এবার যে মুভিটির মুভি হবার কাহিনী নিয়ে এসেছি সেটিকে বলা হয় পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মুভি। নাম "এ বয় এন্ড হিজ এটম।" (A boy and his atom, 2013)
মুভিটির পরিচালক: নিকো ক্যাসওয়েচচিয়া
স্ক্রিপ্ট লেখক: সুসান বমান (গবেষণা), রায়ান ব্লাঙ্ক (কল্পনা) |
কাস্ট: এটম, দ্য বয়।
কাহিনী সংক্ষেপঃ একটি পথভ্রষ্ট পরমাণু ভুল করে একদিন তার গতানুগতিক জীবনের বাইরে অজানা কোথাও চলে আসে এবং সেখানে একটি ছোট ছেলের সাথে তার দেখা হয়। তারা একসাথে খেলাধুলা, নাচগান করে এবং একসময় তারা ভাল বন্ধু হয়ে যায়।
২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই মুভিটির আইএমডিবি রেটিং ৬.৮। দেখতে সাদাকালো মনে হলেও মুভিটি রঙ্গিন ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত এবং এটি আক্ষরিক অর্থেই, বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সিনেমা। এটা তৈরি করা হয় পরমাণুদের দ্বারা- মহাবিশ্বের যে কোনও উপাদানের সবচে ক্ষুদ্র কণিকার একক। এটিকে পৃথিবীর সবচে ক্ষুদ্রাকার এবং সবচে স্বল্পদৈর্ঘ্যর মুভিও বলা হয়। মুভিতে ২টি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোট ১২ জন ‘নবাগত’ কার্বন মনোক্সাইড পরমাণু, যাদেরকে ১ মিলিয়ন ক্যান্ডিডেটের মধ্য থেকে ‘অডিশনের’ মাধ্যমে সিলেক্ট করা হয়েছে। ছবিটির শ্যুটিং করা হয়েছিল একটি ST মাইক্রোস্কোপের প্লেটে, যা আজও পৃথিবীর সবচে ক্ষুদ্র মুভি সেট। ছবিটি ধারণ করা ২টি STM বা স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপের সাহায্য নিয়ে।
মুভিটির ইউটিউব লিংকঃ https://www.youtube.com/watch?v=j7tJ-2qS0HM
মুভি হবার কাহিনী ইউটিউব ভিডিওঃ https://www.youtube.com/watch?v=Jm0SuFE3mV8


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


