somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইত্তেবা-উস-সুন্নাহ বা সুন্নাহর অনুসরণ, সংকলনেঃ ড মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংখ্যাঃ০০১

এই সংখ্যার বিষয় সমূহঃ
সুন্নাহর আভিধানিক অর্থ
সুন্নাহর পারিভাষিক অর্থ
সুন্নাহর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থের মধ্যে সম্পর্ক

সুন্নাহ {سنة} শব্দটি মুসলিম সমাজে একটি সুপরিচিত পরিভাষা, কিন্তু শব্দটি আরবি হিসেবে তার আভিধানিক ও পারিভাষিক একাধিক পরিচয় হতে পারে। নিম্নে সুন্নাহর আভিধানিক ও পারিভাষিক বিভিন্ন পরিচয় তুলে ধরা হল।

সুন্নাহর আভিধানিক অর্থ:
মিসবাহুল মুনীর গ্রন্থকার তার স্বীয় গ্রন্থে বলেন, সুন্নাহ {سنة} শব্দটির আরবি আভিধানিক অর্থ হল: الطَّرِيْقَةُ অর্থাৎ, পথ ও পদ্ধতি, চাই সেটি ভালো হোক বা খারাপ হোক। আর সুন্নাতের অপর অর্থ الِّسيْرَة অর্থাৎ আদর্শ ও রীতিনীতি, চাই সেটি খারাপ হোক বা ভালো হোক। মোট কথা, সুন্নাহ {سنة}-এর আভিধানিক অর্থ হল পথ ও পদ্ধতি, আদর্শ ও রীতিনীতি চাই তা ভাল হোক অথবা খারাপ হোক।
আর মুফরাদাত গন্থের প্রণেতা গরীবুল কুরআনে উল্লেখ করেন, السنن শব্দটি سنة শব্দের বহু বচন। আর রাসূলের সুন্নাহ, এ কথার অর্থ রাসূলের আদর্শ যা তিনি পালন করতেন। আল্লাহর সুন্নাহ এ কথার অর্থ, আল্লাহর পথ ও পদ্ধতি, তার হিকমত এবং তার আনুগত্যের নিয়ম ও পদ্ধতি। “সুন্নাহ” এ অর্থেই কুরআন ও হাদিসে বহুবার ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন- আল্লাহ তা’আলা বলেন:
(قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِكُمْ سُنَنٌ فَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانظُرُوا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ)
অর্থ,“তোমাদের পূর্বে অতীত হয়ে গেছে অনেক ধরণের জীবন পদ্ধতি, রীতি ও নীতি। তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ- যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে তাদের পরিণতি কি হয়েছে।” {সূরা ইমরান: ১৩৭}
অত্র আয়াতে سُنَنٌ শব্দটি {سنة} সুন্নাহ এর বহুবচন, এ শব্দটি এখানে জীবন পদ্ধতি ও রীতি-নীতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উল্লেখিত আয়াত ছাড়াও কুরআনুল কারীমে এরূপ বহু আয়াতে একই অর্থে সূন্নাহ শব্দটি এসেছে। যেমন-
(فَهَلْ يَنظُرُونَ إِلَّا سُنَّتَ الْأَوَّلِينَ فَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَبْدِيلًا وَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَحْوِيلًا)
“তবে কি তারা পূর্ববর্তীদের বিধানের অপেক্ষা করতেছে। বস্তুত তুমি আল্লাহর বিধানের কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর রীতির কোন ব্যক্তিক্রমও দেখবে না।”{সূরা ফাতির: ৪৩} অর্থাৎ পদ্ধতি অথবা স্বভাব বা রীতি, যার উপর ভিত্তি করে আল্লাহর রাসূলদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী-বিরোধীদের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার বিধান জারি হয়; আর তাদের ক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার বিধান হল: তাদেরকে শাস্তি প্রদান করা এবং তাদের কর্তৃক আল্লাহর রাসূলদের বিরুদ্ধাচরণ করার কারণে তাদেরকে শাস্তির মাধ্যমে পাকড়াও করা।

সুন্নাহ {سنة} শব্দটি একই অর্থে হাদিসেও বহুবার ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন-

﴿عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ لَتَتَّبِعُنَّ سَنَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ شِبْرًا بِشِبْرٍ وَذِرَاعًا بِذِرَاعٍ حَتَّى لَوْ دَخَلُوا فِي جُحْرِ ضَبٍّ لَاتَّبَعْتُمُوهُمْ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللهِ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى؟ قَالَ: فَمَنْ؟﴾

অর্থ, আবু সাঈদ খুদরী রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতির রীতি-নীতি বিঘতে-বিঘত, হাতে-হাত অর্থাৎ হুবহু অনুসরণ করবে, এমনকি তারা গুই সাপের গর্তে প্রবেশ করলে তোমরাও তাদের অনুসরণ করে একই গর্তে প্রবেশ করবে। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! পূর্ববর্তী জাতি বলতে কি ইয়াহুদ ও নাসারাদেরকে বুঝাচ্ছেন? তিনি বললে,তাহলে আবার কারা? {মুসলিম, হাদিস: ২৬৬৯}

এ হাদিসে لَتَتَّبِعُنَّ سَنَنَ এর মধ্যে سنن শব্দটি সুন্নাহ {سنة} অর্থাৎ ”রীতি-নীতি ও জীবন পদ্ধতি” অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে। এরূপ আরও বহু হাদিসে এসেছে।
অতএব সুন্নাহ {سنة} শব্দটি কুরআন, হাদিস ও আরবি ভাষায় “রীতি-নীতি, পথ ও পদ্ধতি” অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই অধিকাংশের নিকট এটাই সুন্নাহ {سنة} এর আভিধানিক অর্থ।

সুন্নাহর পারিভাষিক অর্থ:
আল্লামা ইবনুল আসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ইসলামি শরীয়তে যখন সাধারণভাবে সুন্নাহ {سنة} শব্দটি ব্যবহার করা হবে, তখন এর অর্থ হবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশ, নিষেধ কথা, কাজ ও সম্মতি ইত্যাদি; যে সব বিষয় সম্পর্কে আল্লাহর কিতাব কোন প্রকার বর্ণনা দেয়নি; শুধু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়েছেন। এ জন্যই শরীয়তের দলীল সমূহের ক্ষেত্রে বলা হয় যে, কিতাব ও সুন্নাহের দলীল, অর্থাৎ কুরআন ও হাদিসের দলীল। তবে পারিভাষিক সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শাস্ত্রের বিদ্বানগণ স্বীয় উদ্দেশ্য ফুটিয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন ভঙ্গিতে সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। তাতে সূন্নাহের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও সূন্নাহের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ে মৌলিক কোন পার্থক্য নাই।

আল্লামা শাতবী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, বিশেষ করে যে সব বিষয়গুলো কুরআনে বর্ণিত নয়, কেবল মাত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, শরীয়তের সে সব বিষয়গুলোকে সুন্নাহ বলে।

কেউ কেউ বলেন, শরীয়তের পরিভাষায় সুন্নাহ হল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রমাণিত নফল ইবাদাত। আবার কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত এমন সব দলীলকে সুন্নাহ বলা হয়, যার তিলাওয়াত করা হয় না, যা কুরআনের মত মুজিযার অন্তর্ভুক্ত নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথা, কর্ম ও সম্মতি এরই অন্তর্ভুক্ত।
এতে প্রমাণিত হয়, যখন সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন তার দ্বারা তিনটির যে কোন একটি অর্থ উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।
১- কুরআন ব্যতীত শরীয়তের অপর দলিল হিসেবে সুন্নাহ, তখন তার দ্বারা উদ্দেশ্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা, কর্ম ও তার সম্মতি।
২- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব কাজ করেছেন এবং তা তিনি সর্বদা করেছেন, রাসূলের অনুকরণে সে সব কর্ম করার উপর সাওয়াব দেয়া হবে এবং ছেড়ে দেয়ার উপর শাস্তি দেয়া হবে না, তাকে সুন্নাহ বলে।
৩- বিদআতের বিপরীতে সুন্নাহ শব্দ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যে সব কথা, কর্ম ও সম্মতি কুরআন ও সুন্নাহ- রাসূলের কথা, কর্ম ও সম্মতির- সাথে সাংঘর্ষিক হবে না, বরং কুরআন সুন্নাহের মুয়াফেক হবে, তাকে সুন্নাহ বলে। চাই বিষয়টির উপর কুরআন ও হাদিসের সরাসরি দলীল থাকুক বা কুরআন ও হাদিসের মূলনীতি হতে দলীলটি গ্রহণ করা হোক। পক্ষান্তরে যে সব কথা, কর্ম ও সম্মতি কুরআন ও সুন্নাহের পরিপন্থী হবে এবং ইবাদাত হিসেবে অনুসরণ করা হয়ে থাকে তাকে বিদআত বলে।

মুহাদ্দিস তথা হাদিস শাস্ত্রবিদদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কথা, কাজ, সম্মতি এবং সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য ও চারিত্রিক গুণাবলী যাহাই প্রমাণিত হয় সবই সুন্নাহ বলে পরিচিত। এই দৃষ্টিকোণ হতে অনেক মুহাদ্দিসের নিকট সুন্নাহ ও হাদিস একই বিষয়। উভয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।

ফিকাহ শাস্ত্রের নীতিমালা তথা ওসূল শাস্ত্রবিদদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কুরআন ছাড়া ইসলামের দলীল যোগ্য কথা, কাজ ও সম্মতি যা কিছু প্রকাশ পেয়েছে সবই সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত। ফিকাহ্ শাস্ত্রবিদদের নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ফরয ও ওয়াজিব ছাড়া যে সমস্ত বিধান সাব্যস্ত হয়েছে তা সবই সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত। আবার বলা হয়, যা করলে সাওয়াব হবে কিন্তু ছুটে গেলে শাস্তি হবে না তাই সুন্নাহ।

আলেমগণের উদ্দেশ্য ভিন্নতার কারণে সংজ্ঞার ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। উপরোক্ত সংজ্ঞা সমূহের মধ্যে মুহাদ্দিসদের সংজ্ঞাটি ব্যাপক অর্থ সম্বলিত, অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রমাণিত কথা, কাজ, সম্মতি এবং সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য ও চারিত্রিক গুণাবলী সবই সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত।
তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য ও স্বভাবগত গুণাবলী ইবাদাতগত সুন্নাহ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত কিনা সে ব্যাপারে কিছু একাধিক মতামত পরিলক্ষিত হয়। তাই এ ক্ষেত্রে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী {রাহিমাহুল্লাহ}-এর সুন্নাহর সংজ্ঞাটি যথার্থ বলে মনে হয়। তিনি বলেন:
﴿السنة في الإصطلاح: هى ما صدرعن النبي من قول أو فعل أو تقرير مما يراد به التشريع للأمة، فيخرج بذلك ما صدر عنه من الأمور الدنيوية والجبلية التى لا دخل لها بالأمور الدينية، ولاصلة لها بالوحى﴾
“ইসলামী পরিভাষায় সুন্নাহ: এ উম্মাতের জন্য শরীয়তের উদ্দেশ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যে সব কথা, কাজ ও সম্মতি প্রকাশ পেয়েছে তাকেই সুন্নাহ سنة বলা হয়। অতএব দ্বীনি বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এবং ওয়াহীর সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন সব পার্থিব ও সৃষ্টিগত বিষয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রকাশ হলেও তা ইবাদাতগত সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত নয়।”

এ সংজ্ঞার মাধ্যমে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইবাদাতগত সুন্নাহ ও স্বভাবজাত সুন্নাহর মধ্যে পার্থক্য উপলব্ধি করতে পেরেছি এবং এটাও স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, স্বভাবজাত সুন্নাহগুলো ইসলামী শরীয়াতের বিধান কিংবা ইবাদাতের মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভূক্ত হবে না। তবে এক্ষেত্রে রাসূলের অনুসরণ যখন উদ্দেশ্য হয়, তখন তা ইবাদাত এবং সাওয়াবের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।

সুন্নাহর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থের মধ্যে সম্পর্ক:
সূন্নাহের পারিভাষিক ও আভিধানিক উভয় অর্থের মধ্যে গভীরভাবে চিন্তা করে দেখলে দেখা যায় সুন্নাহের আভিধানিক অর্থটি ব্যাপক। সুন্নাহর আভিধানিক অর্থ হল, পথ ও পদ্ধতি, রীতি ও নীতি। যে কোন মানুষের পথ পদ্ধতি,ও রীতি নীতিকেই সুন্নাহ বলা যেতে পারে। কিন্তু পারিভাষিক অর্থ খাস। অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নবুওতী জীবনের পদ্ধতি ও রীতিনীতিকেই পরিভাষায় সুন্নাহ বলা হয়। কুরআনের বিপরীতে সুন্নাহর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও খুলাফায়ে রাশেদিনের পথ, পদ্ধতি ও রীতি-নীতিকে সুন্নাহ হিসেব আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। কেননা, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে স্পষ্ট করে তাদের রীতি নীতিকে সুন্নাহ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং তার অনুসরণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেনঃ
عليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين من بعدي عضوا عليها بالنواجذ
“তোমরা আমার সুন্নাহকে আঁকড়ে ধর এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধর। তার উপর তোমরা অটুট থাক। ইমাম আবু দাউদ, তিরমিযি ইমাম তিরমিযি হাদিসটিকে হাসান বলে আখ্যায়িত করেন”। {আবু দাউদ, তিরমিযি, হাদিস: ২৬৭৬}
মূলত: মুহাদ্দিসদের নিকট সুন্নাহর সংজ্ঞার ফলাফল এটাই আসে, তাই সুন্নাহ {سنة} এর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে কোন ভিন্নতা নেই।

উপরে উল্লেখিত বিষয়ে একটি কথা স্পষ্ট হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা, কাজ ও সম্মতিকে সুন্নাহ বলে। নিম্নে এ বিষয়ের উপর প্রমাণ তুলে ধরা হল।


পরবর্তী সংখ্যায় ইনশাআল্লাহ এ বিষয়ের উপর প্রমাণগুলো তুলে ধরা হবে।
শেয়ার করে মানুষকে জানিয়ে দিন ও পরবর্তী সংখ্যা এর ট্যাগ পেতে কমেন্ট করুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কলকাতায় নিয়মিত যারা যাতায়ত করেন তারা এই প্রশ্নের মূখোমুখি হবেন প্রায়ই।

লিখেছেন ইমরান আশফাক, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৩

আচ্ছা, আপনাদের মধ্যে যারা কলকাতায় যাতায়ত করে থাকেন তারা স্হানীয়দের কাছেকি এই প্রশ্নটির মূখোমুখী হয়েছেন নিয়মিতভাবে: দেশভাগের সময় বাংলাদেশকে দেয়া হয়েছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুর্শিদাবাদ আর ভারতকে দেয়া হয়েছিলো খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কেন কওমী জননী হয়েছিলেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:২৯


আওয়ামী লীগ করেন এমন অনেক মানুষ বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি বোধ করেন। শেখ হাসিনা কেন কওমি জননী উপাধি গ্রহণ করলেন? আসলে সবাই যা বলতে চান,আওয়ামী লীগের রাজনীতি তো এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×