somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্লে ডল
কান্না হাসির এই খেলা ঘরে।আমি এক জীবন্ত মাটির পুতুল।সব খেলা সাঙ্গ হবে একদিন।অপূর্ণ স্বপ্নদের কাকুতি থেমে যাবে।মায়ার পৃথিবীর সাথে হবে চির ছাড়াছাড়ি।

প্রতিটি মানুষের অবচেতন মন ঈশ্বরের উপর নির্ভর করে চলে

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



স্বপ্নেরা কখনো বিবাগী হয় না। বুকের ভিতরেই শক্তপোক্ত ভীত করে বাড়ী বানিয়ে, বংশ পরম্পরায় বসবাস করতে থাকে। হয়ত কোন স্বপ্ন আহত হয়,ল্যাংড়া হয়,অন্ধ হয়,জটিল রোগাক্রান্ত হয়, কোনটা সংশয়ের উপত্যকায় ঘুরে বেড়ায়, আবার কোন স্বপ্ন বেঁচে থাকার যুদ্ধে হেরে গিয়ে অকালেই মারা যায়।কোনটা জীবিত থাকে সুস্থভাবে বছরের পর বছর। শেষ নিঃশ্বাসের পূর্বমুহূর্ত অবধি।

স্বপ্নের শক্তিও কিছু কম নয়। একটা দিনের নিয়তি যদি হয় নির্জলা উপবাস। কোরমা পোলাওয়ের স্বপ্নে রাতটা দিব্যি কাটিয়ে দেওয়া যায়।

মানুষ বেঁচে থাকলে আশা জাগেই। স্বপ্ন দেখতেই হয়। রঙিন স্বপ্ন। কারণ স্বপ্নের রঙ কখনো সাদাকালো হয় না।
আমি যখন ৯-১০ এ পড়ি।“ সংসার সাগর দুঃখ তরঙ্গের খেলা,আশা তার একমাত্র ভেলা” এই বাক্যটার ভাব-সম্প্রসারণ পরীক্ষায় খুব আসত। আমিও খাতায় মুখস্ত লিখে আসতাম। নাম্বারও পেতাম ভালো। তখন শুধু সম্প্রসারণই করে গেছি। ভাব বুঝিনি। এখন হয়ত বাক্যটার ভাব বুঝি। কিছুটা উপলব্ধি করতে পারি।

আমি স্বপ্নের পিছনে ছুটি।স্বপ্নকে সাফল্যের ফ্রেমে বন্দী করতে চাই। কোনটা বন্দী হয়। কোনটা পালিয়ে যায়। বুকের পাঁজরে একের পর এক নতুন স্বপ্নের পদধ্বনি শুনি। স্বপ্নের পিছনে আমি ছুটতে পারি, শ্রম দিতে পারি। সফলতাকে ধরার আগ মূহুর্তপর্যন্ত, ধরতে পারব কি,পারব না সেই অনিশ্চয়তাটুকু টপকাতে পারি না শুধু। জগতের কেউই পারেনা। সে অনিশ্চয়তার নিয়ন্ত্রণ যে অন্য কারো হাতে। আমি জানি। বুঝি। সে নিয়ন্ত্রণ আমার হাতে নেই। তবু স্বপ্ন দেখি। বেখায়ালী মনেই অনিশ্চয়তার বুকে জাল ফেলি। অবচেতনই কি সেই অনিশ্চয়তাকে যিনি নিয়ন্ত্রণ করেন তাঁর উপর নির্ভর করি আমি?

স্বপ্নের শেকড়ে তুমি রয়েছ প্রভু, আমি জানতে ত পারিনি
হতাশার গল্পে মগ্ন পাঠক হয়েছি, ভরসার কবিতা ত পড়িনি!
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:১৬
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জগন্নাথবাসীগণ, আমার কথা শুনছেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

জগন্নাথবাসীগণ,
আপনাদের গরু কোরবানি যদি হযরত জাবের (রাঃ)-এর মতো
নবীজীর সম্মানে হয়ে থাকে, তাহলে মোবারকবাদ।
আর, শুধু প্রতিবাদ দেখাতে একটি অবলা পশুকে হত্যা করে থাকলে,
তার জন্যে খোদার দরবারে বিচার দিলাম।
...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×