অফিসে যাচ্ছি।
আমার বাসা থেকে অফিস মাত্র ৫ মিনিটের পথ। বেশিরভাগ সময় রিক্সা করেই যায়।
রিক্সা করে যেতে ১০ টাকা লাগে।
এই ১০ টাকায় আবার অনেক কিছুই পাওয়া যায়, একটা গোল্ডলিফ পাওয়া যায়, একটা পটেটো চিপস পাওয়া যায়, রিং চিপসও পাওয়া যায়।
তবে আমি এগুলোর কিছুই বাইরে থেকে কিনি না, শুধুমাত্র সিগারেট ছাড়া...
চিপস মাঝে মাঝে খেতে ইচ্ছে হলে খাই...
বিশু রাস্তার ওপারে। মোটাতাজা বিশু। চোখে সানগ্লাস। কালো শার্ট। সম্ভবত কালো শার্ট পরে প্রতিবাদ করছে। কিন্তু আমার তা মনে হলো না, মনে হলো বিশু ফরম্যালিটি বজায় রাখার জন্য এই কালো শার্ট পরিধান করেছে। আমাদের দেশের সবার মত...
আমার চোখে চশমা নেই, আমি বিশুকে ঝাপসা দেখছি...
বিশু মোটাতাজা বলে আমি চিনতে পেরেছি...
ওর জায়গায় প্রকাশ হলে চিনতে পারতাম না। প্রকাশ হলো এলাকার ছোট ভাই। পলিটিক্স করে। আমার সাথে দেখা হয় প্রায়। মাঝে মাঝে আমার ফেসবুকের পোষ্টে কমেন্টও করে। প্রকাশ দেখতে একটু চিকনা টাইপের। শুকনো মাছ টাইপের। যেনো মনে হয় ফুঁ দিলেই উড়ে যাবে। তবে কখনও ট্রাই করে দেখিনি! আসলেই ফুঁ দিলে উড়ে যাবে কী না...
রিক্সায় উঠলাম। পরিচিত রিক্সা চালক। হাসি হাসি মুখ করে রিক্সা টান দিলো...
বিশু তাকিয়ে আছে, আমি হাতের ইশারায় অশ্লীল ভঙ্গিমা দেখালাম। বিশুও দেখালো। পেছন ফিরে আর তাকালাম না বিশুকে। প্রতিবাদ করুক সে কালো শার্ট পরে। আমার কী তাতে!
মহসিনের দোকানে আসলাম। দেখলাম তার বাবা দোকানে বসা। সিগারেট তো আর টানা যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে মহসিনকে ইশারায় বুঝালাম, সিগারেট নিয়ে বাইরে আয়...
বন্ধু আমার ইশারায় সিগারেট নিয়ে বাইরে আসলো। টানলাম। টানতে টানতে অফিসে চলে এলাম।
অফিসে এসে পত্রিকায় দেলোয়ারের জীবনী পড়লাম...
খারাপ না। এলাকার সবাই তার অত্যাচারে অতিষ্ট। শুধুমাত্র পুলিশ ছাড়া।
এই দেশে এরকম দু-একটা দেলোয়ার থাকতেই পারে...
আমি অপর পৃষ্ঠায় চলে গেলাম।
ন্যান্সি পড়লাম।
কিছুই বুঝলাম না।
ন্যান্সিতে কলামিষ্ট কী বুঝাতে চেয়েছেন...
আমার এই লেখার মত...
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৪ রাত ২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


