বড় বিস্মিত হই এই কারনে যে, সরকারের গদিতে প্রতি অর্ধ-দশকে নারী নেত্রীর কেউ না কেউ আরোহন করেন কিন্তু তারপরও এদেশ নারীদের মুক্তি দিতে পারেনি, দিতে পারেনি নিরাপত্তা।
সেদিন স্বচক্ষে দেখেছি কিভাবে যৌতুকের জন্য মারা হচ্ছে এক নারীকে।
তার গুটিকয়েক দিন আগে টিভিতে দেখেছি, পহেলা বৈশাখে কিভাবে নারীদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে কতিপয় নরপিচাশ। নারীদের বস্ত্রহরন করা হলো শত শত মানুষের সামনে। কেউ কিছু বললো না। কাকে বলবে? যাদের কাছে বলবে তারাই তো এসব নরপিচাশদের লালন পালন করছে। আর কে বা বলতে যাবে। যে বলতে যাবে তাকে হয়তো বিশ্বজিতের মতো কুপিয়ে মারা হবে। এ হলো আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ। নারীদের সম্ভ্রম হানিতে আমরা মজা পাই কিংবা কষ্ট পাই, কারো কাছে বলবো না। মুখ বুেঝই ছিলাম, মুখ বুঝেই থাকবো। শুধু দুই নারী নেত্রীই বেঁচে থাক বাকী নারীরা না চুলোয় যাক। তাতে কিছু যায় আসে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



