ন থাকবে।
উমাইয়া সেনাপতি আল হাজ্জাজ বিন ইউসুফ মক্কা দখল করে কাবা শরীফ ধংশ করে দেন। যুদ্ধ শেষ হলে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান ৬৯৩ সালে কাবা পুনঃনির্মান করেন।
হজ্বের সময় ৯৩০ সালে কারমাটিয়ানরা মক্কা আক্রমন করেন। মক্কার ব্লাক স্টোন হরন করে নিয়ে যায়। সে ব্লাক ষ্টোনের প্রতি চলে অনেক অবমাননা। ইতিহাসে তা লিপিবদ্ধ আছে। আব্বাসিয়রা ৯৫২ সালে তা পুনরুদ্ধার করে কাবা শরীফে পুনস্থাপন করেন।
১৬২৯ সালে বন্যা ও বৃষ্টিতে কাবা শরীফের দেওয়াল ধ্বসে পড়ে। এবং পার্শবর্তী মসজিদও ভেঙ্গে পড়ে। মুরাদের শাসনামলে পাথর দ্বারা পুনরায় নির্মান করা হয়। যার বর্তমান রূপ তিনি দেন।
এত সবের পরও মক্কার মর্যাদা সমুন্নত আছে। আল্লাহ তাআলা কথা দিয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন