১।
আবুল কে তার
ম্যাডাম প্রশ্ন
করছে:
ম্যাম :
বলোতো কোন
জিনিসটি গরুর
৪টা আছে
কিন্তু আমার ২টা?
আবুল : পা।
ম্যাম :
বলো তো ওই
জিনিসটা কি,
যেটা তোমার
প্যান্টের ভেতর
আছে
কিন্তু আমার
পেটিকোটের
ভেতরে নাই?
আবুল : পকেট।
ম্যাম :
বলো তো ওই
জিনিসটা কি যা দিনের
বেলায় নেয়ার
চেয়ে রাতের
বেলা নিলে আরাম
আর
স্যাটিসফ্যাকশন
পাওয়া যায়?
আবুল : রেস্ট
ম্যাডাম।
ম্যাম :
বলোতো আবুল
ওইটা কি যা মেয়েরা ফাস্ট
টাইম করার সময়
চিল্লায়?
আবুল : ম্যাম কান
ফোড়ানো।
ম্যাম : বল
তো আবুল ওই
জিনিসটা কি যা অর্ধেক
গেলে মেয়েরা ব্যাথা পায়
কিন্তু
পুরোটা ঢুকলে আরাম
পায়,
ভালো লাগে?
আবুল : ম্যাডাম
হাতে চুড়ি ঢুকাইলে।
ম্যাম : শেষ
প্রশ্ন,বলতো আবুল
ওইটা কি যা,
যার
কাছে আছে সে হাতে নিয়ে করে আর
যার
কাছে নাই
সে আঙ্গুল
দিয়ে নাড়াচাড়া করে?
আবুল : টুথ ব্রাশ
ম্যাম।
থিঙ্ক পজিটিভ
দেখছেন আবুল
যে ভালো হয়ে গেছে। আপনারা যদি অন্যকিছ ভাইভা থাকেন তাহলে বালা অইয়া যান।
২। এক
পোলা গেছে হোটেলে মোগলাই
খাইতে কিন্তু
নাম
জানেনা......
ওয়েটার :
কি খাইবা মামা ?
ছেলে : ( ঠিকমত
নাম
জানেনা তাই
চুপ)
ডানে বায়ে তাকায়...
ওয়েটার :
কি হইল মামাহ ?
ছেলে :
(পাশে একজন
মোগলাই
অর্ডার দিসে ,
কিন্তু
ভালো মত
শুনতে পায়নি )
মংগলবার
দে
ওয়েটার :
মঙ্গলবার কিহ ?
ছেলে :
আরে বেডা ডিম
আর
ময়দা মাইখা বড়
বড়
পুরি বানায়
ওয়েটার :
মোগলাই ?
ছেলে :হ
ঐডাই
ওয়েটার :
আগে কইবেন তো?
ছেলে : আমিত
কইছি । তুই
বুঝস নাই
হালা
ওয়েটার :
আপনে কইলেন
মঙ্গলবার দে
ছেলে :
একিতো বেডা!
বিদেশে ঐটারে মঙ্গলবার
কয়
৩।
দুই
মেয়ে দাবা খেলতেছে.
মেয়ে ১ : বাদ
দে yaar, আর খেলব
না.
মেয়ে ২ : ঠিক
আছে. তোর তো শুধু
একটা হাতি বেঁচে আছে আর
আমার
একটা ঘোড়া
(হাসবেন
না প্লিজ
জোকস এখনো শেষ
হয় নি)
এমন সময়
একটা ছেলে আসল.
ছেলে : চল
দাবা খেলি.
২ জন মেয়ে :
না না তুমি তো জিতবা-
ই.
ছেলে :
তাহলে তোমরা দুইজন
আমি একা.
২ জন মেয়ে :
তাও
তুমি আমাদের
সহজে হারিয়ে দেবে.
ছেলে :
তাহলে এক কাজ
করি আমি বা-
হাতে খেলব আর
তোমরা ডানহাতে.
২ জন
মেয়ে(অনেকক্ষণ
চিন্তা করে মনে মনে অনেক
খুশি হয়ে) :
ঠিক আছে.
(হাসবেন
না প্লিজ, জোকস
আবি বাকি হে দোস্ত)
তারপর
যা হওয়া উচিত
ছিল ঠিক তা-ই
হল কোন
ব্যতিক্রম হল না.
মেয়েরা পাঁচ
মিনিটের মধ্যেই
ছেলেটার
কাছে হেরে গেল.
তারপর
ছেলেটি চলে গেল.
মেয়ে ১ :
দেখলি ছেলেটা বা হাতে খেলেই
আমাদের
হারিয়ে দিল!!!
মেয়ে ২(কিছুক্ষণ
চিন্তা ভাবনা করে)
:
ছেলেটা নিশ্চয়
আমাদের
বোকা বানিয়ে গেছে.
মেয়ে ১ :
কীভাবে??
মেয়ে ২ :
ছেলেটা নিশ্চয়
বা-হাতি .
মেয়ে ১ :
ইসসস!!
ছেলেটা কি বাটপার!!
ছেলেরা আসলেই
প্রতারক.
লুল রে লুল...
পাগল এই
মেয়ে সমাজ।
৪।
ফেসবুকে আসক্ত
একটি মেয়ে কলেজে গেলো ভর্তি হবার
জন্য...
.
.
টিচারঃ নাম কি.?
.
মেয়েঃ এঞ্জেল জেরিন
রেহমান।
.
টিচারঃ এটা ফেসবুক না, কলেজ।
আসল নাম বলো।
.
মেয়েঃ সরি স্যার। মোসা:
জরিনা খাতুন ।
.
টিচারঃ বয়স কত?
.
মেয়েঃ ১৫ বছর।
.
টিচারঃ বেয়াদব! এটা ফেসবুক
না।
.
মেয়েঃ সরি স্যার। বয়স ১৮ বছর।
.
টিচারঃ পরিবার সদস্য কত?
.
মেয়েঃ আপাতত ৪৮ জন আছে।
অনেক গুলো ঝুলে আছে।
সেগুলো নিয়ে ৬০-৭০ জন মত হবেই।
.
টিচারঃ বেয়াদব! এটা কলেজ!
.
মেয়েঃ সরি স্যার!
পরিবারে মোট ৪ জন।
.
টিচারঃ বৈবাহিক সম্পর্ক?
.
মেয়েঃ সিঙ্গেল।
.
টিচারঃ তোমার মা যে বলল,
তুমি বিবাহিত?
.
মেয়েঃ ও! হ্যা স্যার।
আমি বিবাহিত। কিন্তু
ফেসবুকে এখন পর্যন্ত সিঙ্গেল।
৫।
যখন সানি ছোট বাচ্চা ছিল একদিন সানির
মা সানিকে বলল- বেটি দুধ খেয়ে নাও।
সানি- না মা আমি দুধ খাবো না, আমার
ভালো লাগে না।
মা- যদি দুধ না খাও তবে বড় কি করে হবে ?
সানি- মা তোমার ও তো দুধ পছন্দ নয়, তাও
তো তুমি বড় হয়েছ। তাহলে
আমি ও খাবো না আমি ও বড় হয়ে যাবো।
মা- ভালো মেয়েরা জিদ করে না, তুমি যদি আমার
ভালো মেয়ে হয় তাহলে দুধ খেয়ে নাও।
না হলে আমি রেগে যাবো।
সানি – ঠিক আছে মা তুমি যখন বলছ
তাহলে আমি দুধ খেয়ে নিচ্ছি।
আর এই ভাবে সানি লিওন বড় হয়ে গেলো।
পোষ্টের শেষ পর্যন্ত কত মনোযোগ দিয়ে সবাই
পড়ল কখন ননভেজ শুরু হবে।
আরে পাজি গুলো, চিন্তা ভাবনা বদলাও
তবে তো ১৬ তারিখ দেশ বদলাবে।
একটু পজিটিভ চিন্তা করলেই একটা ভালো জোকস্ তৈরী করা সম্ভব।
৬।
একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।
পাত্রীর বাবা ঘটকের
কাছে জানতে চাইলেন
ছেলে কী করে?
ঘটকঃ ছেলে ফেসবুক চালায়।
পাত্রীর বাবাঃ বাস চালায়,
ট্রাক চালায়,
কিংবা রিক্সা চালায় শুনেছি,
কিন্তু ফেসবুক চালায় এই
কথা তো আগে কখনো শুনি নি!
ঘটকঃ সারাদিন ফেসবুকে সময়
কাটায়, ফেসবুক নিয়ে সবসময়
ব্যস্ত থাকে।
পাশে বসা পাত্রীর ছোট বোন
বলে উঠলোঃ বাবা ও
তুমি বুঝবে না!
ছোট বোনঃ ঘটক সাহেব,
আপনি কি উনার
আইডি নামটা জানেন? আমি একটু
দেখতাম।
ঘটকঃ জানি মানে!
ছেলে তো আমার ফ্রেন্ড
লিস্টেই আছে,
তুমি দেখতে চাইলে দেখতে পারো।
ছোট বোন ঘটক
থেকে মোবাইলটা নিয়ে ছেলের
আইডি দেখতে লাগলো। অনেক
রকমের
পোস্ট করে সারাদিন কিন্তু
লাইক
পড়ে মাত্র ২ থেকে ৩ টা।
ছোট বোনঃ ঘটক সাহেব, না এই
পাত্র আমাদের চলবে না, কারণ
তাকে কেউ লাইক করে না। তার
পোস্টে লাইক
না করা মানে দাঁড়ালো তাকে কেউ
লাইক করে না!
ঘটকঃ আরে মা,
ছেলে হয়তো কারো পোস্টে লাইক
দেয় না। তাই হয়তো তার
পোস্টগুলো খালি পড়ে থাকে।
ছোট বোনঃ লাইক
না দেওয়া মানে এক
ধরণের কৃপণতা! আমার
বোনকে কখনোই
কৃপণের কাছে বিয়ে দেব না।
এবার আপনারাই ঠিক করুন
কি করবেন?
জোকস্ গুলো পড়ে আমার এই পেজে লাইক না দিলে আপনাদেরও বিয়ে হবে না কিন্তু।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



