ধর্ম নিয়ে যাদের এলার্জি আছে তাদের প্রবেশ না করাই উত্তম-
কোটিপতি বাবার মৃত্যুর পর দাফনেও অনাগ্রহ সন্তানদের! / কটিপতি বাবার লাশ দাফন করল আঞ্জুমান মফিদুল !!! শিরোনামের নিউজটি বেশ ভাইরাল ফেসবুক ওয়ালে। এখানে বিভিন্নজন বিভিন্ন মন্তব্য করছেন- যার মধ্যে অন্যতম উনি উনার সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা দেন নাই। আরে ভাই কেও কি আর কম চেষ্টা করে তার সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা দিতে। ঐ সন্তানের মা ও স্কুল ব্যাগ কাধে নিয়ে স্কুলে গেছেন, অধির আগ্রহে দাড়িয়ে থেকেছেন বাচ্চা কখন স্কুল থেকে বের হবে। বাচ্চার বাবাও হয়তো অফিসের কাজ বাদ দিয়ে স্কুল গেটে দাড়িয়ে থেকেছেন, ছেলেদের সাফল্যে উল্লাসিত হয়েছেন, অর্থও ব্যয় করেছেন ছেলেদের সাফল্যে। বরং অনেক বেশীই চেষ্টা করছেন জীবনে নৈতিক শিক্ষা দেয়ার। কিন্তু ফলাফল আসে ভিন্ন সব সময়ই এদের ক্ষেত্রে।
কোরানের তাফসির থেকে জানায় যায়- যারা অবৈধ পথে অর্থ উপর্যন করবে তাদের কয়েক ভাবে আল্লাহ শাস্তি প্রদান করেন যার মধ্যে অন্যতম তাদের পরিবার পরিজনকে তাদের পেছনে লাগিয়ে দেন। আমি আমার দেখা তিনটা ঘটনা শেয়ার করছি মাত্র-
# চাকরীর সুবাদে ঈশ্বরদিতে- বাসা হিসেবে আমি সর্বদায় নিরিবিলি পরিবেশ পচ্ছন্দ করি। তাই নিরিবিলি দেখে বাসা দেখতে গিয়ে রেলওয়ে কোলনিতে একটি বাসার সন্ধান পেলাম। সূত্র বাড়ির মালিকের শ্যালক বা শালা। ভদ্র লোক রেলের বড়বাবু ছিলেন। (বড় বাবু বলতে সম্ভবত ষ্টেশন মাষ্টারকে বোঝানো হয়।) ছেলে আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত আর মেয়ে কানাডায় প্রতিষ্ঠিত। ছেলে সর্বশেষ দেশে এসেছিল বছর তিন আগে আর মেয়ে কবে এসেছে জানা যায়নি। স্ত্রী প্রায়ত। তিন প্যারালাইসিস হয়ে সাভার সিআরপিতে আছেন গত দুই বছর। ছেলে টাকা পাঠায় যা দিয়ে তার চিকিৎসা চলে এবং একজন নিয়মিত লোক রাখা আছে যে তার অষুধপত্র আনানেয়া থেকে অন্যান্য কাজ করেন। তার সৌভাগ্য যে ছেলেরা অনন্ত টাকা দেন চিকিৎসার জন্য।
# কাস্টমস এর কর্মর্তা; দুই হাতে কামিয়েছেন জীবনে। মেয়ে কানাডায় পড়া লেখা করেন আর আর ছেলে অষ্ট্রেলিয়ায় ডাক্টার। ছেলের সাথে দেখা সর্বশেষ ৭বছর আগে আর মেয়ের সঙ্গে ৫বছর। মেয়ে যখন টাকার দরকার তখনই বাবাকে ফোন করে আহলাদে গদগদ হয়ে যায় অন্যসময় ফোন করে খোজ খবরও নেন না। বা তার মা কেমন আছে জিঙ্গেস করারও প্রয়োজন মনে করে না। আর ছেলে বিয়ের পর আর বাবার ধারধারে না। সোজাসাপটা কথা, আমার বাবা আমাকে বড় করেছে আমিও আমার সন্তানদের বড় করব এই তো, আর কি!! উনি উনার দায়িত্ব পালন করেছেন আমিও আমার দায়িত্ব পালন করব আমার সন্তানদের বড় করে। উন্নতে দেশে বাবা মা আশ্রমে থাকে না তারা তো বাবা মায়ের খোজ নেয় না আমি কেন নিব। দারুন অনুভূতি!!!!
# ইনি কাস্টমস এর এএসআই- ব্যাংকে টাকার অভাব নাই প্রতিমাসে ৩লাখ করে ডিপোজিট। দুই ছেলে একজন মাদকাশক্ত আরেকজন নারী আশক্ত সাথে ইয়াবা খোরও। কোন রাখঢাক নেই তাদের। দুই ছেলেই প্রতি সপ্তাহে বাবার কাছে টাকা ডিমন্ড দেন এবং বাবা সেটি যোগার করতে বাধ্য। না হলেই ভাংচুর চলে বাবাকে মারতে যায়।
এরকম অসংখ্য ঘটনা ঘটে চলে আমাদের চোখের সামনেই। তারপরও আমাদের শিক্ষা হয় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


