somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ অহেতুক

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ক্লাস রুমে ব্রেঞ্চের উপর জানালার ধারে বসে ছিলাম। আর তাকিয়ে ছিলাম খোলা জানালার বাহিরে। জানালার বাহিরে ছিল এক কৃষ্ণচূড়ার গাছ। আর ঐ মূহুর্তে গাছটিতে ৮-১০ টি কাকের ভির জমেছিল। আমি তাদেরকেই দেখছিলাম প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে। কারন, ক্লাসে স্যার ছিল না আর ঘণ্টা খানেকের মধ্যে আসার কোন সম্ভাবনাও ছিল না। যেহেতু ক্লাসে স্যার ছিল না আর ঘন্টা খানেকের মধ্যে আসার কোন সম্ভাবনাও ছিল না , সেহেতু আমাকে শিক্ষা দেওয়ার মানুষও ছিল না। তাই আমি কাকগুলোর কাছ থেকে শিখছিলাম। শিক্ষানিচ্ছিলাম নতুন এক ভাষার সমন্ধে। যে ভাষার নাম ‘প্রকৃতির ভাষা’। জ্ঞান অর্জন করতে চেষ্টা করছিলাম এমন বিষয়ে যা শুধু প্রকৃতিই জানে। আর আমার মত এমন জ্ঞান পিপাসু মানুষের কাছে এর চাইতে বড় আন্দের কাজ আর কী হতে পারে।
তবে ক্লাসের অবসরে কাকদের মহান শিক্ষাগুরু বানানোর পেছনে আর একটি কারনও আছে। আর তা হলো “আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে ততটা তৃপ্তি পাই না যতটা তৃপ্তি পাই ঐ কৃষ্ণচূড়ার গাছ আর কাকগুলোকে দেখে”। আর এর এক মাত্র কারন হল আমি প্রকৃতির ভাষা শিখতে চাই। জানতে চাই প্রকৃতি কি বলে। কি শিক্ষা দেয়। কি জানে যা মানুষ জানে না! তাই প্রকৃতিই আমার সব। আমার স্বপ্নের শুরু আর আমার স্বপ্নের শেষ। সবটা জুড়েই আমি খুজে ফিরি সেই প্রকৃতিকে। প্রকৃতির ভাষাকে। যা মিশে আছে আমার পরিবেশে। আমার চারপাশে। আমার অস্তিত্ত জুড়ে।
হা হা হা। এ তথ্য জানার পর হয়তো অনেকেই আমাকে পাগল ভাবতে পারেন। কারন, সবাই তাই ভাবে। এমনকি আমার বাবা-মা, আমার বন্ধুরা এবং আমার গুরুজনেরাও। সবাই, হা হা হা।
তো যাই হোক। স্বঘোসিত পাগল মানুষটি, অর্থ্যাৎ আমি তখন ৪ তলার উপর অবস্থান করছিলাম। তাই এটা বললে ভুল হবে না যে, আমি কৃষ্ণচূড়ার গাছটির প্রায় শীর্ষ বরাবর অবস্থান করছিলাম। আমি খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছিলাম সেই গাছটিকে, কাকগুলকে। আমার মন দিয়ে, আমার প্রান দিয়ে, আমার চোখ দিয়ে। কিন্তু, আমার কান? আমার কান ঐ রুমের মধ্যেই ছিল। আর সেই কর্ণ জোড়া দিয়ে আমি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম যে, আমাকে নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে, আর সেখানে আমাকে ‘পাগল’ নাম করণের মাধ্যমে সম্মানীত করা হচ্ছে। তবে সেটা মোটেও আমার বিরক্তির কারন নয়। আমার বিরক্তির কারন হল – ‘দুইটি ছোট্ট লোহার পাত’। ছোট ছোট লোহার পাতগুলোকে আয়তক্ষেত্রের মত সাজিয়ে জানালার গ্রিলটি তৈরী করা হয়েছে। তারই দুইটি টুকরো আমার দৃষ্টি শক্তি প্রসারিত হতে বাধা দিচ্ছে সেই অনেক্ষন ধরে। যার কারনে আমি মনোযোগ হারিয়ে ফেলেছিলাম। আর শুনতে পাচ্ছিলাম আমার বন্ধুদের গড়া আমারই বিরুদ্ধে অপমান জনক ষড়যন্ত্রের কথা। যেখানে আমাকে পাগল নামে ডাকা হচ্ছিলো। ধুত, আসল কথাই বলছি না। শুধু শুধু বক বক করছি।
এবার আসল কথায় আসি। যখন দেখলাম এ অবস্থাতে আমার কিছুই করার নাই। তখন কী বা করার থাকে। তাই ওই পুচকে পাত গুলোকে জয়ী করে আমি আমার অনিবার্য পরাজয় মেনে নিলাম। আর মনোযোগ ফিরিয়ে এনে প্রসারিত আর কৌতুহলী দৃষ্টিতে তাকালাম ঐ কৃষ্ণচূড়ার গাছটির দিকে। আর বুঝতে চেষ্টা করলাম ‘প্রকৃতির ভাষা’। প্রকৃতির শিক্ষা। প্রকৃতির জ্ঞান।


তখন হালকা বাতাস এসে দোলা দিয়ে যাচ্ছিল গাছটির কচি কচি পাতা আর কাকগুলোর কালো কালো পালক গুলোতে। হঠাৎ, আমি দেখলাম একটি সাস্থ্যবান কাক এসে আমার চোখের ঠিক সামনের ডাল টায় বসলো। তার ঠোটে আমি মুরগীর একটুকরো টাটকা চামড়া দেখতে পেলাম। যে চামড়র টুকরোটি থেকে মুরগীর সাদা সাদা পালকগুলো তখনো ছাড়ানো হয়নি। আর সে কারনেই সেই সাদা সাদা সুদর্সন পালক গুলো রক্তের ফোটায় লাল হয়ে গিয়েছে। রক্তের ফোটাগুলো তখনও শুকোয়নি। তাই বুঝতে পারলাম যে ঐ চামড়াটি কিছুক্ষণ আগেই হতভাগা মুরগীর দেহ থেকে ছাড়ানো হয়েছিল। অর্থ্যাৎ, চামড়াটি ছিল সতেজ টাটকা মুরগীর একটুকরো টাটকা মহামুল্যবান চামড়া। এখন হয়েছে। চামড়ার এত গুনগান গাওয়ার দরকার কি? আসল ঘটনা বলি।
আমি দেখলাম কাকটি তার ধারালো নখ আর আঙ্গুলগুলোর সাহায্যে ঐ চামড়ার টুকরোটি ডাল আর তার আঙ্গুলের মাঝখানে শক্ত ভাবে আটকিয়ে নিলো। তারপর ছিড়ে ছিড়ে খেতে শুরু করলো হতভাগা মুরগীর মহামুল্যবান চামড়ার টুকরোটি। আর ঐ গাছে অবস্থানরত আমার অনান্য শিক্ষাগুরুরা বা কাকেরা অসহায় আর ক্ষুদার্থ ফকিরের মত চেয়ে চেয়ে দেখতে লাগলো তার খাওয়ার ভঙ্গি। এবং আমিও। তবে দু-একটি কাক চামড়ার টুকরোটি কেড়ে নেয়ার জন্য তাকে আক্রমন করতে আসলেও সক্ষম হল না। তারা পরাজিত কাপুরুষের মত যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ফিরে গেল। যেমন ভাবে পরাজিত হয়েছিলাম আমি, ঐ লোহার পাতটির কাছে। তবে পার্থক্য একটাই। আমি লোহার পাতটির কাছে নিজে থেকে পরাজিত হয়েছি। আর আমার পরাজিত কাপুরুষ বন্ধুগণ নিজে থেকে পরাজিত হতে রাজি ছিলেন না। তারপরেও পরাজিত হয়েছেন। কারন, সেই বীর পুরুষ কাকটি ছিল মোটা-সোটা আর অত্যান্ত শক্তিশালি।
অবশেষে খাওয়া আর যুদ্ধের পর্ব শেষ হল বীর কাকটির । খাওয়া শেষে সে রাজার ভঙ্গিমায় চারপাশে একবার তাকাল। তারপর আরও একবার। আমি বুঝতে পারলাম রাজার এখন রাণি প্রয়োজন। আর ঠিক সেই কারনেই বুঝি সে তার রাণি নির্বাচনের জন্য চারপাশে আরও একবার তাকাল। তারপর উড়াল দিয়ে পাশের ডালে বসে থাকা অন্য একটি কাকের পাশে গিয়ে বসলো। আমি বুঝতে পারলাম রাজা এই মাত্র তার রাণীর সন্ধান পেল।
রাজা কাকটি রাণী কাকটির কাছে বসার পর ঠোট দিয়ে রাণী কাকটির পালক চুলকে দিতে লাগল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আশ্চর্য রকমভাবে ভাব হয়ে গেল তাদের। ভাব-ভালোবাসার প্রমাণ সরূপ রাণী কাকটিও রাজা কাকটির পালক চুলকে দিতে লাগল। তাদের দেখে মনে হল তারা অতি ঘনিষ্ঠ এবং অতি ঘনিষ্ঠ। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। ভাবলাম, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এত গভির সম্পর্ক গড়া হয়তো কাকদের পক্ষেই সম্ভব। হা হা হা।
এবার ঘটলো আসল ঘটনা। অন্য একটি আগন্তক কাক বা তৃতিয় কাক এসে তাদের দুজনের পাশে বসলো। “তার ঠোটেও একটুকরো মুরগীর চামড়া ছিল”।
এবার আমি এক অবাক করা দৃশ্য দেখলাম। আমি দেখলাম রাণী কাকটি রাজা কাককে ছেরে ঐ আগন্তক কাকটির সাথে যোগ দিল। কারন, ঐ আগন্তুকই এখন আসল রাজা। তার কাছে সম্পদ হিসেবে আছে মহামূল্যবান একটুকরো চামড়া। আর সেই জন্যই আগন্তুক কাকটির সাথে রাণী কাকটির ভাব জমে গেল। তারা একে অপরএর পালক চুলকে দিতে লাগলো।
এবার সেই রাজা কাকটি বুঝতে পারল যে, এখানে বসে থেকে তার কোন কাজ নেই। তাই সে উড়ে গেল এক ডাল থেকে অন্য ডালে, তারপর অন্য ডালে। অবশেষে, সে আর একটি সঙ্গি খুজে পেল।
তবে আমি লক্ষ করলাম, প্রথম অর্থ্যাৎ রাজা কাকটি ছিল বেশ মোটা-সোটা আর শক্তিশালি। এবং আগন্তক কাকটি ছিল বেশ রোগা আর দুর্বল।
ঘটনাটি দেখে আমার হাসি পেল। মুচকি হাসি আর অট্টহাসির মাঝামাঝি রকমের একটি হাসি হাসলাম। আর বুঝতে চেষ্টা করলাম প্রকৃতির ভাষা। তবে প্রকৃতির ভাষা বোঝার আগেই আমি বুঝতে পারলাম ঘটনাটির একটি নিজস্ব ভাষা আছে। সে ভাষা নিরব। অবশ্য প্রকৃতির ভাষাও নিরব। তবে ঘটনাটির ভাষা আমি বুঝতে পারলাম। আমি বুঝতে পারলাম যে ঘটনাটি আমাকে একটি শিক্ষা দিচ্ছে। আর তা হল “যে সম্পর্ক গড়তে যত কম সময় লাগে, সেই সম্পর্ক ভেঙ্গে জেতেও তত কম সময় লাগে”।
ঘটনার ভাষা তো বুঝলাম। কিন্তু, প্রকৃতির ভাষা ? প্রকৃতির ভাষা তো এখনও বুঝলাম না। আমার মাথা পুড়া খারাপ হয়ে গেল। আবার থেকে থেকে মনে হতে লাগলো ঘটনার ভাষাই প্রকৃতির ভাষা নয় তো ? পরবর্তিতে আরও ভেবে বুঝলাম ‘না, ঘটনার ভাষা আর প্রকৃতির ভাষা দুইটি ভিন্ন ভাষা’। তাহলে প্রকৃতি তার নিরব ভাষায় আমাকে কি বলতে চেয়েছে ?
হঠাৎ, আমি এক অবাক করা শব্দ শুনতে পেলাম। আমি শুনতে পেলাম কে যেন আমাকে ডাক দিয়ে বলছে, “কি বুঝলি ? কিছু বুঝলি ?” আমি অবাক হয়ে বললাম, “কে? কে তুমি।” কোথা থেকে যেন শব্দ এল, “আমি প্রকৃতি।” সাথে সাথে আমার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠলো। হৃদপিণ্ডটা মনে হলো টুনটুনি পাখির মত লাফালাফি শুরু করেছে। সত্যি বলতে আমি অনেক ভিতু, লাজুক, ক্ষ্যাত আর ঘোড়ার ডিম মার্কা একটা মানুষ। তাই আমার ক্ষেত্রে এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। অবশেষে নিজেকে খুব কষ্টে শান্ত করে ঠোঁট কাপাতে কাপাতে বোকার মত বললাম, “কিন্তু, তোমাকে দেখতে পাচ্ছি না কেন?” প্রকৃতি হাসতে হাসতে বলল, “তোর চারপাশে যা দেখছিস তার সবটা মিলেই তো আমি রে বোকে। এমনকি তোর মাঝেও আমার বসবাস।” আমার একটু খটকা লাগলো। নিজের দিকে একবার তাকিয়ে ভাবলাম, আমার মাঝেও! প্রকৃতি আবার বলল, “কি বুঝলি ? কিছু বুঝলি ?” আমি অপ্রস্তুত ভাবে বললাম “না! আমি তো কিছুই বুঝলাম না! আমকে কি তুমি দয়া করে বলবে, ঘটনাটির মাধ্যমে তুমি আমাকে কি শিক্ষা দিতে চেয়েছিলে?”
প্রকৃতি বলল, “ঐ ঘটনার মাধ্যমে আমি তোকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলাম যে – “মানুষকে একটি লক্ষ ঠিক করে, তারপর সেই লক্ষ অনুযায়ী এগোতে হবে। কোন সুবিধা পাবার আসায় বা কোন সুবিধা হারাবার ভয়ে যদি সে লক্ষ থেকে পিছুটান নেয়। তবে সে কিছুই পাবে না”।
আমি আশ্চর্য হয়ে বললাম “কিন্তু কিভাবে আমি তা বুঝব?”
প্রকৃতি বলল “তবে শোন – প্রথম কাকটি তার লক্ষ খুজে পেয়েছে। সে বুঝতে পেরেছে যে, বেচেঁ থাকাটাই হল তার জীবনের আসল লক্ষ। তাই সে তার খাবারের ভাগ কাউকে দেয় না। যার ফলে সে শক্তিশালী আর মোটা-সোটা। এর কারনে তাকে দেখতে রাজার মত মনে হয়। তাই তাকে তুই রাজা ভেবে ভুল করেছিস। অন্যদিকে সেই আগন্তুক কাক, সেও তার লক্ষ সম্পর্কে ভাল ভাবেই জানে। সে জানে যে তার জীবনের লক্ষ হল ‘ভালভাবে বেচেঁ থাকা’। ভালভাবে এবং পেট পুরে খেয়ে বেচেঁ থাকা। কিন্তু সে সঙ্গি পাবার আশায় তার লক্ষ থেকে দূরে সোরে গিয়েছে। সে তার দুর্লভ খাবারের ভাগ তার সঙ্গি কে দিয়েছে। সে মনে করেছে সে দুটোই পেল। খাবার আর সঙ্গি। কিন্তু, আসলে সে কিছুই পায়নি। কারন, তার খাবার শেষ হলে তার সঙ্গি তাকে ছেড়ে চলে যাবে। আর তার ক্ষুদার্থ পেট ক্ষুদার্থই থেকে যাবে”।
অন্য কেউ এই লম্বা বক্তৃতা দিলে হয় তো রেগে যেতাম। বিরক্ত হতাম। কিন্তু, প্রকৃতির দেওয়া এই লম্বা ভাষনে আমি বিরক্ত হলাম না। কারন, এই ভাষনটির জন্যই তো আমি এত দিন অপেক্ষা করেছি। তাই বিরক্ত হয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।


কিছুদিন পর। প্রকৃতির দান করা এই জ্ঞান দিয়ে আমি আমার বন্ধু সৈকতের জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ করতে চেয়ে ছিলাম। কিন্তু সে উল্টো আমাকেই জ্ঞান দিতে শুরু করলো। সে বলল “এই দারশনিকের ভাবধারা ছাড় আর পড়াশোনায় মনদে। বই পড়। দেখবি এই সব ফালতু আর অহেতূক শিক্ষার চাইতে অনেক গুণ দামি আর কাজের শিক্ষা বই তোকে শেখাচ্ছে।
আমি বললাম “তোর কথা গুলো নিঃসন্দেহে আমার উপকার করতে পারত। কিন্তু, আমি তা হতে দেব না। আমি বই পড়ব না”।
সে বলল “কেন?”
আমি বললাম “কারন, “বই সবসময় পুরাতন কিছুর শিক্ষা দেয়। আর প্রকৃতি? সে তো নতুন কিছুর শিক্ষা দেয়।”
সে অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো “মানে?”
তার কথার ভাবে আমি বুঝলাম, তার এই মানের মানে কি ? আমি বুঝতে পারলাম প্রকৃতি প্রদত্ত এই জ্ঞানের গল্প, শিক্ষার গল্প তার কাছে অহেতূক মনে হয়েছে। যদি আপনাদের কাছেও অহেতূক মনে হয় তবে গল্পটি অহেতূকই। আর না হলে নয়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১:৩৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিজয়ী

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিজয়ী
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

বিজয়ী কখনো কখনো হেরে যায়
হঠাৎ কেউ টপকে যায় তাকে
সেরা সবসময় সেরা থাকে না
পরাজিত হয়ে সে কাঁদে, ভেঙে পড়ে।
জয়লাভ প্রায় প্রত্যেকে আনন্দিত করে
আর হার প্রায় প্রত্যেকে দুখি করে।
আমরা কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিল্প ও সাহিত্যের নবজাগরণ: যুগপৎ আন্দোলন এবং মৌলিকতার স্বরূপ।

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২



সভ্যতার বিকাশ, সমাজের রূপান্তর এবং মানুষের আত্মিক উৎকর্ষ সাধনে শিল্প ও সাহিত্য এক অবিনাশী চালিকাশক্তি। একটি জাতির মননশীলতা কেমন হবে, তার নৈতিক ভিত্তি কতটা দৃঢ় তা নির্ভর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামায়াতের দ্বিচারিতায় পরিপূর্ণ রাজনীতি

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২২ শে জুলাই, ২০২৬ ভোর ৫:২৮


১৯৪১ সালে ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী ‘জামায়াতে ইসলামী’ গঠন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটি ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধার্মিক কে অনুসরণ করুন ভন্ডকে নয় ।

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

আমরা প্রায়ই নিজেদের ধর্মপ্রাণ জাতি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসি। কিন্তু প্রশ্ন হলো ধর্ম কি সত্যিই আমাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সত্যের পথে পরিচালিত করতে পারছে, নাকি কিছু অসভ্য মানুষ ধর্মকে নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাকরির জন্য সুপারিশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮



গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক, ইউটিউব সহ অনলাইন সকল পত্র-পত্রিকা, টিভি নিউজ সহ এমন কোনো স্থান বাদ নেই যেইখানে এক ব্যক্তির রাজনীতি, সাংসদ, সংসদ, চরিত্র, বিবাহ, কাবিন নামা, প্রথম স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×